বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'দরজার কাঁচে ধাক্কা' অর্পিতার, ভেঙে লেগেছে চোট, অভিযোগ দায়ের সংসদের মহিলা কর্মীর
'সংসদ ভবনের দরজার কাঁচ ভাঙা' নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

'দরজার কাঁচে ধাক্কা' অর্পিতার, ভেঙে লেগেছে চোট, অভিযোগ দায়ের সংসদের মহিলা কর্মীর

  • 'সংসদ ভবনের দরজার কাঁচ ভাঙা' নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

'সংসদ ভবনের দরজার কাঁচ ভাঙা' নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। তারইমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অর্পিতা ঘোষের বিরুদ্ধে হাঙ্গামার অভিযোগ তুললেন সংসদ ভবনের এক নিরাপত্তাকর্মী। দাবি করলেন, কাঁচ ভেঙে চোট লেগেছে তাঁর।

 সংসদ ভবনের সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে চিঠি লিখে ওই নিরাপত্তাকর্মী জানিয়েছেন, বুধবার রাজ্যসভার আউটার লবিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সাসপেন্ড করে দেওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের ছ'জন সাংসদকে (দোলা সেন, মহম্মদ নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, শান্তা ছেত্রী, মৌসম নূর এবং অর্পিতা ঘোষ) রাজ্যভায় প্রবেশের সময় আটকানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো তৃণমূল সাংসদদের আটকানো হয়। তা নিয়ে তাঁরা হাঙ্গামা করতে থাকেন। সেইময় সাংসদ অর্পিতা দরজায় জোরে ধাক্কা মারেন। তাতে ভেঙে যায় দরজার কাঁচ। তড়িঘড়ি ক্যান্টিন হল থেকে প্রাথমিক শুশ্রুষা করেন। সেই ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন ওই নিরাপত্তাকর্মী। সেইসঙ্গে নিজের মেডিকেল রিপোর্টের কাগজও জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ওই মহিলা। 

এমনিতে পেগাসাস ‘হ্যাক’ নিয়ে বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সরব হয়েছেন তৃণমূল-সহ বিরোধী সাংসদরা। বুধবারও সেই ধারায় ছেদ পড়েনি। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু তাঁদের আসনে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মানেননি তৃণমূল সাংসদরা। পরে সংসদের সেক্রেটারি জেনারেল দেশ দীপক বর্মা বিবৃতি জারি করে জানিয়ে দেন, ২৫৫ নম্বর ধারার আওতায় দোলা, নাদিমুল, আবিররঞ্জন, শান্তা, মৌসম এবং অর্পিতাকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। তা নিয়ে সরব হন ওই সাংসদরা। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগে তৃণমূলও।

তারইমধ্যে একটি মহলের অভিযোগ, রাজ্যসভার অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বুধবার সংসদে ঢোকার চেষ্টা করেন ওই ছ'জন সাংসদ। সেইসময় হাঙ্গামা হয় অভিযোগ। সূত্রের খবর, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে আসরে নেমেছে রাজ্যসভার সচিবালয়। পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। চাওয়া হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ওই অংশের দাবি, পুরো বাদল অধিবেশনেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পালটা বক্তব্য, শুধুমাত্র বুধবারের অধিবেশনের জন্য ওই ছয় সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। ফলে অধিবেশন শেষে তাঁরা তো রাজ্যসভায় ঢুকতেই পারেন। কেন তাঁদের আটকানো হবে?

বন্ধ করুন