দোষী ৪ আসামির মৃত্যু পরোয়ানা একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে, জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।
দোষী ৪ আসামির মৃত্যু পরোয়ানা একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে, জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

সুপ্রিম নির্দেশে নির্ভয়াকাণ্ডে পৃথক ফাঁসির আবেদনের শুনানি পিছোল

৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি হাইকোর্ট এই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয় কেন্দ্রীয় সরকার। হাইকোর্ট তার রায়ে জানায়, এই মামলায় দোষী ৪ আসামির মৃত্যু পরোয়ানা একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে।

নির্ভয়াকাণ্ডে দোষী চার আসামিকে পৃথক ভাবে ফাঁসিতে ঝোলানোর কেন্দ্রীয় আর্জির শুনানি আগামী ৫ মার্চ পর্যন্ত পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি হাইকোর্ট এই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয় কেন্দ্রীয় সরকার। হাইকোর্ট তার রায়ে জানায়, এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া চার আসামির মৃত্যু পরোয়ানা একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে এবং তা পৃথক ভাবে করা যাবে না।

হাইকোর্ট জানিয়েছিল, দিল্লি জেলের নিয়মাবলীতে এমন উল্লেখ নেই যে কোনও এক আসামির ক্ষমাভিক্ষার আর্জি ফয়সালা না হলে একই মৃত্যু পরওয়ানার অধীনে থাকা বাকি আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করা যাবে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির নিম্ন আদালত নির্ভয়া মামলায় দোষী বিনয় শর্মা, মুকেশ কুমার সিং, পবন গুপ্তা ও অক্ষয় ঠাকুরের বিরুদ্ধে নতুন মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে। ৩ মার্চ সকাল ৬টায় এই চারজনের ফাঁসি কার্যকর করার নির্দেশ দেয় আদালত। এই নিয়ে তৃতীয় বার তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হল।

গত সপ্তাহে আসামি বিনয় শর্মার ‘মানসিক অসুস্থতার’ জন্য হিউম্যান বিহেভিয়র অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস-এর (IHBAS) অধীনে চিকিত্সার আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তার আইনজীবী এ পি সিং আদালতে জানিয়েছিলেন, তাঁর মক্কেল মানসিক অসুস্থতার শিকার হয়েছে এবং স্কিত্জোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তার আইনজীবী ও নিজের পরিবারের সদস্যদেরও চিনতে পারছে না।

৩ মার্চ ফাঁসি কার্যকর করার আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য চার আসামিকে লিখিত ভাবে জানিয়েছে তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষ।

বন্ধ করুন