কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানামস (টিটিডি)।
কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানামস (টিটিডি)।

লকডাউনে ১৩০০ কর্মী ছাঁটল দেশের ধনীতম মন্দির পরিচালক পর্ষদ

  • দরপত্র নবীকরণ হয়নি বলেই ১ মে একধাক্কায় ১,৩০০ কর্মীর চুক্তিতে দাঁড়ি টেনে দিয়েছে টিটিডি।

লকডাউনে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানামস (টিটিডি), দেশের সবচেয়ে বিত্তবান ভেঙ্কটেশ্বর দেবের মন্দির পরিচালনা সংস্থা। গত শুক্রবার অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলায় এই সংস্থা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে ১,৩০০ কর্মী।

জানা গিয়েছে, ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ মন্দিরের বিষ্ণু নিবাসম, শ্রীনিবাসম ও মাধবম অতিথিশালায় সাফাই ও দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন। 

টিটিডি-র মুখপাত্র টি রবি হিন্দুস্তান টাইমস-কে জানিয়েছেন, ‘গত ৩১ এপ্রিল অতিথিশালায় কর্মী জোগানকারী সংস্থার সঙ্গে টিটিডি-এর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এত দিনে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে নতুন দরপত্র হাঁকার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু লকডাউনের কারণে দরপত্র চূড়ান্ত করার জন্য বৈঠকে বসতে পারেনি টিটিডি ট্রাস্ট বোর্ড।’

দরপত্র নবীকরণ হয়নি বলেই ১ মে একধাক্কায় ১,৩০০ কর্মীর চুক্তিতে দাঁড়ি টেনে দিয়েছে টিটিডি। 

প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ লকডাউন আরোপ করার আগে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় শ্রম দফতর সমস্ত কর্মী নিয়োগকারী সংস্থাকে এই সময় কর্মী ছাঁটাই থেকে বিরত থাকার আবেদন জানায়। বিশেষ করে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের ছাঁটাই না করার জন্য আর্জি জানায় মন্ত্রক।

ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তে স্বভাবতই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যে। শ্রমিক দিবসে টিটিডি-এর প্রধান দফতরের সামনে সমবেত প্রতিবাদ জানান তাঁরা। তাঁদের দাবি, চুক্তি শেষ হয়ে গেসেও লকডাউনের মাঝে মানবিকতার খাতিরে কর্মীদের চাকরিতে বহাল রাখা হোক। 

বিক্ষুব্ধ কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দেন টিটিডি ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান ওয়াই ভি সুব্বা রেড্ডি। তাঁর দাবি, টিটিডি-এর স্থায়ী কর্মীরাও লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং নামমাত্র সংখ্যায় হাজিরা দিচ্ছেন। লকডাউন পর্বে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের টিটিডি সাহায্য করবে বলে তিনি জানিয়েছেন। 

 

বন্ধ করুন