আধারের সঙ্গে ভোটার পরিচয়পত্রের সংযোগ তৈরি করার উদ্দেশে নতুন আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
আধারের সঙ্গে ভোটার পরিচয়পত্রের সংযোগ তৈরি করার উদ্দেশে নতুন আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

আধার ও ভোটার পরিচয়পত্র জুড়তে নয়া আইন আনছে কেন্দ্র

  • ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করতে চলেছে প্রশাসন। সংশোধিত আইনের খসড়া এর পরে মন্ত্রিসভার কমিটিতে পাঠানো হবে। কমিটি তা অনুমোদন করলে সংসদে পেশ করা হবে সংশোধিত জনপ্রতিনিধি বিল।

নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার নোটে পেয়ে এবার আধারের সঙ্গে ভোটার পরিচয়পত্রের সংযোগ তৈরি করার উদ্দেশে নতুন আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

নির্বাচনে কারচুপি রুখতে সক্রিয় পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই উদ্দেশে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করতে চলেছে প্রশাসন। সংশোধিত আইনের খসড়া এর পরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কমিটিতে পাঠানো হবে। কমিটি তা অনুমোদন করলে সংসদে পেশ করা হবে সংশোধিত জনপ্রতিনিধিত্ব বিল।

সংশোধিত এই আইন অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিকদের ফোটো-সহ ভোটার পরিচয়পত্রের (EPIC) সঙ্গে নিজের ১২ সংখ্যাযুক্ত আধার সংযুক্তিকরণ (লিংকিং) করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রস্তাব বিবেচনা করে সাবেক জনপ্রতিনিধি আইনে পরিবর্তনের বিষয়ে শীর্ষ কূনৈতিক স্তরে আলোচনা চলেছে। তবে আগামী ৩১ জানুয়ারিতে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে, না কি তার পরে বিলটি সংসদে পেশ করা হবে, সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

কেন্দ্রকে পাঠানো চিঠিতে কমিশনের তরফে বর্তমান ভোটার এবং সেই সঙ্গে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে ইচ্ছুক নাগরিকদের আধার নম্বর জানতে চাওয়ার অধিকার নির্বাচন আধিকারিকদের দিতে পুরনো আইন সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৫ সালেও আধারের সঙ্গে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র সংযুক্তিকরণের বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। যদিও শেষ পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই বানচাল হয়।

বন্ধ করুন