বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > World Food Day 2021: বিশ্ব খাদ্য দিবস, একটুও ভাত নষ্ট না করার প্রতিজ্ঞা হোক
প্রতীকী ছবি : রয়টার্স (Reuters)
প্রতীকী ছবি : রয়টার্স (Reuters)

World Food Day 2021: বিশ্ব খাদ্য দিবস, একটুও ভাত নষ্ট না করার প্রতিজ্ঞা হোক

বিশ্বব্যাপী সচেতনতা, ক্ষুধার মোকাবিলা এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করার সঙ্কল্পকে উদ্দেশ্য করে এই দিনটি পালিত হয়।

১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়। এটি রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগ। বিশ্বব্যাপী সচেতনতা, ক্ষুধার মোকাবিলা এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করার সঙ্কল্পকে উদ্দেশ্য করে এই দিনটি পালিত হয়।

এই বছর, বিশ্ব খাদ্য দিবস যৌথভাবে FAO, UNHCR, রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী সহায়তা সংস্থা এবং ওয়ার্লড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) দ্বারা পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রসংঘের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ১৫০ টি দেশে আজ সরকার ও বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এই বছরের থিম

এবারের খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য, 'আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ। উন্নততর উৎপাদন, ভালো মানের পুষ্টি এবং উন্নত পরিবেশ ও জীবন আমাদের লক্ষ্য।'

বিশ্ব খাদ্য দিবসের ইতিহাস

হাঙ্গেরির প্রাক্তন কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী ডঃ পাল রোমানির পরামর্শে ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন শুরু হয়। ধীরে ধীরে এটি ক্ষুধা, অপুষ্টি, এবং খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি উপায় হয়ে ওঠে।

বিশ্ব খাদ্য দিবসের তাৎপর্য

নয়াদিল্লিতে বিশ্ব খাদ্য দিবসে খাবার বিলি এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার। ছবি : হিন্দুস্তান টাইমস
নয়াদিল্লিতে বিশ্ব খাদ্য দিবসে খাবার বিলি এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার। ছবি : হিন্দুস্তান টাইমস (Hindustan Times)

এফএও জানিয়েছে, এখনকার দিনে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গভীর বৈষম্য এবং অবিচারের শিকার। কমপক্ষে দুই বিলিয়ন মানুষের নাগালে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নেই। 

এফএওয়ের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত থাকলেও বিপুল পরিমাণ খাদ্য নষ্ট করা হয়। উৎপাদন বা পরিবহনের সময়েই বিপুল পরিমাণ খাদ্য নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া বাড়ির রান্নাঘরে, খুচরো বিক্রেতা বা রেস্তোরাঁগুলিতে ডাস্টবিনে 'অতিরিক্ত' খাবার ফেলে দেওয়া হয়। এর প্রভাব পড়ে পরিবেশেও। খাদ্য বর্জ্য থেকে মিথেনের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপন্ন হয়।

প্রয়োজন সমাজের সকলের প্রচেষ্টার

এফএওয়ের মতে, এটি ঠিক করার জন্য, সম্মিলিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রত্যেকের কাছে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাবার থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে পুরো খাদ্য উত্পাদন ও সরবরাহের শৃঙ্খল আরও গুছিয়ে ও পরিকল্পনামাফিক সাজানো প্রয়োজন।এই পরিবর্তনের জন্য, প্রত্যেককে নিজস্ব ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ির রান্নাঘর, ক্যাটারার থেকে রেস্তোরাঁ, সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার তৈরি ও তা নষ্ট করা বন্ধ করতে হবে।

বন্ধ করুন