বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কাঁকই নদীর স্রোতে ভেসে গেল কিষাণগঞ্জের সদ্যনির্মিত সেতু, তদন্ত চান স্থানীয়রা
ফুঁসে ওঠা কাঁকই নদীর স্রোতে ভেঙে পড়ল বিহারের কিষাণগঞ্জ জেলার সদ্যনির্মিত সেতু।
ফুঁসে ওঠা কাঁকই নদীর স্রোতে ভেঙে পড়ল বিহারের কিষাণগঞ্জ জেলার সদ্যনির্মিত সেতু।

কাঁকই নদীর স্রোতে ভেসে গেল কিষাণগঞ্জের সদ্যনির্মিত সেতু, তদন্ত চান স্থানীয়রা

  • সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের জুন মাসে এবং এক বছরের মধ্যে তা সম্পূর্ণ হয়। নির্মাণে ব্যবহৃত উপাদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বানের জলে ভেসে গেল প্রায় ১২টি গ্রামের স্বপ্ন। বুধবার ফুঁসে ওঠা কাঁকই নদীর স্রোতে ভেঙে পড়ল বিহারের কিষাণগঞ্জ জেলার দীঘলবাঁক ব্লকের সদ্য নির্মিত সেতু।

দীঘলবাঁক ব্লকের পাত্থরঘাট্টি পঞ্চায়েতের গোয়াবাড়িতে ১.৪২ কোটি টাকা খরচে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের জুন মাসে এবং এক বছরের মধ্যে সেতুটি সম্পূর্ণ হয়। বর্তমানে কাঁকই নদীর উপরের সেতুতে পৌঁছানোর রাস্তার কাজ চলছিল এবং আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষা ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণে ব্যবহৃত উপাদানের মান খারাপ হওয়াতেই ভেঙে পড়েছে সদ্য তৈরি হওয়া এই সেতু।

প্রতি বছর বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয় ১২টি গ্রামের দীর্ঘ কাল ব্যাপী তদ্বিরের জেরে কাঁকই নদীর উপরে সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। দীঘলবাঁক ব্লকের কুড়াইলি হাট এবং বাহাদুরগঞ্জ মতিয়ারি প্রধান সড়কের মধ্যে সংযোগকারী সেতু ঘিরে অনেক স্বপ্ন ছিল গ্রামবাসীদের। বন্যার তোড়ে সে সবই আজ ধুলিস্যাৎ হয়েছে বলে আক্ষেপ করছেন স্থানীয় নেতা মহম্মদ ইমরান। ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় অধিবাসীরা।

অন্য দিকে, বিহার সরকারের গ্রামোন্নয়ন বিভাগের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রামানন্দ যাদব সেতু ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক পরিস্থিতিকেই দায়ী করেছেন। তাঁর যুক্তি, সেতুর নির্মাণ শুরুর সময় কাঁকই নদীর মরা খাতে জল প্রায় ছিল না। কিন্তু এর মধ্যে দ্রুত নদীখাত পরিবর্তন হওয়ার ফলেই বিপর্যয় ঘটেছে।

নির্মাণের বরাত পাওয়া ঠিকাদার মহম্মদ নাদিম স্থানীয়দের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁরা যে কোনও রকম তদন্তের জন্য প্রস্তুত। 

 

বন্ধ করুন