বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেমন পরিস্থিতিতে কাজ করতে হয় শিক্ষকদের? হতাশার ছবি UNESCO'র রিপোর্টে
শিক্ষা ও শিক্ষকদের হাল নিয়ে হতাশার ছবি ইউনেস্কোর রিপোর্টে। প্রতীকী ছবি : পিটিআই (PTI)
শিক্ষা ও শিক্ষকদের হাল নিয়ে হতাশার ছবি ইউনেস্কোর রিপোর্টে। প্রতীকী ছবি : পিটিআই (PTI)

কেমন পরিস্থিতিতে কাজ করতে হয় শিক্ষকদের? হতাশার ছবি UNESCO'র রিপোর্টে

  • বর্তমানে প্রায় ১ মিলিয়ন শিক্ষকের ঘাটতি দেশে রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ইউনেস্কোর রিপোর্টে।

দেশের শিক্ষামানচিত্র বলা ভালো শিক্ষকদের পরিস্থিতি নিয়ে মন খারাপ করা রিপোর্ট ইউনেস্কোর। উত্তরপূর্বে একাধিক জেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষকদের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল ইউনেস্কো। সেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উত্তর পূর্ব সহ দেশের একাধিক জেলায় যে পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের কাজ করতে হচ্ছে তা হতাশাজনক, উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। লাইব্রেরি, তথ্য ও সম্প্রচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। 

 

2021, State of the Education Report for India: No Teachers, No class'শীর্ষক এই রিপোর্টটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সামনে এসেছে। মানুষের জীবনযাত্রার মান কিছুটা নীচে এমন সাতটি জেলাকে বেছে নিয়েছিল ইউনেস্কো। পঞ্জাবের ফিরোজপুর, মহারাষ্ট্রের ননদুর্বার, কর্ণাটকের রায়চুর, ঝাড়খণ্ডের গুমলা, অসমের উদলগিরি, ছত্তিশগড়ের দন্তেওয়াড়া ও মেঘালয়ের রাইভৈয়ের উপর সমীক্ষা চালানো হয়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই জেলাগুলিতে সিঙ্গল টিচার স্কুল যথেষ্টই রয়েছে। এক্ষেত্রে কতটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তারা হচ্ছেন সেটা বোঝা যাচ্ছে। শিক্ষিকার সংখ্যার অনুপাতও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রের তুলনায় কিছুটা কম।  তবে গুমলা ছাড়া অধিকাংশ জেলাতেই স্কুলগুলির সঙ্গে সংযোগকীরা রাস্তা তুলনায় ভালোই। তবে ছাত্রছাত্রীদের শৌচাগারের অবস্থা একেবারেই ভালো নয়। পাশাপাশি বিদ্যুতের সুযোগ সুবিধাও বিশেষ ভালো নয়। 

রিপোর্টে বলা হয়েছে, উত্তরপূর্ব ভারত, তফসিলি জাতি অধ্য়ুষিত এলাকা, গ্রামীণ ভারতের উপর বিশেষ নজর দেওয়া দরকার।শিক্ষক শিক্ষণের ক্ষেত্রেও রাজ্যের সহযোগিতা দরকার। বর্তমানে প্রায় ১ মিলিয়ন শিক্ষকের ঘাটতি দেশে রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ইউনেস্কোর রিপোর্টে। 

 

বন্ধ করুন