বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ২০১৯ সালে উহানের ল্যাবের গবেষকরা করোনার উপসর্গেই ‘অসুস্থ হয়েছিলেন’, দাবি তদন্তের
ফাইল ছবি : রয়টার্স  (Reuters)
ফাইল ছবি : রয়টার্স  (Reuters)

২০১৯ সালে উহানের ল্যাবের গবেষকরা করোনার উপসর্গেই ‘অসুস্থ হয়েছিলেন’, দাবি তদন্তের

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে যদিও অন্য কথা বলা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়, 'চিনের গবেষণাগার থেকে করোনাভাইরাসের উত্পত্তি হওয়ার সম্ভবনা একেবারেই নেই বললেই চলে।'

উহানের গবেষণাগার থেকেই কি ছড়িয়ে পড়েছে করোনা? এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ৩টি রিপোর্ট জমা দিয়েছে তদন্তকারীরা। এবার সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত আরও জোরদার করার দাবি করেছে একাধিক দেশ। সোমবার ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলির বৈঠকে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি আন্তর্জাতিক গ্রুপ তৈরির প্রস্তাব পেশ করা হবে।

এর পাশাপাশি একটি বিশ্বমারী চুক্তির মাধ্যমে তিনটি রিপোর্টে পাওয়া সতর্কতায় গলদগুলি মেটানো যায় কিনা, তাই নিয়ে আলোচনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে বিভিন্ন দেশের সেই ভুলের কারণে কোনও সংক্রামক রোগ অন্যদেশে না ছড়ায়, তার জন্যই স্থির করা হবে চুক্তির শর্তাবলী।

তবে, জেনেভার কূটনীতিকদের মতে, WHA কোনও নীতি গ্রহণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেবে। এর বেশি কিছুর আশা না করাই ভালো। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে। বরং মাংসের প্যাকেজিং থেকেই এটি ছড়িয়েছিল বলে আঙুল তুলেছিলেন একদল বিশেষজ্ঞ।

তবে, উহানের সেই ল্যাবকে এত সহজে ক্লিনচিট দিতে নারাজ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত ২০১৯ সালের নভেম্বরে উহান ইন্সিটিটউটের ৩ গবেষক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, সেই গবেষণাগারেরই আরও বেশ কয়েকজন গবেষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের প্রত্যেকেরই উপসর্গই করোনার লক্ষণের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। যদিও সেই প্রতিবেদনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে চিন। 

গত মার্চে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে যদিও অন্য কথা বলা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়, 'চিনের গবেষণাগার থেকে করোনাভাইরাসের উত্পত্তি হওয়ার সম্ভবনা একেবারেই নেই বললেই চলে।'

যদিও ফেব্রুয়ারিতে উহান থেকে WHO-এর বিশেষজ্ঞ দলের পাঠানো চিঠিতে এমন সম্ভাবনা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। সেখানে বলা হয়েছে, 'গবেষণাগার থেকে ভুল করে ছড়িয়ে পড়া বা পশুদের থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ শুরু হওয়া- দুটি তত্ত্বই এখনও তাত্পর্যপূর্ণ। বিশ্বমারীর উত্পত্তি জানতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।'

বন্ধ করুন