বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ED Raids: UPA জমানায় মাত্র ১১২, মোদী জমানায় ED-র অভিযান সংখ্যা বেড়ে ৩০১০!
সম্প্রতি ইডির তল্লাশি অভিযানে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২২ কোটি টাকা

ED Raids: UPA জমানায় মাত্র ১১২, মোদী জমানায় ED-র অভিযান সংখ্যা বেড়ে ৩০১০!

  • ED Raids: হিসেব অনুযায়ী, আজও পর্যন্ত প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে ৫৪২২টি মামলা রুজু করেছে ইডি। এদিকে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে ২৪ হাজার ৮৯৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ১,০৪,৭০২ কোটি টাকা।

আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়ম রোখাই কাজ এনফোর্মেন্ট ডিরেক্টোরেটের। গত আটবছরে এই তদন্তকারী সংস্থা মোট ৩০১০টি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই অভিযানে মোট ৯৯,৩৫৬ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে এই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে মোদী জমানায় যত সংখ্যক তল্লাশি হয়েছে, ইডি তার প্রায় ২৭ গুণ কম তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইউপিএ জমানার ১০ দশ বছরে।

হিসেব অনুযায়ী, আজও পর্যন্ত প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে ৫৪২২টি মামলা রুজু করেছে ইডি। এদিকে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে ২৪ হাজার ৮৯৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ১,০৪,৭০২ কোটি টাকা। ইউপিএ জমানায় (২০০৪-২০১৪) মাত্র ১১২টি তল্লাশি অভিযানে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল ৫,৩৪৬ কোটি টাকার সম্পত্তি। এদিকে ইউপিএ জমানাতে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে তদন্ত হয়েছে মাত্র ৮,৫৮৬টি কেসে। সেই সংখ্যা প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে বিগত আটবছরে।

গত আটবছরে ৩০১০টি তল্লাশি অভিযানে মোট ৯৯,৩৫৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এদিকে পিএমএলএ বা অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে ৫,৪২২টি মামলা দায়ের হলেও গত ১৭ বছরে এই আইনের অধীনে মাত্র ২৩ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ২০১২-১৩ থেকে ২০২১-২২-এর মধ্যে এর অধীনে মোট ৩,৯৮৫টি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করো হয়েছে। অন্যদিকে দেওয়ানী আইনের অধীনে ২৪,৮৯৩টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ২০২১-২২ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলা রুজু হয়েছে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট এবং প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে। এই সময়পর্বে পিএমএলএ-র অধীনে ২,১৮০টি এবং ফেমা-র অধীনে ৫,৩১৩টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিকে এক রায়ে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় গ্রেফতারি, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর পদক্ষেপের সাংবিধানিক বৈধতা বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর ‘বান্ধবী’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা হয়।

 

বন্ধ করুন