বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আমেরিকাই উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম শত্রু, বাইডেনের অভিষেকের আগে তোপ কিমের
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দিয়েছেন কিম জং-উন।
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দিয়েছেন কিম জং-উন।

আমেরিকাই উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম শত্রু, বাইডেনের অভিষেকের আগে তোপ কিমের

  • নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপরে চাপ তৈরি করতেই ভাষণে অস্ত্র সম্ভার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা, মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

যিনিই প্রেসিডেন্ট হন না কেন, উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম শত্রু থাকবে আমেরিকাই। সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ে তাঁর ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন।

সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দেন কিম। তিনি জানান, একটি পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাও প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। 

ঘটনা হল, আগামী ২০ জানুয়ারি আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন জো বাইডেন। নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপরে চাপ তৈরি করতেই ভাষণে অস্ত্র সম্ভার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা।

আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মোটের উপরে ভালো সম্পর্ক বজায় ছিল কিম জং-উনের। তার জেরে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে বিশেষ কড়া পদক্ষেপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। তবে নতুন প্রেসিডেন্ট এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে তাঁকে চাপে রাখার প্রয়াস করছেন কিম, এমনই মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

যদিও কিম জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে শত্রু শক্তি আক্রমণ না শানালে পারতপক্ষে তিনি পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করার অভিপ্রায় পোষণ করেন না। তবে তারই পাশাপাশিতিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের সংগ্রামের পথে বৃহত্তম বাধা এবং সবচেয়ে বড় শত্রু আমেরিকা, তা যে-ই ক্ষমতায় আসুন না কেন। উত্তর কোরিয়ার প্রতি ওদের নীতি কখনই পালটাবে না।’

প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কিম স্বীকার করে নিয়েছেন যে তাঁর পঞ্চবার্ষিকী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কোনও খাতেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ধারেকাছে পৌঁছয়নি। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কোভিড অতিমারীর কারণে তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয় উত্তর কোরিয়া। 

পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে একজন কোভিড রোগীরও সন্ধান মেলেনি, যদিও বিশেষজ্ঞরা এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। বিশেষ করে সীমান্ত অতিক্রম করে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য চালু থাকার কারণে সংক্রমণ রোখা এককথায় কোনও দেশের পক্ষেই অসম্ভব, বলছেন তাঁরা। 

উল্লেখ্য, গত এক বছরে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ৮০% বৃদ্ধি পেয়েছে কিমের দেশের। 

বন্ধ করুন