উৎপল পরাশর
United Liberation front of Asom Independent বা আলফার তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে সংগঠনের বিরুদ্ধে চরবৃত্তি করার অভিযোগ সদ্য যোগ দেওয়া দুজন ক্যাডারকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত একটি পোস্টও ঘুরছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে বরপেটার ধনজিৎ সিং ও বাইহাটা চৈরালির সঞ্জীব শর্মাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে সংগঠনের তরফে। গত ৪ ও ৫ মে সংগঠনের লোয়ার জুডিশিয়াল কাউন্সিল তাদের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে।
সংগঠনের স্বঘোষিত ব্রিগেডিয়ার এ জেড শিরোনাম অসমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে অপরাধ তারা করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। আলফার লোয়ার জুডিশিয়াল কাউন্সিলের নির্দেশে ৭ মে তাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হচ্ছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ধনজিৎ দাস নামে ওই ব্যক্তি সম্প্রতি আলফায় যোগ দিয়েছিলেন। গত ২৪ এপ্রিল সে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যায়। পরের দিন তাকে আলফা ধরে ফেলে। জেরায় সে মেনে নেয় নতুন করে যোগদানকারী বহু ক্যাডারকে সে আত্মসমর্পণ করতে রাজি করিয়েছে।
পাশাপাশি সংগঠনের দাবি, সে স্বীকার করে নিয়েছে আলফায় যোগ দেওয়ার সময় থেকেই পুলিশের সঙ্গে তার যোগ ছিল। তারা লক্ষ্য ছিল আলফার সমর্থকদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। অন্যদিকে সংগঠনের দাবি সঞ্জীব শর্মা স্বীকার করেছে, পুলিশের নির্দেশেই সে আলফায় যোগ দিয়েছিল। টাকার লোভে সে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভেতরের কথা পাচার করে দিত। এদিকে এনিয়ে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে।তবে পুলিশ এনিয়ে মন্তব্য করেনি।
এদিকে ধনজিতের স্ত্রী জানিয়েছেন, আশা করি আলফা ক্ষমা করে দেবে ওকে। তার চার বছরের সন্তান রয়েছে। সঞ্জীবের মা জুনু দেবী বলেন, সবে ১৯ বছরে পড়েছে ছেলে। ওর বাবাকে আমি কী বলব?