Budget 2020: এবার মহাভারতের হস্তিনাপুর উন্নয়নে উদ্যোগী কেন্দ্র

পর্যটনের স্বার্থে মহাভারত উল্লিখিত হস্তিনাপুর-সহ দেশের আরও চারটি স্থানের উন্নয়নে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। শনিবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার সময় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের হস্তিনাপুর ছাড়াও তালিকায় রয়েছে হরিয়ানার রাখিগড়ি, অসমের শিবসাগর, গুজরাতের ঢোলাভিরা এবং তামিলনাডুর আদিচানাল্লুর। এই পাঁচ পর্যটন ক্ষেত্রেই মিউজিয়াম তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

মহাভারত বর্ণিত হস্তিনাপুরের জম্বুদ্বীপে রয়েছে নানান ধর্মের সহাবস্থান। ছবি সৌজন্যে হিন্দুস্তান টাইমস।
1/7মহাভারত বর্ণিত হস্তিনাপুরের জম্বুদ্বীপে রয়েছে নানান ধর্মের সহাবস্থান। ছবি সৌজন্যে হিন্দুস্তান টাইমস।
মহাভারত ও পুরানে কৌরবদের রাজধানী হিসেবে হস্তিনাপুরের উল্লেখ রয়েছে। একাধিক প্রাচীন জৈন পুঁথিতেও ঐতিহাসিক এই নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায়। মহাভারতের স্মৃতিধন্য হস্তিনাপুরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট হল বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য, যা ভারতাত্মার মূল দর্শন।
2/7মহাভারত ও পুরানে কৌরবদের রাজধানী হিসেবে হস্তিনাপুরের উল্লেখ রয়েছে। একাধিক প্রাচীন জৈন পুঁথিতেও ঐতিহাসিক এই নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায়। মহাভারতের স্মৃতিধন্য হস্তিনাপুরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট হল বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য, যা ভারতাত্মার মূল দর্শন।
শিখদের কাছে এই স্থান পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়, কারণ একানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন শিখ গুরু গোবিন্দ সিংয়ের পঞ্জ পেয়ারার অন্যতম ভাই ধরম সিং। এখানে তাঁর জন্মস্থান সইফপুর গ্রামে একটি গুরুদ্বারা রয়েছে।
3/7শিখদের কাছে এই স্থান পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়, কারণ একানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন শিখ গুরু গোবিন্দ সিংয়ের পঞ্জ পেয়ারার অন্যতম ভাই ধরম সিং। এখানে তাঁর জন্মস্থান সইফপুর গ্রামে একটি গুরুদ্বারা রয়েছে।
হস্তিনাপুর আবার জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে চিহ্নিত।
4/7হস্তিনাপুর আবার জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে চিহ্নিত।
১৯৪৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি হস্তিনাপুরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। এখানেই দেশভাগের পরে কয়েক হাজার একর জমিজুড়ে শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়া হয়।
5/7১৯৪৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি হস্তিনাপুরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। এখানেই দেশভাগের পরে কয়েক হাজার একর জমিজুড়ে শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়া হয়।
এত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও রামায়ণে উল্লিখিত অযোধ্যা রাম জন্মভূমি হিসেবে যখন গুরুত্বের শিখরে পৌঁছেছে, সেই সময় মহাভারতের হস্তিনাপুর রয়ে গিয়েছে বিস্মৃতির আড়ালে। হস্তিনাপুরে ১৯৫০-১৯৫২ সালে খনন অভিযান চালিয়েছিলেন বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক বি বি লাল। কিন্তু সেই অভিযান মাঝপথেই থেমে যায়। তাঁর আবিষ্কৃত ঐতিহাসিক ঢিপিও এখন জবরদখলকারীদের আস্তানার অন্তর্গত হয়েছে। একদা এখানে একটি মিউজিয়াম নির্মিত হলেও এএসআই-এর উদাসীনতার জেরে তা এখন মোটামুটি পরিত্যক্ত বললেই চলে।
6/7এত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও রামায়ণে উল্লিখিত অযোধ্যা রাম জন্মভূমি হিসেবে যখন গুরুত্বের শিখরে পৌঁছেছে, সেই সময় মহাভারতের হস্তিনাপুর রয়ে গিয়েছে বিস্মৃতির আড়ালে। হস্তিনাপুরে ১৯৫০-১৯৫২ সালে খনন অভিযান চালিয়েছিলেন বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক বি বি লাল। কিন্তু সেই অভিযান মাঝপথেই থেমে যায়। তাঁর আবিষ্কৃত ঐতিহাসিক ঢিপিও এখন জবরদখলকারীদের আস্তানার অন্তর্গত হয়েছে। একদা এখানে একটি মিউজিয়াম নির্মিত হলেও এএসআই-এর উদাসীনতার জেরে তা এখন মোটামুটি পরিত্যক্ত বললেই চলে।
হস্তিনাপুর নিয়ে অনেক অজানা তথ্য পাওয়া যায় গবেষক কে কে শর্মার গবেষণাপত্র ‘Hastinapur-- a Historical City’-তে। তাঁর দাবি, এখানে যত্ন নিয়ে খনন অভিযান চালালে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের অনেক ধাঁধার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেটে হস্তিনাপুর উন্নয়ন প্রকল্পের উল্লেখে স্বাভাবিক ভাবেই আশার আলো দেখছেন এই ইতিহাসবিদ। বর্তমান হস্তিনাপুর বিজনোর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। প্রাক্তন বিধায়ক সমাজবাদী পার্টি নেতা প্রভুদয়াল বাল্মিকী কিছুটা কৌতুকের সুরেই বলেন, হস্তিনাপুরের অবশ্যই উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রের শাসকদলের প্রতি কটাক্ষ হেনে তিনি বলেন, ‘গঙ্গাযাত্রার সময় উপ-মুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা-সহ শাসকদলের বহু নেতা এসে হস্তিনাপুরের উন্নয়ন নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন। তবে কার্যক্ষেত্রে সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ এতকাল হয়নি। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত্ রেললাইন চেয়েও কোনও আশার কথা শোনেননি এখানকার মানুষ।’ ছবি সৌজন্যে টুইটার।
7/7হস্তিনাপুর নিয়ে অনেক অজানা তথ্য পাওয়া যায় গবেষক কে কে শর্মার গবেষণাপত্র ‘Hastinapur-- a Historical City’-তে। তাঁর দাবি, এখানে যত্ন নিয়ে খনন অভিযান চালালে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের অনেক ধাঁধার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেটে হস্তিনাপুর উন্নয়ন প্রকল্পের উল্লেখে স্বাভাবিক ভাবেই আশার আলো দেখছেন এই ইতিহাসবিদ। বর্তমান হস্তিনাপুর বিজনোর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। প্রাক্তন বিধায়ক সমাজবাদী পার্টি নেতা প্রভুদয়াল বাল্মিকী কিছুটা কৌতুকের সুরেই বলেন, হস্তিনাপুরের অবশ্যই উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রের শাসকদলের প্রতি কটাক্ষ হেনে তিনি বলেন, ‘গঙ্গাযাত্রার সময় উপ-মুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা-সহ শাসকদলের বহু নেতা এসে হস্তিনাপুরের উন্নয়ন নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন। তবে কার্যক্ষেত্রে সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ এতকাল হয়নি। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত্ রেললাইন চেয়েও কোনও আশার কথা শোনেননি এখানকার মানুষ।’ ছবি সৌজন্যে টুইটার।
অন্য গ্যালারিগুলি