বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চাকরি হারিয়ে ঋণের চাপে আত্মঘাতী হলেন ত্রিপুরার স্কুল শিক্ষক, তদন্তে পুলিশ
অপরিশোধিত ঋণের বোঝা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন চাকরি থেকে বরখাস্ত ত্রিপুরার স্কুলশিক্ষক। (প্রতীকী ছবি)
অপরিশোধিত ঋণের বোঝা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন চাকরি থেকে বরখাস্ত ত্রিপুরার স্কুলশিক্ষক। (প্রতীকী ছবি)

চাকরি হারিয়ে ঋণের চাপে আত্মঘাতী হলেন ত্রিপুরার স্কুল শিক্ষক, তদন্তে পুলিশ

  • চাকরি হারানোর পরে স্কুল শিক্ষকের জীবনে অশান্তি ঘনায়। সংসার চালাতে তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা ধার করেন। কিন্তু রোজগারের অভাবে সেই ঋণ তিনি শোধ করতে ব্যর্থ হন।

ঋণ শোধ করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন ত্রিপুরার চাকরি হারানো স্কুল শিক্ষক। শুক্রবার রাতে রাজধানী আগরতলা থেকে ৮০ কিমি দূরে ত্রিপুরার দক্ষিণাংশে বেলোনিয়া জেলার এই ঘটনার কথা রবিবার জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় পি আর বাড়ি থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

নিহত শিক্ষকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাসে চাকরি হারানোর পরে স্কুল শিক্ষকের জীবনে অশান্তি ঘনায়। সংসার চালাতে তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা ধার করেন। কিন্তু রোজগারের অভাবে সেই ঋণ তিনি শোধ করতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত এই অপরিশোধিত ঋণের বোঝা সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন শিক্ষক, দাবি পরিবারের। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা হাই কোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালে ভ্রান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে চাকরি পাওয়া মোট ১০,৩২৩ জন স্কুল শিক্ষক কাজ থেকে বরখাস্ত হয়েছেন। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০১০ সাল থেকে। হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান ত্রিপুরার তদানীন্তন বাম সরকার। ২০১৭ সালের রায়ে হাই কোর্টের নির্দেশ বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।

ওই ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ৮,০০০ শিক্ষককে পুনর্নিয়োগ করা হলেও গত ৩১ মার্চ তাঁদের দায়িত্বের মেয়াদ ফুরোয়। বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের তিনটি সংগঠন একত্রিত হয়ে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে আগরতলায় প্রতিবাদ অবস্থান শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নিক রাজ্য সরকার।

বন্ধ করুন