নির্ভয়াকাণ্ডে চার দণ্ডিতের একজন বিনয় শর্মা (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
নির্ভয়াকাণ্ডে চার দণ্ডিতের একজন বিনয় শর্মা (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

'মানসিক অসুস্থতা'-য় দিল্লির হাসপাতালে নির্ভয়া দণ্ডিতের চিকিৎসার আর্জি খারিজ

  • দিল্লির ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান বিহেবিয়ার ও অ্যালাইড সায়েন্সে চিকিৎসার আবেদন জানিয়েছিল নির্ভয়াকাণ্ডে এক দণ্ডিত বিনয় শর্মা।

'মানসিক অসুস্থতা'-র জন্য দিল্লির ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান বিহেবিয়ার ও অ্যালাইড সায়েন্সে চিকিৎসার আবেদন জানিয়েছিল নির্ভয়াকাণ্ডে এক দণ্ডিত বিনয় শর্মা। তা খারিজ করে দিল দিল্লির একটি আদালত।

আরও পড়ুন : দোষীকে আইনি সাহায্য দেওয়ার প্রস্তাব আদালতের, কান্নায় ভেঙে পড়লেন নির্ভয়ার মা

সপ্তাহের শুরুতে মানসিক অসুস্থতা, মস্তিষ্কে বিকৃতি ও স্কিৎজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসার জন্য আদালতে গিয়েছিল বিনয়। তার আইনজীবী এ পি সিং দাবি করেন, বিনয় নিজের মা ও আইনজীবীকে চিনতে পারেনি। আবেদনে বলা হয়, 'এটা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় যে দণ্ডিত বিনয় জেলে নিজের মা ও আইনজীবীকে চিনতে পারছে না।' তাঁর আরও দাবি ছিল, জেলের সব নথি প্রমাণ করবে এখনও পর্যন্ত তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বিনয়। অবসাদের জন্য চিকিৎসা চলছে। জেলে বিনয়ের মাথায় গুরুতর চোট লেগেছিল। ডান হাত ভেঙে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন : 'সরকারকে দণ্ডিতদের ফাঁসি দিতে হবে', কেঁদে ফেললেন নির্ভয়ার মা

যদিও এদিন আদালতে তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিনয় নিজেই নিজেকে আঘাত করেছে। সে কোনও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছে না। এ পি সিংয়ের দাবি উড়িয়ে দিয়ে সরকারি আইনজীবী ইরফান আহমেদ আর্জিটিকে 'বিকৃত তথ্যের স্তূপ' বলেন। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত বিনয় নিজেই দেওয়াল মাথা ঠুকেছে। সিসিটিভি ফুটেজে সেটা ধরাও পড়েছে। জেল কর্তৃপক্ষ সেই ফুটেজ জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুন : নির্ভয়া কাণ্ডের সাত বছর- ফাঁসুড়ে হতে চেয়ে বিদেশ থেকে চিঠি তিহাড়ে

সরকারি আইনজীবী জানান, জেলের চিকিৎসকরা নিয়মিত বিনয়ের শারীরিক পরীক্ষা করে। অতীতের ঘটনা থেকে পরিষ্কার যে বিনয় ওরকম (আইনজীবীর দাবি মতো) কোনও রোগে ভুগছে না। তিনি বলেন, 'তাই কোনও হাসপাতালে তার চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।'

আরও পড়ুন : নির্ভয়া মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতকক্ষে সংজ্ঞা হারালেন বিচারপতি

শেষপর্যন্ত বিনয়ের আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত। রায়ের পর নির্ভয়ার মা আশা দেবীর বক্তব্য, দণ্ডিত ও তাদের পরিবারকে বুঝতে হবে যে তাদের সামনে আর কোনও আইনি পথ খোলা নেই। তাঁর কথায়, 'আদালত বুঝতে পেরেছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩ মার্চ ফাঁসি হবে দণ্ডিতদের।'

বন্ধ করুন