বাংলা নিউজ > ছবিঘর > লাটাগুড়ির রাস্তা, কখনও নদীর চড়ে -পা ছড়িয়ে বসে মিমি, ফিরলেন মেয়েবেলার স্মৃতিতে

লাটাগুড়ির রাস্তা, কখনও নদীর চড়ে -পা ছড়িয়ে বসে মিমি, ফিরলেন মেয়েবেলার স্মৃতিতে

  • জলপাইগুড়ি ভীষণ আপন মিমির। এইখানের তাঁর জন্ম, বড় হওয়া। তাই তো ব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই ছুটে যান শিকড়ের টানে। 
কালীপুজোর আগেই জলপাইগুড়িতে দেশের বাড়ি পৌঁছেছেন মিমি চক্রবর্তী। কয়েকটা দিন পরিবারের সঙ্গে চুটিয়ে সময় কাটিয়ে আজ নিজের মেয়েবেলার স্মৃতি হাতড়াতে বেরিয়ে পড়েছিলেন তারকা সাংসদ। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
1/6কালীপুজোর আগেই জলপাইগুড়িতে দেশের বাড়ি পৌঁছেছেন মিমি চক্রবর্তী। কয়েকটা দিন পরিবারের সঙ্গে চুটিয়ে সময় কাটিয়ে আজ নিজের মেয়েবেলার স্মৃতি হাতড়াতে বেরিয়ে পড়েছিলেন তারকা সাংসদ। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
এদিন ৩১ নং জাতীয় সড়কের উপরে বসে ছবি তুললেন মিমি। ক্যাপশনে লিখলেন- প্রকৃতি মা। এই ছবি দেখে মুগ্ধ নুসরত। লেখেন- তুই তো পুরো সুন্দরী। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
2/6এদিন ৩১ নং জাতীয় সড়কের উপরে বসে ছবি তুললেন মিমি। ক্যাপশনে লিখলেন- প্রকৃতি মা। এই ছবি দেখে মুগ্ধ নুসরত। লেখেন- তুই তো পুরো সুন্দরী। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
এদিন মিমির পরনে ছিল হালকা বেগুনি পুলওভার এবং নীল-সাদা প্যান্ট। পায়ে স্নিকার্স, সঙ্গে খোলা চুল। নেওড়া নদীর তীরে পড়ন্ত সূর্যকে দু-চোখ ভরে দেখলেন মিমি। নদীর পারে ছড়ানো নুড়ি ঘাঁটতে ঘাঁটতে ফিরলেন শৈশব আর মেয়েবেলার স্মৃতিগুলোতে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
3/6এদিন মিমির পরনে ছিল হালকা বেগুনি পুলওভার এবং নীল-সাদা প্যান্ট। পায়ে স্নিকার্স, সঙ্গে খোলা চুল। নেওড়া নদীর তীরে পড়ন্ত সূর্যকে দু-চোখ ভরে দেখলেন মিমি। নদীর পারে ছড়ানো নুড়ি ঘাঁটতে ঘাঁটতে ফিরলেন শৈশব আর মেয়েবেলার স্মৃতিগুলোতে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
নদীর চড়ের নুড়িতে বসে রয়েছেন মিমি। সত্যিই এই দৃশ্য আপনার মন ভালো করে দেবে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
4/6নদীর চড়ের নুড়িতে বসে রয়েছেন মিমি। সত্যিই এই দৃশ্য আপনার মন ভালো করে দেবে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
আনমোনা মিমি। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
5/6আনমোনা মিমি। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
গত বছর ডিসেম্বরে তুতো বোনের বিয়েতে জলপাইগুড়ি গিয়েছিলেন মিমি। করোনা আবহ, শ্যুটিংয়ের ব্যস্ততা, সাংসদের দায়িত্ব সব সামলে প্রায় এক বছর পর ঘরে ফেরা। সেই আনন্দ ফুটে উঠছে মিমির চোখে-মুখে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
6/6গত বছর ডিসেম্বরে তুতো বোনের বিয়েতে জলপাইগুড়ি গিয়েছিলেন মিমি। করোনা আবহ, শ্যুটিংয়ের ব্যস্ততা, সাংসদের দায়িত্ব সব সামলে প্রায় এক বছর পর ঘরে ফেরা। সেই আনন্দ ফুটে উঠছে মিমির চোখে-মুখে। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
অন্য গ্যালারিগুলি