বাড়ি > ঘরে বাইরে > শুরু হল মানবদেহে জাইডাস ক্যাডিলা-র তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিন পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব
শুরু হল জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থার তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় পর্বের ক্লিনিকাল ট্রায়াল।
শুরু হল জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থার তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় পর্বের ক্লিনিকাল ট্রায়াল।

শুরু হল মানবদেহে জাইডাস ক্যাডিলা-র তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিন পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব

  • দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে মোট ১,০০০ স্বেচ্ছাসেবীর দেহে প্রয়োগ করা হবে কোভিড প্রতিরোধী টিকাটি। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে ভ্যাক্সিনটি নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হল জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থার তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় পর্বের ক্লিনিকাল ট্রায়াল। বুধবারই এ সম্পর্কে ঘোষণা করেছিল টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা।

সংস্থার তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়, ‘Covid-19 রোধ করতে সংস্থার তৈরি প্লাজমিড ডিএনএ ভ্যাক্সিন প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে। ৬ অগস্ট থেকে সংস্থা দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে। গত ১৫ জুলাই প্রথম পর্বের ট্রায়ালে সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীদের উপরে প্রয়োগ করা এই ভ্যাক্সিন সহনশীল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।’

তারল আগে পশুদেহে প্রয়োগ করেও ভ্যাক্সিনটি নিরাপদ, রোগ প্রতিরোধকারী এবং যথেষ্ট সহনশীল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। পশুদেহে প্রচুর পরিমাণে জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে ভ্যাক্সিনটি। গত ২ জুলাই মানবদেহে এই ভ্যাক্সিন পরীক্ষার অনুমোদন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেলের থেকে পায় জাইডাস ক্যাডিলা।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে মোট ১,০০০ স্বেচ্ছাসেবীর দেহে প্রয়োগ করা হবে কোভিড প্রতিরোধী টিকাটি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘ভ্যাক্সিন প্রয়োগের পরে প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রথম ৭ দিনের নিরাপত্তা পরীক্ষার আয়োজন করে ডেটা সেফটি মনিটরিং বোর্ড, যার প্রধান কাজ ক্লিনিকাল ট্রায়ালের নিরাপত্তার দিকগুলি পর্যবেক্ষণ করা।’

জানা গিয়েছে, মানবশরীরে এই প্লাজমিড ডিএনএ প্রবেশ করার পরে ভাইরাল প্রোটিনে রূপান্তরিত হয় এবং শরীরের নিডস্ব প্রতিরোধ শক্তির সাহায্যে এক মজবুত প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। তার জোরেই রোগের থেকে সুরক্ষা এবং ভাইরামুক্তি সম্ভব হয়।

আমদাবাদে জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থার নিজস্ব গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই কোভিড ভ্যাক্সিন। 

বন্ধ করুন