বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চোরাশিকারীরা মাটির ভেতর পুঁতে দিয়েছিল চিতাবাঘের দেহ, খুঁজে পেল স্নিফার ডগ
বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর তালিকায় যুক্ত হয়েছে লেপার্ড(ANI Photo) (Ashok Sharma)

চোরাশিকারীরা মাটির ভেতর পুঁতে দিয়েছিল চিতাবাঘের দেহ, খুঁজে পেল স্নিফার ডগ

  • জেলা বনাধিকারিক একে শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, গত ১৬ই জানুয়ারি বিষয়টি জানাজানি হয়।

তিন তিনটে চিতাবাঘকে হত্যা করেছে চোরা শিকারীরা। ভয়াবহ তথ্য় সামনে এল এবার। রাজস্থানের সরিস্কা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বাফার এরিয়ার বাইরে এই চিতাবাঘগুলিকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই বনদফতর দুজনকে গ্রেফতার করেছে এই ঘটনায়। তাদেরকে জেরা করা হচ্ছে। জেলা বনাধিকারিক একে শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, গত ১৬ই জানুয়ারি বিষয়টি জানাজানি হয়। জঙ্গলের বাফার জোনের বাইরে পড়ে থাকা চিতাবাঘের একটি মৃতদেহের ছবি আসে বনদফতরের কাছে। এক গ্রামবাসী এই ছবিটা তুলেছিলেন। এরপরই নড়েচড়ে বসে বনদফতর। 

চিতাবাঘের দেহটিকে পাওয়ার জন্য অন্তত ৪০জন বনকর্মীকে এলাকায় পাঠানো হয়। ড্রোনেরও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাতেও খোঁজ মেলেনি। এরপর স্নিফার ডগ নিয়ে চিতাবাঘের দেহ খুঁজতে নামে বনদফতর। শেষ পর্যন্ত গভীর জঙ্গলে গত ১৯শে জুলাই চিতাবাঘের দেহ মাটিতে পোঁতা অবস্থায় পাওয়া যায়। সেটিকে পাথর দিয়ে চাপা দেওয়া হয়েছিল। তার উপরে ঝোপঝাড় রেখে দেওয়া হয়েছিল। 

এদিকে ময়নাতদন্তের পর দেখা যায় ওই চিতাবাঘকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। এরপর পাহাড়ি এলাকা  থেকে চিতাবাঘের দুটি শাবকের দেহ পায় বনদফতর। কিন্তু কারা রয়েছে এর পেছনে? স্থানীয় গ্রামবাসীদেরও জেরা করছে বনদফতর। এদিকে ২০১৮ সালে ব্যাঘ্র সুমারি অনুসারে রাজস্থানে ৬২৫টি চিতাবাঘের কথা জানা যায়। তিন বছরে অন্তত ২০০টি চিতাবাঘের সংখ্যা বেড়েছে বলে পরিসংখ্যানে উঠে আসে। 

 

বন্ধ করুন