বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উত্তোলনের পর কেন দেওয়া হয়নি মিষ্টি? শিক্ষকদের দিকে তেড়ে গেলেন গ্রামবাসীরা
ভারতের জাতীয় পতাকা। প্রতীকী ছবি। (ফাইল ছবি)
ভারতের জাতীয় পতাকা। প্রতীকী ছবি। (ফাইল ছবি)

প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উত্তোলনের পর কেন দেওয়া হয়নি মিষ্টি? শিক্ষকদের দিকে তেড়ে গেলেন গ্রামবাসীরা

প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে মিষ্টি বিতরণ না করায় রাজস্থানের এক স্কুলে কর্ত-পক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা।

৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক উৎসব ও অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। ঐতিহ্য ও পরম্পরার হাত ধরে বিভিন্ন জায়গায় পতাকা উত্তোলন করে এই বিশেষ দিনটি পালিত হয়েছে। সেইভাবেই রাজস্থানের ভরতপুরের এক স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন চলছিল। তবে তাল কাটল পতাকা উত্তোলনের পর!

রাজস্থানের ভরতপুরের রাজকীয় উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে চলছিল ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। আর সেই অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলনের পরই আচমকা গ্রামবাসীরা তেড়ে আসেন উপস্থিত শিক্ষক শিক্ষিকাদের দিকে। এমন আচরণের কারণ একটাই, পতাকা উত্তোলনের পর উপস্থিত সকলকে মিষ্টি না দেওয়ার ঘটনা। উল্লেখ্য, চিরাচরিত রীতিতে দেখা যায়, স্কুলে পতাকা উত্তোলনের পর পড়ুয়াদের মিষ্টি দেওয়া হয়ে থাকে। তবে রাজস্থানের এই স্কুলে এবার তা করা হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে মিষ্টি বিতরণের পর্বটি বাদ রাখা হয়। আর তা কেন বাদ ছিল? এই প্রশ্ন তুলে স্কুলে তাণ্ডব চালায় বহু গ্রামবাসী।

সদ্য এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। আর সেখানে দেখা গিয়েছে, মিষ্টি বিতরণের ইস্যুতে শিক্ষকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে যান গ্রামবাসীরা। সেই বচসা পড়ে ধাক্কাধাক্কি থেকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির দিকে গড়িয়ে যায়। এদিকে, ঘটনা ঘিরে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, করোনা পরিস্থিতিতে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে কেবলমাত্র স্কুলে পতাকা উত্তোলন করার আয়োজনই করা হয়। তাই পড়ুয়াদের উপস্থিত থাকতেও বলা হয়নি সেখানে। তবে, মিষ্টি বিতরণ না করার জন্য যে পরিস্থিতি এতটা হাতের বাইরে চলে যাবে , তা বুঝে উঠতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ।

বন্ধ করুন