বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বাংলার বিদ্যুৎকেন্দ্রেও কয়লার ভাঁড়ার তলানিতে? দাবদাহ! বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা
তাপমাত্রা যত বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদাও ততই বাড়ছে।
তাপমাত্রা যত বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদাও ততই বাড়ছে।

বাংলার বিদ্যুৎকেন্দ্রেও কয়লার ভাঁড়ার তলানিতে? দাবদাহ! বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

প্রচন্ড গরম। তাপপ্রবাহের সতর্কতা। ক্রমেই বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। এর মধ্যে শুরু হয়েছে কয়লার সঙ্কট। কিছু রাজ্যে ভয়াবহ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর জেরে পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটাই দেখার।

চেতন চৌহান

তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি। আর তার সঙ্গে হু হু করে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ দফতর। আবহাওয়া দফতর বলছে আগামী ২রা মে পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে। সেই সময় মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ওড়িশা, মহারাষ্ট্রে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। মঙ্গলবার দেশের কিছু জায়গায় তাপামাত্রা সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল।

এদিকে পাওয়ার মিনিস্ট্রির ওয়েবসাইট অনুসারে দেখা যাচ্ছে কিছু তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনক্ষমতার চেয়েও ৩০-৪০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর তার মূল কারণ কয়লার পর্যাপ্ত যোগান না থাকা। মূলত পরিবহণের সমস্যার জন্যই এই কয়লার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। উত্তর প্রদেশের মতো কিছু রাজ্য ট্রাকে করে কয়লা আনে। তাদের রাস্তায় সমস্যা হচ্ছে। এদিকে পরিসংখ্যান বলছে স্বাভাবিক স্টকের অনুপাতে ৩৩ শতাংশ কয়লা রয়েছে বেশ কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। এতে এক সপ্তাহ চলে যাবে।

কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। যেমন পশ্চিমবঙ্গ। এখানে দেখা যাচ্ছে স্বাভাবিক স্টকের নিয়মের নিরিখে মাত্র ৫ শতাংশ কয়লা রয়েছে। সেদিক থেকে তামিলনাড়ুতে ৭ শতাংশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে ১৪ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ১৯ শতাংশ, গুজরাতে ২৩শতাংশ, কর্ণাটকে ১৬ শতাংশ ও অন্ধ্রপ্রদেশে ১১ শতাংশ কয়লা মজুত রয়েছে। সেক্ষেত্রে এই কয়লায় তিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত উৎপাদন চলবে। রোজকার কয়লা রিপোর্ট অনুসারে ১০৫টি পাওয়ার প্ল্যান্টে কয়লার সরবরাহের অবস্থা অত্যন্ত ক্ষীণ। আর কয়লা না পেলে সমস্যা হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। রাজস্থানের এনার্জি সেক্রেটারি এ সাওয়ান্ত বলেন, ৩১ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে গত বছরের তুলনায়।

বন্ধ করুন