বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেন সরতে হল এতজন মন্ত্রীকে, পদত্যাগ করতে বলে দেবশ্রী-বাবুলদের ফোন করেছিলেন কে?
নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অমিত শাহ এবং জেপি নড্ডা (ফাইল ছবি : পিটিআই)
নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অমিত শাহ এবং জেপি নড্ডা (ফাইল ছবি : পিটিআই)

কেন সরতে হল এতজন মন্ত্রীকে, পদত্যাগ করতে বলে দেবশ্রী-বাবুলদের ফোন করেছিলেন কে?

  • কেন্দ্রের নয়া মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছে ৩৬টি নতুন মুখ।

ইতিমধ্যেই নয়া মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে নবাগতদের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন যাতে তাঁরা তড়িঘড়ি আগের মন্ত্রীদের কাজ শিখে নিতে পারেন। নতুন মন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাক্তন মন্ত্রীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে। আর এই সময়ই প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন স্পষ্ট করে দেন যে, যেসকল মন্ত্রীদের সরে যেতে হয়েছে, তাঁদের ক্ষমতা নিয়ে কারোর মনে কোনও সংশয় ছিল না।

এদিকে 'হিন্দুস্তান টাইমস' গ্রুপের 'লাইভ হিন্দুস্তান'-এর খবর অনুযায়ী, মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলে ফোন করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের দিন সকাল ৭টা থেকে ৮টার মাঝে সব নেতাদের ফোন করে পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছিলেন নড্ডা। সর্বপ্রথম ফোনটি গিয়েছিল রতনলাল কাটারিয়ার কাছে। এরপর একে একে সবাইকে পদত্যাগ করতে বলে ফোন করেছিলেন নড্ডা। জানা গিয়েছে, সব মন্ত্রীরাই ছোট ছোট চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক তাঁর অধীনে মন্ত্রকের ভালো কাজের খতিয়ান তুলে ধরে দীর্ঘ চিঠি লিখে পাঠান। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কারণে পদত্যাগ দিচ্ছেন বলে জানান।

বুধবার পদত্যাগ করার পর দু'টি টুইট করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। যেখানে তিনি বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বুঝিয়ে দেন বাবুল তিনি টুইটে লিখেছিলেন, 'আমাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।' অর্থাৎ, তাঁকে জোর করেই পদত্যাগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল। যদিও পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন, তাঁর বক্তব্যকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এদিকে পদত্যাগ করার পর কোনও কথা বলেননি দেবশ্রী চৌধুরী।

এদিকে কেন্দ্রের নয়া মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছে ৩৬টি নতুন মুখ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ২ জন প্রাক্তন আইএএস অফিসার, ৮ জন আইনজীবী, ৪ জন ডাক্তার, ৪ জন এমবিএ ও বেশ কয়েকজন ইঞ্জিনিয়ার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মন্ত্রিসভা গঠনে তারুণ্যের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও মাথায় রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই হেভিওয়েট মন্ত্রীদের ছেঁটে ফেলে নতুন মুখদের দেওয়া হয়েছে গুরুদায়িত্ব। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে আর কোনও ফাঁক ফোঁকর রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। উচ্চশিক্ষিত মানুষদের এনে মন্ত্রিসভা আলোকিত করেছেন নরেন্দ্র মোদী। আগামী দিনে এঁদের কাণ্ডারী করেই পরিকল্পিত উন্নয়নের বার্তা দিতে চেয়েছেন মোদী।

বন্ধ করুন