বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টা করছিল জঙ্গিরা, হাওড়া থেকে মধ্যপ্রদেশে যেত বার্তা: Report

অস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টা করছিল জঙ্গিরা, হাওড়া থেকে মধ্যপ্রদেশে যেত বার্তা: Report

জঙ্গিদের দমাতে তৎপর এসটিএফ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

হাওড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল দুই সন্দেহভাজন যুবককে। এদিকে তাদের সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের অপর এক সন্দেহভাজন আএস অপারেটিভের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল বলে খবর।

আব্দুল কুরেশি। আইএস জঙ্গি সন্দেহে এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল তাকে। মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি প্রাক্তন সিমি সদস্য। ২০০৯ সালে তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। খুনের চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৪ সালে তিনিই আবার তালিবানের পক্ষে স্লোগান দিয়েছিলেন আদালতে। এবার কলকাতা থেকে ধৃত অপর এক সন্দেহভাজনের সঙ্গে একসঙ্গে বসিয়ে তাকে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

এসটিএফ আধিকারিকদের দাবি, ২০১৯ সালে জেল থেকে বের হওয়ার পরেও কুরেশি হাওড়া আইএস মডিউলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলত। এসটিএফ সূত্রে খবর, কুরেশি আসলে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। সোশ্য়াল মিডিয়াকে ব্যবহার করে সে সমমনোভাবাপন্ন লোকজনকে খুঁজে বেড়াত। মূলত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সে এইভাবে সংগঠনে নতুন করে নিয়োগ করত। এদিকে সেই সূত্র ধরেই টেলিগ্রামের মাধ্যমে তার সঙ্গে হাওড়ার আইএস অপারেটিভ মহম্মদ সাদ্দামের সঙ্গে তার আলাপ হয়। সে আবার এমটেক ইঞ্জিনিয়ার।

এদিকে সাদ্দাম কাজ করতে নয়ডাতে। সেক্ষেত্রে তার নয়ডাতে দেখা করার ছক কষেছি। মূলত বাংলা ও মধ্যপ্রদেশ ছাডা় অন্য কোনও জায়গায় তারা দেখা করার তাল করছিল। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার জন্যই সে এভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে।

এদিকে সাদ্দাম আর কুরেশি মূলত যুব সমাজের ব্রেন ওয়াশ করে আইএস মডিউলে নাম লেখানোর চেষ্টা করত। এর কিছু নজিরও পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তারা ঠিক কোথায় যাতায়াত করত, আর কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত সবটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এক পদস্থ এসটিএফ আধিকারিক জানিয়েছেন, কয়েকজনের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে সাদ্দাম পুলিশকে জানিয়েছে, সে অস্ত্রের জন্য কুরেশির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই পুরানো কিছু চ্যাট সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। অস্ত্র সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কুরেশির পুরানো কোনও মামলা রয়েছে কি না, আর কার সঙ্গে তারা যোগাযোগ রাখত এসব জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

এদিকে এমপি পুলিশের কাছ থেকে জঙ্গি মডিউল সম্পর্কে আরও তথ্য জোগাড়়ের চেষ্টা করছে কলকাতা এসটিএফ। অন্যান্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এক এসএটিএফ আধিকারিক জানিয়েছেন, সাদ্দামের সঙ্গে যৌথভাবে তাকে বসিয়ে জেরা করা হবে। এরপরই গোটা বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার হবে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন