বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Compulsory retirement of SP in Bangladesh: মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ৩ পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বাংলাদেশ

Compulsory retirement of SP in Bangladesh: মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ৩ পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বাংলাদেশ

অবসরে পাঠানো তিন পুলিশ সুপার।

তিনজন পুলিশ আধিকারিক হলেন, অপরাধ তদন্ত বিভাগের দেলোয়ার হোসেন মিয়া ও মির্জা আবদুল্লাহেল বাকী এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের শহিদুল্লাহ চৌধুরী। দেলোয়ারের অবসর নেওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৪ জুন। শহিদুল্লাহর অবসরের কথা আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর এবং আবদুল্লাহেল বাকীর আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

দিন কয়েক আগেই তথ্যসচিব মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। এবার আরও তিন পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই তিন পুলিশ সুপারের বাধ্যতামূলক অবসরের কথা জানিয়েছে প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে এই পুলিশ অধিকারিকদের বাধ্যতামূলক অবসরের কারণ হিসেবে জনস্বার্থের কথা উল্লেখ করা হলেও আগামী সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসন ও পুলিশে সম্ভাব্য অপসারণের অংশ হিসেবে তিনজনকে অবসরে বাধ্য করা হয়েছে বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল। মোট চার আধিকারিককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর পরেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

কঠোর লকডাউনেও বাংলাদেশে লাগামহীন করোনা, সোমবার দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড

তিনজন পুলিশ আধিকারিক হলেন, অপরাধ তদন্ত বিভাগের দেলোয়ার হোসেন মিয়া ও মির্জা আবদুল্লাহেল বাকী এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের শহিদুল্লাহ চৌধুরী। দেলোয়ারের অবসর নেওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৪ জুন। শহিদুল্লাহর অবসরের কথা আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর এবং আবদুল্লাহেল বাকীর আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি। গত সোমবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সই রয়েছে। তিনটি আলাদা আলাদা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস ২০১৮ এর ৪৫ ধারায় সকলকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত এই ধারায় উল্লেখ রয়েছে, রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শানো ছাড়াই জনস্বার্থে ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ করেছেন এমন কোনও কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাতে পারে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যে সমস্ত পুলিশকর্তা এবং আমলারা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মতাদর্শের বিরুদ্ধে তাদেরকেই টার্গেট করছে সরকার। তালিকায় আরও অনেকে রয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

বন্ধ করুন