বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'NDMA-র সিদ্ধান্ত কী?' করোনায় মৃতদের ৪ লাখ টাকা দেওয়ার মামলায় রায়দান স্থগিত সুপ্রিম কোর্টের
করোনায় মৃত্যু হয়েছে বাবার, দেওয়ালেই ‘মিস ইউ’ লিখলেন খুদে। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
করোনায় মৃত্যু হয়েছে বাবার, দেওয়ালেই ‘মিস ইউ’ লিখলেন খুদে। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

'NDMA-র সিদ্ধান্ত কী?' করোনায় মৃতদের ৪ লাখ টাকা দেওয়ার মামলায় রায়দান স্থগিত সুপ্রিম কোর্টের

  • কেন্দ্রের তরফে শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়, কোভিডে মৃতদের ৪ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া অসম্ভব।

করোনাভাইরাসে মৃত্যু হলে চার লাখ আর্থিক সাহায্যের মামলায় রায়দান স্থগিত রাখল সুুুপ্রিম কোর্ট। সোমবার শীর্ষ আদালতের তরফে জানতে চাওয়া হয়, সেই বিষয়ে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) কি কোনও সিদ্ধান্ত নিয়েছে? বা সেই আর্থিক সাহায্যের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে?

রবিবার শীর্ষ আদালতে হলফনামা দাখিল করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, করোনায় মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে চার লাখ আর্থিক সাহায্য প্রদান করা কখনওই সম্ভব নয়। কারণ সরকারের হাতে সীমিত সম্পদ আছে। সেক্ষেত্রে করোনা মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হলে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের পুরো অর্থই সেই খাতে ব্যবহৃত হয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব গোবিন্দ মোহনের দাখিল করা হলফনামায় জানানো হয়, স্বাস্থ্য খাতে বাড়তি খরচ এবং কর থেকে আয় কমে যাওয়ার ফলে এমনিতেই রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভাঁড়ারে চাপ পড়েছে। সেই পরিস্থিতিতে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হলে করোনা মোকাবিলার ক্ষেত্রে 'দুর্ভাগ্যজনক প্রভাব' পড়তে পারে। ফলে ‘ভালোর থেকে বেশি খারাপ হবে’।

নিজেদের পিটিশনে মামলাকারী তথা আইনজীবী গৌরব কুমার বনশল এবং দীপক কনসাল দাবি করেন, ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ১২ নম্বর ধারায় জানানো হয়েছে যে বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ন্যূনতম স্তরে সাহায্যের বিধান আছে। আর্থিক সাহায্যেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্থ কমিশনের রিপোর্টের উপর নির্ভর করে কেন্দ্রের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়, প্রতি ১০ বা ১০০ বছরে যে মহামারী হয়, তা মোকাবিলার সেরা উপায় হল বিমা। তবে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এটাও জানান, অর্থ কমিশন যে সুপারিশ করেছে, তা ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ১২ নম্বর ধারাকে মোটেও নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে না।

বন্ধ করুন