বাড়ি > ঘরে বাইরে > টানা ১২ ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ে সোপিয়ানে খতম ৫ সন্ত্রাসবাদী
রবিবার সোপিয়ানে ১২ ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ে ৫ জঙ্গিকে খতম করল নিরাপত্তাবাহিনী। ছবি: পিটিআই। (PTI)
রবিবার সোপিয়ানে ১২ ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ে ৫ জঙ্গিকে খতম করল নিরাপত্তাবাহিনী। ছবি: পিটিআই। (PTI)

টানা ১২ ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ে সোপিয়ানে খতম ৫ সন্ত্রাসবাদী

  • রবিবার সকাল থেকে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়।

দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলায় রবিবার সকাল থেকে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ জঙ্গি মারা গিয়েছে।

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে রেবন গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়িতে ঘাঁটি গাড়া ৫ সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছে ভারতী সেনা, সিআরপিএফ এবং সোপিয়ান পুলিশের যৌথ বাহিনী। 

কাশ্মীরের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার জানিয়েছেন, রবিবার বিকেলে এই অভিযান শেষ হয়েছে। তবে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে কোনও মৃত্যু হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

এ দিন সকাল ৮টা নাগাদ সোপিয়ানের রেবন অঞ্চলে শুরু হয় গুলিযুদ্ধ। সিআরপিএফ মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগাম খবর পেয়ে ওই এলাকায় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের সন্ধানে ভারতীয় সেনা এবং সিএপিএফ-এর যৌথবাহিনী তল্লাশি অভযান শুরু করার কিছু ক্ষণের মধ্যে বাহিনীকে নিশানা করে গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসবাদীরা। জবাবে পালটা গুলি চালান বাহিনীর জওয়ানরা। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাময়িক গুলি চলাচল থামলে ফের তল্লাশি শুরু করে নিরাপত্তাবাহিনী। উদ্ধার হয় অজ্ঞাতপরিচয় তিন জঙ্গির দেহ। সেই সময় আবার গোপন ঘাঁটি থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। তাতে এক জওয়ান আহত হন। 

এ দিন বিকেলে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল রাজেশ কালিয়া জানান, ‘ভোর থেকে গোটা গ্রাম ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। এর জেরে দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ে ৫ সন্ত্রাসবাদী মারা গিয়েছে। সুপরিকল্পিত অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনীর কোনও ক্ষতি হয়নি। ’

উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে পুলওয়ামা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হওয়া তিন জঙ্গির মধ্যে জইশ-ই-মহম্মদ গোষ্ঠীর এক শীর্ষস্থানীয় কম্যান্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, ‘ফৌজি ভাই’ নামে পরিচিত মৃত জঙ্গি আফগান যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। বোমা তৈরির বিষয়ে সে অত্যন্ত দক্ষ ছিল বলেও জানা যায়। দগত সপ্তাহে পুলওয়ামায় গাড়িবোমা বিস্ফোরণের মূল কারিগরও ছিল এই প্রবীণ সন্ত্রাসবাদী। 

গত এপ্রিল মাস থেকে উপত্যকায় নাশকতাদমন অভিযানের পরিমাণ বাড়িয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। মে মাসে হিজবুল মুজাহিদিন গোষ্ঠীর জঙ্গিনেতা রিয়াজ নাইকু ছাড়াও সংঘর্ষে মারা গিয়েছে আর এক হিজবুল কম্যান্ডার তথা এক বর্ষীয়ান বিচ্ছিন্নতাকামী নেতার ছেলে জুনেইদ সেহরাই। গত বুধবার পর্যন্ত চলতি বছরে কাশ্মীরে সংঘর্ষে গিয়েছে মোট ৭৫ জন সন্ত্রাসবাদী, জানিয়েছে পুলিশ। 

বন্ধ করুন