বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > তিন মিনিটের ব্যবধানে জন্ম, ২৪ ঘণ্টার ফারাকে করোনার ধাক্কায় মৃত্যু যমজ ভাইয়ের
তিন মিনিটের ব্যবধানে জন্ম, ২৪ ঘণ্টার ফারাকে করোনায় মৃত্যু যমজ ভাইয়ের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
তিন মিনিটের ব্যবধানে জন্ম, ২৪ ঘণ্টার ফারাকে করোনায় মৃত্যু যমজ ভাইয়ের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

তিন মিনিটের ব্যবধানে জন্ম, ২৪ ঘণ্টার ফারাকে করোনার ধাক্কায় মৃত্যু যমজ ভাইয়ের

  • করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর মৃত্যু।

করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ এপ্রিল হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন ২৪ বছরের দুই যমজ ভাই। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই হাসপাতালে প্রাণ হারালেন তাঁরা। করোনা পরবর্তী অসুস্থতায় এই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মীরাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন দুই ভাই জোফ্রেড গ্রগারি ও রালফ্রেড গ্রগারি। জানা গিয়েছে, পেশায় দু’‌জনেই ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাঁদের অপর ভাইও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে মারণ ভাইরাসের কাছে হার মানলেন তিন মিনিটের ব্যবধানে জন্মানো এই দুই ভাই।

প্রায় একই সময় অসুস্থ হয়ে পড়ায়, দুই ভাইকে মীরাটের আনন্দ হালপাতালে ভরতি করা হয়েছিল।গত ১০ মে তাঁদের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে অসুস্থতা না কমায় হাসপাতাল থেকে তাঁদের ছাড়া হয়নি। ১৩ মে ওই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় জোফ্রেডের। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বাবা গ্রেগরি রেমন্ড ও মা সোজা রাফায়েল। তবে হাসপাতালে ভরতি অপর ভাই রালফ্রেডকে তাঁর মৃত্যুর বিষয় জানাননি তাঁর বাবা-‌মা। পরদিন ১৪ তারিখ রালফ্রেডও ওই হাসপাতালেই মারা যান। দুই তরতাজা ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন তাঁদের বাবা-‌মা।

মৃতদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালের ২৩ এপ্রিল তিন মিনিটের তফাতে জন্ম হয়েছিল দুই ভাইয়ের। দুই ভাইয়ের মধ্যে অনেক মিলও ছিল। দু’জনেই ৬ ফুট লম্বা। দু’‌জনেই একইসঙ্গে কোয়াম্বাত্তুরের কলেজ থেকে বি টেক পাশ করেন।

দু‘‌জনের মধ্যে জোফ্রেড অ্যাকসেনচারে চাকরি পান। তিনি ওয়ার্ক ফ্রম হোম’‌এ কাজ করছিলেন। আর রালফ্রেড কর্মসূত্রে হায়দরাবাদে থাকতেন। তবে করোনার পরিস্থিতিতে সম্প্রতি তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। তাঁদের বাবা-মা দু’জনেই পেশায় শিক্ষক। চলতি বছর ২৩ এপ্রিলে সদ্য ২৪-‌এ পা দেন দুই ভাই। পর দিন ২৪ এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হন দু’‌জনে। প্রথম দিকে বাড়িতে চিকিৎসা চললেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভরতি করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। দুই সন্তানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবারে।

বন্ধ করুন