বাংলা নিউজ > ছবিঘর > Durga Puja 2021: ব্রোঞ্জের দুর্গা প্রতিমা, আলোকসজ্জায় বিশেষ চমক পরিচালক বাপ্পার

Durga Puja 2021: ব্রোঞ্জের দুর্গা প্রতিমা, আলোকসজ্জায় বিশেষ চমক পরিচালক বাপ্পার

করোনা আবহে কলকাতাবাসী এবার নিজেদের সতর্কতা বজায় রেখে মায়ের আরাধনায় নিজেদের সমর্পন করেছে। হাওড়ার রামকৃষ্ণ স্বামীজী স্মৃতি সংঘের পুজোয় রয়েছে চমক। পুরো মূর্তিটাই ব্রোঞ্জের তৈরি। এই মূর্তিটি তৈরী করেছেন শিল্পী সুধীর মাইতি। কিন্তু বিশেষ চমক রয়েছে আলোকসজ্জায়। যার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক বাপ্পা।

হাওড়ার রামকৃষ্ণ স্বামীজী স্মৃতি সংঘের পুজোয় সবচেয়ে বড় চমক হল ব্রোঞ্জের ঠাকুরের আলোকসজ্জা। যার দ্বায়িত্বে রয়েছেন বাপ্পা। বাপ্পা একজন থিয়েটার কর্মী, চিত্র পরিচালক। সম্প্রতি তার পরিচালনায় 'শহরের উপকথা' ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।
1/4হাওড়ার রামকৃষ্ণ স্বামীজী স্মৃতি সংঘের পুজোয় সবচেয়ে বড় চমক হল ব্রোঞ্জের ঠাকুরের আলোকসজ্জা। যার দ্বায়িত্বে রয়েছেন বাপ্পা। বাপ্পা একজন থিয়েটার কর্মী, চিত্র পরিচালক। সম্প্রতি তার পরিচালনায় 'শহরের উপকথা' ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।
আলো-অন্ধকার নিয়ে কাজ। এই আলোকসজ্জা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বাপ্পা জানিয়েছেন, ‘আলো, ছবি আঁকা এগুলো আমার স্বপ্ন। অনেকদিন পর আবার আলো-অন্ধকার নিয়ে কাজ করলাম, বেশ ভালো লাগলো। যেহেতু আমার প্রোডাকশন ডিজাইন নিয়েই পড়াশুনো রবীন্দ্রভারতী থেকে তাই এইটাই আমার আসল ভালো লাগার জায়গা’।
2/4আলো-অন্ধকার নিয়ে কাজ। এই আলোকসজ্জা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বাপ্পা জানিয়েছেন, ‘আলো, ছবি আঁকা এগুলো আমার স্বপ্ন। অনেকদিন পর আবার আলো-অন্ধকার নিয়ে কাজ করলাম, বেশ ভালো লাগলো। যেহেতু আমার প্রোডাকশন ডিজাইন নিয়েই পড়াশুনো রবীন্দ্রভারতী থেকে তাই এইটাই আমার আসল ভালো লাগার জায়গা’।
পরিচালক আরও বলেন, ‘এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করতে আমার বেশ লাগে, যখনই আমার কাছে এই কাজের সুযোগ এলো আমি আর দুবার ভাবিনি, ঝাপিয়ে পড়েছি। আমাকে সাহায্য করেছে অর্পণ বোস, সুমন দা ও রিঘু। মা -কে অন্যরকম ভাবে সাজানো যায় সেই নিয়েই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলাম। নাটকের একটা প্লট থাকে কিন্তু কোনো দুর্গা মণ্ডপে সাধারণত আলো কোনও প্লটের উপর ডিপেন্ট করে করা হয় না। কিন্তু আমি সেই ভাবনা থেকেই মাকে একটা শান্ত অনুভূতি দিয়ে সাজিয়ে তুলতে চেয়েছি’।
3/4পরিচালক আরও বলেন, ‘এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করতে আমার বেশ লাগে, যখনই আমার কাছে এই কাজের সুযোগ এলো আমি আর দুবার ভাবিনি, ঝাপিয়ে পড়েছি। আমাকে সাহায্য করেছে অর্পণ বোস, সুমন দা ও রিঘু। মা -কে অন্যরকম ভাবে সাজানো যায় সেই নিয়েই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলাম। নাটকের একটা প্লট থাকে কিন্তু কোনো দুর্গা মণ্ডপে সাধারণত আলো কোনও প্লটের উপর ডিপেন্ট করে করা হয় না। কিন্তু আমি সেই ভাবনা থেকেই মাকে একটা শান্ত অনুভূতি দিয়ে সাজিয়ে তুলতে চেয়েছি’।
পরিচালকের কথায়, ‘সারাবিশ্বে যা যা হচ্ছে তারপর মা দুর্গার হাতধরেই প্রত্যেকের জীবনে এই শান্তি অর্থাৎ রিলিফ আসুক, এই মূর্তি দেখলে সামনে থেকে আপনি এক শান্তির ইলিউশানে চলে যাবেন এইটুকু বলতে পারি’।
4/4পরিচালকের কথায়, ‘সারাবিশ্বে যা যা হচ্ছে তারপর মা দুর্গার হাতধরেই প্রত্যেকের জীবনে এই শান্তি অর্থাৎ রিলিফ আসুক, এই মূর্তি দেখলে সামনে থেকে আপনি এক শান্তির ইলিউশানে চলে যাবেন এইটুকু বলতে পারি’।
অন্য গ্যালারিগুলি