বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘‌অ্যাবাইড উইথ মি’‌ শুনে নেতাজির চোখে জল এসেছিল, কেন্দ্রকে খোঁচা চিদাম্বরমের
পি চিদাম্বরম- এএনআই
পি চিদাম্বরম- এএনআই

‘‌অ্যাবাইড উইথ মি’‌ শুনে নেতাজির চোখে জল এসেছিল, কেন্দ্রকে খোঁচা চিদাম্বরমের

শুধু নেতাজিই নন, ওই গানটি পছন্দ করতেন জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীও। কিন্তু এবারে ওই গানটি অবশ্য পরিবেশিত হয়নি।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রসঙ্গ টেনে ‌‘‌বিটিং রিট্রিট সেরিমনি’‌তে ‘‌অ্যাবাইড উইথ মি’‌ ধ্বনি না বাজানো নিয়ে এবার সরব হলেন দেশের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদাম্বরম। উল্লেথ্য, এবারের ‘‌বিটিং রিট্রিট সেরিমনি’‌তে চরাচরিত ‘‌অ্যাবাইড উইথ মি’‌ ধ্বনি বাজানো হয়নি। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এবার চিদাম্বরমের টুইট অন্য মাত্রা পেল।

রাজ্য সরকারের পাঠানো নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে ট্যাবলো সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ থেকে বাদ পড়ার পর তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ইন্ডিয়া গেটের কাছে নেতাজির একটি গ্রানাইট মূর্তি স্থাপনের কথা ঘোষণা করে। গত ২৩ জানুয়ারি নেতাজির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইন্ডিয়া গেটেই নেতাজির একটি হলোগ্রাম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রের এই উদ্যোগের পর নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কে কিছুটা ছেদ পড়েছে। তবু অস্তিত্ব পিছু ছাড়ছে কেন্দ্রের।


এবার ‘‌বিটিং রিট্রিট সেরিমনি’‌র প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে টুইটে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদাম্বরম লেখেন, ‘‌বিটিং রিট্রিট সেরিমনি থেকে অ্যাবাইট উইথ মি গানটি বাদ দিয়ে কেন্দ্র যে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে, তা শোধরানোর সুযোগ রয়েছে। যখন নেতাজির মূর্তি বসানো হবে আর মূর্তি উন্মোচন করা হবে, তখন কি অ্যাবাইড উইথ মি বাজাবে সরকার?‌’‌ ওই গানটির সঙ্গে যে নেতাজির আবেগ জড়িয়ে রয়েছে, সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে চিদাম্বরম জানান, ‘‌নেতাজির ভাইপোর ছেলে তথা হার্বার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুগত বসুর কাছ থেকে শুনেছিলাম, নেতাজি ‘‌অ্যাবাইড উইছ মি’‌ এই গানটিকে খুবই ভালবাসতেন। দিলীপ কুমার রায় যখন ওই গানটি গেয়েছিলেন, তখন নেতাজির চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে গিয়েছিল।’‌

জানা যায়, শুধু নেতাজিই নন, ওই গানটি পছন্দ করতেন জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীও। কিন্তু এবারে ওই গানটি অবশ্য পরিবেশিত হয়নি। তার জায়গায় ‘‌মেরে ওয়াতান কে লোগো’‌ গানটিকে বাজানো হয়েছে। তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই সরকারের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করলেও আবার একাংশের মত, উপনিবেশিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এই পদক্ষেপের দরকার ছিল।

বন্ধ করুন