বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য সংরক্ষণ বজায় থাকবে, রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য সংরক্ষণ বজায় থাকবে, রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই (ANI)

মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস নেতা, ড. জয়া ঠাকুর এবং ডিএমকে পার্টি এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল। আদালত রিভিউ পিটিশনের ওপেন কোর্ট শুনানির আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে।

সংবিধানের ১০৩ তম সংশোধনীর মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীকে ১০% সংরক্ষণ প্রদান করা হয়। এর বৈধতায় সায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে জমা পড়েছিল রিভিউ পিটিশন। তবে সেই আর্জি প্রত্যাখান করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

৯ মে-এর আদেশে, ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী, এস রবীন্দ্র ভাট, বেলা এম ত্রিবেদী এবং জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ জানিয়েছে, ২০২২ সালের নভেম্বরের রায়ে কোনও ত্রুটি ছিল না। আরও পড়ুন: 'সমানাধিকারকে গ্রাস করবে', EWS সংরক্ষণ নিয়ে কেন ভিন্ন রায় CJI ও বিচারপতি ভাট?

আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, রিভিউ পিটিশনগুলি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে, কোনও ত্রুটি স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টের বিধি ২০১৩-র আদেশ XLVII-এর ১ নম্বর বিধির অধীনে পর্যালোচনার জন্য কোনও পরিসর নেই। সেই কারণে রিভিউ পিটিশন খারিজ করা হয়েছে।

আদালত রিভিউ পিটিশনের ওপেন কোর্ট শুনানির আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে। গত বছর ৭ নভেম্বর, EWS সংরক্ষণের সাংবিধানিক বৈধতার পক্ষে সায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের এক সাংবিধানিক বেঞ্চ। ভারতের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত এবং বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী, এস রবীন্দ্র ভাট, বেলা এম ত্রিবেদী এবং জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ এই রায় দেয়।

অর্থনৈতিকভাবে দুর্বলতর অংশের (ইডব্লিউএস) সংরক্ষণকে বৈধ বলে রায় দেন বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী, বেলা এম ত্রিবেদী এবং জেবি পরদিওয়ালা। বিচারপতি ললিত নিজে এবং এস রবীন্দ্র ভাট বলেন, এই সংরক্ষণ সংবিধানের মৌলিক ধারণার বিরোধী।

উক্ত রায়ে ভিন্নমত পোষণ করা বিচারপতিরা বলেছিলেন, অর্থনৈতিক ভিত্তিতে সংরক্ষণ অনুমোদিত হলেও, EWS থেকে SC/ST এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিগুলিকে বাদ দেওয়া যাবে না। এতে তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য হবে।

রায়ে বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী বলেন, কোনও দেশের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টায় সংরক্ষণ একটি সক্রিয় পদক্ষেপ। EWS-এর জন্য সংরক্ষণে ৫০ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করে গেলেও তা সংবিধান লঙ্ঘন করে না। বিচারপতি ত্রিবেদী জানান, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বলতর অংশকে একটি শ্রেণি হিসাবে চিহ্নিত করা অযৌক্তিক নয়। বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং জেবি পরদিওয়ালা বলেন, নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য এই সংরক্ষণ হওয়া উচিত। চিরকালের জন্য সংরক্ষণ বজায় রাখা উচিত্ নয়। 

মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস নেতা, ড. জয়া ঠাকুর এবং ডিএমকে পার্টি এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল। আরও পড়ুন: শিক্ষা ও চাকরিতে আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য সংরক্ষণ থাকবে, রায় সুপ্রিম কোর্টের 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

ঘরে বাইরে খবর
বন্ধ করুন

Latest News

সমাজ করতে পারেনি কাবু, চিনে নিন দেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার IAS অফিসারকে CISCE ISC অঙ্কের প্রশ্নপত্র জটিল আর দীর্ঘ হয়েছে, হতাশ বহু পরীক্ষার্থীর দাবি মদ্যপানের ‘হ্যাংওভার’ নিয়েই ম্যাচ পরিচালনা আম্পায়দের- বিস্ফোরক অভিযোগ মনোজের বিরাট অনুষ্কার ছেলের নামে সন্তানের নাম রাখবেন? আগে জেনে নিন 'অকায়' শব্দের অর্থ ১০৮ পাপড়ি দিয়ে বিশেষ পদ্ম, জগন্নাথ দেবের জন্য ফুলের চাষাবাদ শুরু পুরীতে আমাদের অফিসারের একটাই 'ত্রুটি'…খালিস্তানি ইস্যুতে বিবৃতি প্রকাশ রাজ্য পুলিশের একমাস বাদে IPL, পিঠের ব্যথার জেরে রঞ্জি কোয়ার্টার খেলবেন না KKR অধিনায়ক শ্রেয়স শুরু হল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক কোর্সের প্রবেশিকার ফর্ম ফিলআপ পেন্সিল বক্সে করে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ, ছাত্রীর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল পৃথিবীর খুব কাছে এসে গিয়েছে বাসের মতো বড় গ্রহাণু, আজই ঘটবে বিরাট মহাজাগতিক কাণ্ড

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.