করোনা মোকাবিলায় তৈরি হবে ৩ শ্রেণির অস্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ছবি: এএফপি। (AFP)
করোনা মোকাবিলায় তৈরি হবে ৩ শ্রেণির অস্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ছবি: এএফপি। (AFP)

করোনা চিকিৎসায় ৩ শ্রেণির বিশেষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালের ব্যবস্থা কেন্দ্রের

আক্রান্তদের সেবায় যথাযথ রসদ ব্যবহারের উদ্দেশে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে তিন ভাগে বিভক্ত করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

নোভেল করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবায় যথাযথ রসদ ব্যবহারের উদ্দেশে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে তিন ভাগে বিভক্ত করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এগুলি হল কোভিড কেয়ার হাসপাতাল, ডেডিকেটেড কোভিড হেল্থ সেন্টার এবং ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল।

সন্দেহভাজন ও স্বীকৃত রোগীদের জন্য পৃথক এলাকা ভাগ করা হয়েছে যাতে হাসপাতালের শয্যা শুধুমাত্র মাঝারি ও গুরুতর পরিস্থিতির রোগীদের জন্যই ব্যবহার করা যায়। মন্ত্রকের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, কোনও ভাবেই যেন দুই ধরনের রোগী পরস্পরের সংস্পর্শে না আসতে পারে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতে ৭০% আক্রান্তের মধ্যে সামান্য অথবা অতি সামান্য মাত্রায় রোগের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে হাসপাতালের কোভিড ব্লকে বা ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রোগী ভরতির প্রয়োজন নেই।

বলা হয়েছে, করোনা মোকাবিলায় তৈরি এই সমস্ত অস্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে হোস্টেল, হোটেল, স্কুল, স্টেডিয়াম, ট্যুরিস্ট লজ ইত্যাদির মতো সরকারি ও বেসরকারি জায়গায়। দরকার পড়লে, বর্তমানে চালু কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিকেও কোভিড স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্ত করা যেতে পারে।

এ ছাড়া চালু স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতাল (সিএইচসি), যেখানে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলিকেও কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসেবে কাজে লাগানো হবে।

বেসরকারি হাসপাতালও কোভিড ডেডিকেটেড স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। প্রতিটি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল ও ডেডিকেটেড কোভিড হেল্থ সেন্টার পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে মৌলিক জীবনদায়ী পরিষেবা-সহ অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা থাকবে।



বন্ধ করুন