বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লাগবে হিজাব, দূরে যেতে চাই পুরুষ, মেয়েদের ট্যাক্সিতে ওঠা নিয়ে ফতোয়া তালিবানের
মেয়েদের ট্যাক্সিতে চড়া নিয়ে তালিবানি ফতোয়া (ছবিটি প্রতীকী, এপি/পিকচার অ্যালায়েন্স/ডয়চে ভেলে)
মেয়েদের ট্যাক্সিতে চড়া নিয়ে তালিবানি ফতোয়া (ছবিটি প্রতীকী, এপি/পিকচার অ্যালায়েন্স/ডয়চে ভেলে)

লাগবে হিজাব, দূরে যেতে চাই পুরুষ, মেয়েদের ট্যাক্সিতে ওঠা নিয়ে ফতোয়া তালিবানের

  • আফগানিস্তানে মেয়েদের ট্যাক্সিতে চড়া নিয়ে তালিবানি ফতোয়া।

আফগানিস্তানে মেয়েদের ট্যাক্সিতে চড়া নিয়ে তালিবানি ফতোয়া। পরতে হবে হিজাব, বোরখা। বেশি দূর গেলে পুরুষ আত্মীয় চাই।

আফগানিস্তানে মেয়েদের ট্যাক্সিতে যাওয়া নিয়ে নির্দেশিকা দিল তালিবানি সরকার। বলা হয়েছে, ট্যাক্সিতে উঠতে গেলে মেয়েদের হিজাব পরতেই হবে, ক্ষেত্রবিশেষে তাদের বোরখাও পরতে হবে। ট্যাক্সিচালকদেরও একগুচ্ছ নিয়ম মানতে হবে। তাদের কীরকম ব্যবহার করতে হবে, সেই নির্দেশিকাও জারি করেছে প্রোপাগেশন অফ ভার্চু ও প্রিভেনশন অফ ভাইস মন্ত্রক।

রবিবার জারি করা এই নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নারীরা হিজাব না পরলে তাঁদের ট্যাক্সিতে নেওয়া যাবে না। কোনও নারী যদি ৭২ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে যেতে চান, তাহলে তাঁর সঙ্গে কোনও পুরুষ-আত্মীয় থাকতেই হবে।

ট্যাক্সিচালকদের বলা হয়েছে, তাঁদের লম্বা দাড়ি রাখতে হবে। তাঁদের প্রার্থনার জন্য থামতে হবে। তাঁরা ট্যাক্সিতে কোনও গান বাজাতে পারবেন না।

তালিবান ও নারীদের অধিকার

আফগানিস্তানে গত অগস্টে তালিবান আবার ক্ষমতা দখলের পর তারা নারীদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ নারী তাদের আগের কাজের জায়গায় ফিরে যেতে পারেননি। মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ কমেছে। মেয়েদের অনেক সেকেন্ডারি স্কুলই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিছু এলাকায় স্থানীয় তালিবান নেতা মেয়েদের স্কুল খুলিয়েছে ঠিকই, কিন্তু মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। যে সব নারী নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাদের তালিবানি সহিংসতার মুখে পড়তে হয়েছে।গত সপ্তাহে তালিবান বিজ্ঞাপনে মেয়েদের ছবি ঢেকে দিয়েছে।

নতুন নিয়মের সমালোচনা আফগানিস্তানের একটি বিশ্ববিদ্য়ালয়ের অধ্যাপক হারুন রহিমি তালিবানের এই নতুন নির্দেশের সমালোচনা করে বলেছেন, এর ফলে মেয়েদের সমস্যায় পড়তে হবে এবং প্রকাশ্য স্থানে তাদের নিরাপত্তা কমবে।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য : প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন