বাড়ি > ঘরে বাইরে > জল ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাই নেই বিশ্বের প্রায় অর্ধেক স্কুলে!‌
হাত ধোয়ার এই ন্যূনতম পরিকাঠামোই নেই বিশ্বের ৪৩ শতাংশ স্কুলে। ছবি সৌজন্য : টুইটার
হাত ধোয়ার এই ন্যূনতম পরিকাঠামোই নেই বিশ্বের ৪৩ শতাংশ স্কুলে। ছবি সৌজন্য : টুইটার

জল ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাই নেই বিশ্বের প্রায় অর্ধেক স্কুলে!‌

  • স্কুলগুলি ফের খোলার জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। স্কুলে থাকতে হবে হাত পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা। পানীয় জল পরিষ্কার থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুর দাসপুরে একদিনের জন্য স্কুল খুলে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তাঁর কাছে জবাবদিহি চেয়েছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। অভিভাবকদের আবেদনের ভিত্তিতেই তিনি নাকি পরীক্ষামূলকভাবে এবং সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল খুলেছিলেন।

ও দিকে, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বা অক্টোবরের শুরুতে কেন্দ্রে স্কুল খোলার কথা ভাবছে বলে জানা গিয়েছে। আর এ সবের মাঝেই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ।

সারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্কুলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের একটি যুগ্ম কমিটি জানিয়েছে, বিশ্বের ৪৩ শতাংশ স্কুলে জল ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। অথচ করোনা মোকাবিলার জন্য বার বার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া খুবই প্রয়োজন। এ অবস্থায় স্কুলগুলিতে যদি সেই ব্যবস্থা না থাকে তা হলে তাতে সংক্রমণ ছড়ানোর একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে।

স্কুল বন্ধ থাকার জেরে শিশুশিক্ষা ও শিশুস্বাস্থ্যের প্রভূত ক্ষতি হচ্ছে— এই কথা এক বাক্যে মেনে নিয়েছেন ইউনিসেফের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েটা ফোর। তার মতে, স্কুলগুলি ফের খোলার জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। স্কুলে থাকতে হবে হাত পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা। পানীয় জল পরিষ্কার থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজন নিরাপদ শৌচের ব্যবস্থাও। প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সারা পৃথিবীর প্রায় ৮২ কোটি শিশু–স্কুলে সাধারণ হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা নেই। যার এক তৃতীয়াংশই আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস অ্যাডহানম গেব্রিয়াস পরিষ্কার জানিয়েছেন, স্কুল–সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ রুখতে জল, শৌচ এবং পরিচ্ছন্নতা একান্ত প্রয়োজনীয়। এই পরিস্থিতিতে যদি ভারতে স্কুল, কলেজ খুলে দেওয়া হয় তা হলে করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

বন্ধ করুন