বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > CJI NV Ramana on Judiciary: 'বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংসের চেষ্টা করছে কয়েকটি গোষ্ঠী, শুধু সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ'
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামান্না। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

CJI NV Ramana on Judiciary: 'বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংসের চেষ্টা করছে কয়েকটি গোষ্ঠী, শুধু সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ'

  • CJI NV Ramana on Judiciary: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামান্না জানান, বিচারব্যবস্থা শুধুমাত্র সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। তাঁর আক্ষেপ, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ এবং ৭২ তম গণতন্ত্র দিবস উদযাপন করলেও সংবিধানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যে ভূমিকা এবং দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা এখনও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি সমাজ।

বিচারব্যবস্থা শুধুমাত্র সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামান্না। সেইসঙ্গে দেশের 'একমাত্র স্বাধীন অঙ্গকে (প্রতিষ্ঠান) গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে সকল গোষ্ঠী, তাদের' বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি।

শনিবার সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ এবং ৭২ তম গণতন্ত্র দিবস উদযাপন করলেও সংবিধানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যে ভূমিকা এবং দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা এখনও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি সমাজ। 

আরও পড়ুন: আদালতের কাজে স্থানীয় ভাষা প্রয়োগের আর্জি মোদীর, ‘সম্ভব নয়’, সাফ জানালেন CJI

বিচারপতি রামান্না জানান, শাসক দল মনে করে যে সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপকে বিচারব্যবস্থা স্বীকৃতি দেবে। অর্থাৎ বিচারব্যবস্থায় (আদালতে) সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে সিলমোহর পড়বে। বিরোধী দলগুলি আবার আশা করে যে তাদের হাত মজবুত করবে বিচারব্যবস্থা। ভাবনাচিন্তার ক্ষেত্রে এই গলদের কারণে দেশের মানুষের মধ্যে সংবিধান এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকলাপ নিয়ে স্বচ্ছ ধারণার অভাব আছে। 

সেইসঙ্গে ভারতের প্রধান বিচারপতি যোগ করেন, সংবিধান এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যে অজ্ঞতা আছে, তা কয়েকটি গোষ্ঠীকে মদত জোগাচ্ছে। যে গোষ্ঠীগুলির একমাত্র লক্ষ্য যে ‘একমাত্র স্বাধীন অঙ্গকে (প্রতিষ্ঠান) গুঁড়িয়ে দেওয়া’। তিনি বলেন, 'আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই। আমরা (বিচারব্যবস্থা) শুধুমাত্র সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ।'

আরও পড়ুন: Sedition Law: ‘সুরক্ষা ও ব্যক্তি স্বাধীনতার মধ্যে সামঞ্জস্য চাই’, রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে জেলবন্দিদের কী হবে এবার?

কীভাবে সেই খামতি শুধরানো যায়, সেই উপায়ও বাতলে দিয়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি। তাঁর মতে, ভারতে সংবিধানের সংস্কৃতি প্রচারের উপর জোর দিতে হবে। ব্যক্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং দায়িত্ব নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালাতে হবে। গণতন্ত্র মানেই তো মানুষের সার্বিক অংশগ্রহণ।

বন্ধ করুন