বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Jagdeep Dhankhar: মনোনয়ন জমা ধনখড়ের, ‘চমৎকার উপরাষ্ট্রপতি হবেন’, দাবি মোদীর
মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ধনখড় (ছবি - এএনআই/টুইটার)

Jagdeep Dhankhar: মনোনয়ন জমা ধনখড়ের, ‘চমৎকার উপরাষ্ট্রপতি হবেন’, দাবি মোদীর

  • মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ধনখড়ের পাশে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা।

জগদীপ ধনখর এনডিএ-র প্রার্থী হিসাবে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ধনখড়ের পাশে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা। মনোনয়ন জমার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী টুইটে লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত যে তিনি একজন চমৎকার এবং অনুপ্রেরণাদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট হবেন।’

এর আগে ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা জানান, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করছে এনডিএ। বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে জগদীপ ধনখড়ের নাম গত তিনবছরে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। ধনখড়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তবে ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা ধনখড় বারবারই তাঁর সংবিধানের জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর সেই জ্ঞানের প্রশংসা করে টুইট করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী।

এই আবহে গতকাল উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য রাজ্যপাল পদ থেকে পদত্যাগ করেন জগদীপ ধনখড়। সেই পরিস্থিতিতে মণিপুরের রাজ্যপাল এল গণেশনকে পশ্চিমবঙ্গের বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়। রবিবার রাতের দিকে রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল। একাংশের ধারণা, সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ৬ অগস্ট উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পর্ব মিটে গেলে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে হবেন, তাতে সিলমোহর পড়বে। তবে বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কিছু ডানানো হয়নি।

রাজস্থানের কিথানায় জন্মগ্রহণ করেন ধনখড়। ১৯৫১ সালের ১৮ মে তাঁর জন্ম। চিতোড়গড়ের সৈনিক স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন ধনখড়। আইনজীবী হিসেবে পেশাদারি জীবন শুরু করেন। তারইমধ্যে জনতা দলের হাত ধরে রাজনীতিতে উঠে আসতে থাকেন। জনতা দলের টিকিটে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন। রাজস্থানের ঝুনঝুনু থেকে জিতেছিলেন। পরবর্তীকালে রাজস্থানের কিষাণগঞ্জ থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত রাজস্থান বিধায়ক ছিলেন।

বন্ধ করুন