বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মণীশ শুক্ল–খুনে পঞ্জাব থেকে বিহারের দুই শার্পশুটারকে গ্রেফতার করল সিআইডি
মণীশ শুক্লর নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া ছবি।
মণীশ শুক্লর নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া ছবি।

মণীশ শুক্ল–খুনে পঞ্জাব থেকে বিহারের দুই শার্পশুটারকে গ্রেফতার করল সিআইডি

  • সিআইডি জানিয়েছে, বিহার থেকে তারা সড়কপথে কলকাতায় আসে। সেখান থেকে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র তারা নিয়ে এসেছিল বলে দাবি সিআইডি–র। খুনের পর তারা ফের বিহারে চলে যায়।

ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল খুনে আরও দু’‌জনকে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। পঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিহারের ছাপড়ার ওই দুই বাসিন্দাকে। ধৃত সুজিত রাই ও রোশনকুমার রাই দু’‌জনেই শার্পশুটার।

জানা গিয়েছে, পঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে ধৃত ওই ২ দুষ্কৃতীকে ট্রানজিট রিমান্ডে ব্যারাকপুরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই ঘটনায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে সুবোধ যাদবকে। সিআইডি–র তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ঘটনার ১০–১২ দিন আগে ওই সুবোধের বাড়িতেই আস্তানা গেড়েছিল সুজিত ও রোশন। সুবোধই ওদের মণীশকে চিনিয়ে দেয়। তার নির্দেশে বেশ কয়েকবার এলাকা রেকি করে ওরা। মণীশ কখন কোথায় যেত সে সব খোঁজ–খবর নেওয়া শুরু করে।

সিআইডি জানিয়েছে, বিহার থেকে তারা সড়কপথে কলকাতায় আসে। সেখান থেকে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র তারা নিয়ে এসেছিল বলে দাবি সিআইডি–র। খুনের পর তারা ফের বিহারে চলে যায়। কিন্তু সেখানে তারা বেশি দিন থাকতে পারেনি। কারণ, তদন্তের জন্য ততদিনে বিহারে হাজির হয় পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। তাই তারা পঞ্জাবে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় বলে জানা গিয়েছে।

বিহারের জেলে থাকা বিচারাধীন বন্দি সুবোধ সিংয়ের সঙ্গেই এদের মূল আলাপ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই সুবোধ সিং–ই এদের মোটা টাকার বিনিময়ে মণীশ শুক্লা খুনের অপারেশনে নিয়োগ করে।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তারা হল মহম্মদ খুররম খান, ভাড়াটে খুনি গুলাব শেখ, নাসির খান ও সুবোধ যাদব। যদিও মণীশ শুক্লর বাবা চন্দ্র মণি শুক্ল ৯ জনের বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর দায়ের করেছেন। যাঁদের মধ্যে দু’‌জন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাও রয়েছেন।

বন্ধ করুন