বাংলা নিউজ > ছবিঘর > বাগানে নির্বিঘ্নেই হল বারপুজো, ইস্টবেঙ্গলে বিতর্কের সুর, দেখুন ছবিতে বারপুজো

বাগানে নির্বিঘ্নেই হল বারপুজো, ইস্টবেঙ্গলে বিতর্কের সুর, দেখুন ছবিতে বারপুজো

  • নববর্ষ মানেই হাল খাতা, নতুন জামাকাপড় আর বারপুজো। সঙ্গে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। কিন্তু করোনার জন্য সব কিছুই কেমন যেন থমকে রয়েছে। ময়দানে রীতি মেনে এ বার বারপুজো হলেও পুরনো সেই আবেগে কোথায় যেন উধাও হয়ে গিয়েছে।
নববর্ষের দিন বারপুজো মানেই একেবারে হইহই ব্যাপার। ক্লাবের মঙ্গলকামনায় প্রথমে বারপুজো হয়। তার পর খাওয়াদাওয়া, আনন্দ হাসিতে ময়দানের দিনটা কোথা দিয়ে যেন কেটে যায়। কিন্তু করোনার জেরে হঠাৎ করেই সব আনন্দ উৎসব কেমন ফ্যাকাসে হয়ে পড়েছে। গত বছর তো নিয়ম মেনে অনেকে বারপুজোই করে উঠতে পারেনি। এ বার তাও ময়দানের সব ক্লাবেই ছোট করে হলেও বারপুজোর রীতিটুকু মানা হয়েছে।
1/7নববর্ষের দিন বারপুজো মানেই একেবারে হইহই ব্যাপার। ক্লাবের মঙ্গলকামনায় প্রথমে বারপুজো হয়। তার পর খাওয়াদাওয়া, আনন্দ হাসিতে ময়দানের দিনটা কোথা দিয়ে যেন কেটে যায়। কিন্তু করোনার জেরে হঠাৎ করেই সব আনন্দ উৎসব কেমন ফ্যাকাসে হয়ে পড়েছে। গত বছর তো নিয়ম মেনে অনেকে বারপুজোই করে উঠতে পারেনি। এ বার তাও ময়দানের সব ক্লাবেই ছোট করে হলেও বারপুজোর রীতিটুকু মানা হয়েছে।
সবুজ-মেরুন ক্লাবে এসেছিলেন এটিকে মোহনবাগানের সহকারী কোচ সঞ্জয় সেন। রীতি মেনে পুজোয় অংশ নেন তিনি। এ ছাড়াও এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা উপস্থিত ছিলেন। তা ছাড়াও ক্লাবের দুই কর্তা সৃঞ্জয় বসু এবং দেবাশিস দত্ত তো ছিলেনই।
2/7সবুজ-মেরুন ক্লাবে এসেছিলেন এটিকে মোহনবাগানের সহকারী কোচ সঞ্জয় সেন। রীতি মেনে পুজোয় অংশ নেন তিনি। এ ছাড়াও এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা উপস্থিত ছিলেন। তা ছাড়াও ক্লাবের দুই কর্তা সৃঞ্জয় বসু এবং দেবাশিস দত্ত তো ছিলেনই।
ফুটবলারদের মধ্যে প্রীতম কোটাল, প্রণয় হালদার, প্রবীর দাস. অরিন্দম ভট্টাচার্য, এসকে সাহিল, অভিলাষ পালরা পুজোয় অংশ নেন।
3/7ফুটবলারদের মধ্যে প্রীতম কোটাল, প্রণয় হালদার, প্রবীর দাস. অরিন্দম ভট্টাচার্য, এসকে সাহিল, অভিলাষ পালরা পুজোয় অংশ নেন।
সবুজ-মেরুনে অবশ্য সদস্য-সমর্থকদের এই বছর বারপুজোয় ক্লাবে আসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হাতেগোনা কিছু কর্তা এবং ফুটবলারদের নিয়েই বারপুজো করা হয়।
4/7সবুজ-মেরুনে অবশ্য সদস্য-সমর্থকদের এই বছর বারপুজোয় ক্লাবে আসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হাতেগোনা কিছু কর্তা এবং ফুটবলারদের নিয়েই বারপুজো করা হয়।
ইস্টবেঙ্গলে অবশ্য সকলের জন্যই ক্লাবের দরজা খোলা ছিল। তবু নববর্ষের দিনও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না লাল-হলুদকে। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সমস্যার আঁচ এসে পড়ল বারপুজোর অনুষ্ঠানেও।
5/7ইস্টবেঙ্গলে অবশ্য সকলের জন্যই ক্লাবের দরজা খোলা ছিল। তবু নববর্ষের দিনও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না লাল-হলুদকে। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সমস্যার আঁচ এসে পড়ল বারপুজোর অনুষ্ঠানেও।
বারপুজোর অনুষ্ঠানে লাল-হলুদের সিনিয়র দলের কোনও ফুটবলার আসেননি। এই নিয়েই সমস্যা শুরু হয়। ক্লাবের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ‘কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ফুটবলাররা আসেনি। তবে কানে আসছে, কারও নির্দেশেই নাকি ওরা আসেনি। আমাকে যুব ফুটবলার ও দু'জন ক্রিকেটারকে নিয়ে অনুষ্ঠান সারতে হল।’ 
6/7বারপুজোর অনুষ্ঠানে লাল-হলুদের সিনিয়র দলের কোনও ফুটবলার আসেননি। এই নিয়েই সমস্যা শুরু হয়। ক্লাবের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ‘কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ফুটবলাররা আসেনি। তবে কানে আসছে, কারও নির্দেশেই নাকি ওরা আসেনি। আমাকে যুব ফুটবলার ও দু'জন ক্রিকেটারকে নিয়ে অনুষ্ঠান সারতে হল।’ 
তবে বিনিয়োগকারীদের তরফে বলা হয়েছে, ওদের দপ্তরের কয়েক জনের করোনা ধরা পড়েছে। তাই দপ্তর বন্ধ রাখতে হয়েছে। কিছু দিন আগে কয়েক জন ফুটবলার সেখানে গিয়েছিলেন, তাই তাঁদেরও কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এখানেই প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে বাকি ফুটবলাররা এলেন না কেন? লাল-হলুদের বর্তমান ফুটবলাররা না এলেও, প্রাক্তন ফুটবলার যেমন-রহিম নবি, দীপঙ্কর রায়রা কিন্তু বারপুজোয় উপস্থিত ছিলেন।
7/7তবে বিনিয়োগকারীদের তরফে বলা হয়েছে, ওদের দপ্তরের কয়েক জনের করোনা ধরা পড়েছে। তাই দপ্তর বন্ধ রাখতে হয়েছে। কিছু দিন আগে কয়েক জন ফুটবলার সেখানে গিয়েছিলেন, তাই তাঁদেরও কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এখানেই প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে বাকি ফুটবলাররা এলেন না কেন? লাল-হলুদের বর্তমান ফুটবলাররা না এলেও, প্রাক্তন ফুটবলার যেমন-রহিম নবি, দীপঙ্কর রায়রা কিন্তু বারপুজোয় উপস্থিত ছিলেন।
অন্য গ্যালারিগুলি