বাংলা নিউজ > ছবিঘর > IPL 2020: আগুনে পেস, স্পিনের ঘূর্ণিতে কোন কোন বোলার ত্রাস হয়ে উঠলেন?

IPL 2020: আগুনে পেস, স্পিনের ঘূর্ণিতে কোন কোন বোলার ত্রাস হয়ে উঠলেন?

  • ত্রয়োদশ আইপিএলের প্রথম সপ্তাহে ব্যাটসম্যানদের ভালোমতো পরীক্ষা নিয়েছেন বোলাররা। একতরফাভাবে স্পিন বা পেসের দাপট দেখা যায়নি। বরং স্পিনার থেকে পেসার - দুই বিভাগের বোলাররাই ভালো বল করেছেন। একনজরে দেখে নিন এখনও পর্যন্ত ত্রয়োদশ আইপিএলের সেরা বোলিং পারফরম্যান্স - 
মহম্মদ শামি : ত্রয়োদশ আইপিএলে প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেই দুবাইয়ে আগুন ঝরিয়েছিলেন মহম্মদ শামি। তাঁর সামনে পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের টপ-অর্ডার। চার ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন শামি। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
1/10মহম্মদ শামি : ত্রয়োদশ আইপিএলে প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেই দুবাইয়ে আগুন ঝরিয়েছিলেন মহম্মদ শামি। তাঁর সামনে পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের টপ-অর্ডার। চার ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন শামি। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
কাগিসো রাবাডা : কিংস ইলেভন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ভালোই বল করেছিলেন কাগিসো রাবাডা। চার ওভারে ২৮ রানের বিনিময়ে নিয়েছিলেন দু'উইকেট। তবে সুপার ওভারে নিজেরআসল জাদু দেখিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা। মাত্র তিন বলেই দু'উইকেট নিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন মাত্র দু'রান। তাঁর সেই দুর্দান্ত বোলিংয়ের সৌজন্যেই কার্যত হারা ম্যাচ জিতে ফিরেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
2/10কাগিসো রাবাডা : কিংস ইলেভন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ভালোই বল করেছিলেন কাগিসো রাবাডা। চার ওভারে ২৮ রানের বিনিময়ে নিয়েছিলেন দু'উইকেট। তবে সুপার ওভারে নিজেরআসল জাদু দেখিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা। মাত্র তিন বলেই দু'উইকেট নিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন মাত্র দু'রান। তাঁর সেই দুর্দান্ত বোলিংয়ের সৌজন্যেই কার্যত হারা ম্যাচ জিতে ফিরেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
মার্কাস স্টইনিস : কিংস ইলেভন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে খুব যে দুর্ধর্ষ বল করেছিলেন, তা একেবারেই নয়। তবে শেষ দু'বলে এক রান বাকি অবস্থায় পরপর মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও ক্রিস জর্ডনকে আউট করেছিলেন মার্কাস স্টইনিস। খুব আহামরি বল না হলেও কার্যত হেরে যাওয়া ম্যাচকে সুপার ওভারে নিয়ে গিয়েছিলেন। যেখানে শেষপর্যন্ত অনায়াসে জিতেছিল দিল্লি। তিন ওভারে ২৯ রান দিয়ে দু'উইকেট নিয়েছিলেন অজি অলরাউন্ডার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
3/10মার্কাস স্টইনিস : কিংস ইলেভন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে খুব যে দুর্ধর্ষ বল করেছিলেন, তা একেবারেই নয়। তবে শেষ দু'বলে এক রান বাকি অবস্থায় পরপর মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও ক্রিস জর্ডনকে আউট করেছিলেন মার্কাস স্টইনিস। খুব আহামরি বল না হলেও কার্যত হেরে যাওয়া ম্যাচকে সুপার ওভারে নিয়ে গিয়েছিলেন। যেখানে শেষপর্যন্ত অনায়াসে জিতেছিল দিল্লি। তিন ওভারে ২৯ রান দিয়ে দু'উইকেট নিয়েছিলেন অজি অলরাউন্ডার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
যুজবেন্দ্র চহাল : তাঁর হাত ধরেই জয় দিয়ে ত্রয়োদশ আইপিএল অভিযান শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ক্রিজে জমে যাওয়া মণীশ পান্ডে ও জনি বেয়ারস্টোকে আউট করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বাঁধ খুলে দিয়েছিলেন। তারপর বাকি কাজটা অন্যান্য বোলাররা সেরে নিয়েছিলেন। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। বিজয় শংকর ছিল তাঁর তৃতীয় শিকার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
4/10যুজবেন্দ্র চহাল : তাঁর হাত ধরেই জয় দিয়ে ত্রয়োদশ আইপিএল অভিযান শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ক্রিজে জমে যাওয়া মণীশ পান্ডে ও জনি বেয়ারস্টোকে আউট করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বাঁধ খুলে দিয়েছিলেন। তারপর বাকি কাজটা অন্যান্য বোলাররা সেরে নিয়েছিলেন। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। বিজয় শংকর ছিল তাঁর তৃতীয় শিকার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
রাহুল তেওটিয়া : তাঁর লেগস্পিনের জালে জড়িয়ে নাভিঃশ্বাস উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটসম্যানদের। শেন ওয়াটসন, স্যাম কারান ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে আউট করে চেন্নাইয়ের টপ ও মিডস অর্ডারকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছিলেন। শারজার সেই ম্যাচে চার ওভারে ৩৭ রান দিয়েছিলেন তেওটিয়া। (ছবি সৌজন্য টুইটার @IPL)
5/10রাহুল তেওটিয়া : তাঁর লেগস্পিনের জালে জড়িয়ে নাভিঃশ্বাস উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটসম্যানদের। শেন ওয়াটসন, স্যাম কারান ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে আউট করে চেন্নাইয়ের টপ ও মিডস অর্ডারকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছিলেন। শারজার সেই ম্যাচে চার ওভারে ৩৭ রান দিয়েছিলেন তেওটিয়া। (ছবি সৌজন্য টুইটার @IPL)
জসপ্রীত বুমরাহ : ত্রয়োদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে একেবারেই চেনা ছন্দে দেখা যায়নি বুমরাহকে। পরে ট্রেন্ট বোল্ট আশ্বাস দিয়েছিলেন, পরের ম্যাচেই সেরা ছন্দে ফিরবেন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বোলার। আর মুম্বইয়ের সতীর্থদের কথা সত্যি প্রমাণ করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আগুনে স্পেল করেন বুমরাহ। প্রথম তিন ওভারে পাঁচ রানে দু'উইকেট নিয়েছিলেন। শিকারের তালিকায় ছিলেন নাইটদের দুই সেরা ব্যাটসম্যান - আন্দ্রে রাসেল ও ইয়ন মর্গ্যান। চতুর্থ ওভারে ২৭ রান দেওয়ায় ইকোনমি রেট কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু নেভিল কার্ডাস তো আগেই বলেছিলেন, স্কোরবোর্ড একটা গাধা। (ছবি সৌজন্য টুইটার @mipaltan)
6/10জসপ্রীত বুমরাহ : ত্রয়োদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে একেবারেই চেনা ছন্দে দেখা যায়নি বুমরাহকে। পরে ট্রেন্ট বোল্ট আশ্বাস দিয়েছিলেন, পরের ম্যাচেই সেরা ছন্দে ফিরবেন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বোলার। আর মুম্বইয়ের সতীর্থদের কথা সত্যি প্রমাণ করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আগুনে স্পেল করেন বুমরাহ। প্রথম তিন ওভারে পাঁচ রানে দু'উইকেট নিয়েছিলেন। শিকারের তালিকায় ছিলেন নাইটদের দুই সেরা ব্যাটসম্যান - আন্দ্রে রাসেল ও ইয়ন মর্গ্যান। চতুর্থ ওভারে ২৭ রান দেওয়ায় ইকোনমি রেট কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু নেভিল কার্ডাস তো আগেই বলেছিলেন, স্কোরবোর্ড একটা গাধা। (ছবি সৌজন্য টুইটার @mipaltan)
শেলডন কটরেল : প্রথম ম্যাচেও ভালো বল করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে নিজেকেই ছাপিয়ে যান কটরেল। প্রথম ওভারে দেবদূত পাড়িক্কালকে আউট করেছিলেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে বিরাট কোহলিকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান। মহম্মদ শামির সঙ্গে যুগলবন্দিতে আরসিবির মেরুদণ্ড পুরো নুইয়ে দিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার। যেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি বিরাটরা। শেষপর্যন্ত কটরেলের বোলিং ফিগার ছিল - তিন ওভারে ১৭ রান দিয়ে দু'উইকেট।  (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
7/10শেলডন কটরেল : প্রথম ম্যাচেও ভালো বল করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে নিজেকেই ছাপিয়ে যান কটরেল। প্রথম ওভারে দেবদূত পাড়িক্কালকে আউট করেছিলেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে বিরাট কোহলিকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান। মহম্মদ শামির সঙ্গে যুগলবন্দিতে আরসিবির মেরুদণ্ড পুরো নুইয়ে দিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার। যেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি বিরাটরা। শেষপর্যন্ত কটরেলের বোলিং ফিগার ছিল - তিন ওভারে ১৭ রান দিয়ে দু'উইকেট।  (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
রবি বিষ্ণোই : প্রথমবার আইপিএল খেলতে নেমেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের চোখ টেনেছেন রবি বিষ্ণোই। প্রথম দু'ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন ২০ বছরের লেগস্পিনার। যিনি ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে শুরুতে অ্যারন ফিঞ্চের সামনে কিছুটা চাপে পড়ে গেলেও দ্রুত নিজেকে সামলে নেন। তারপর অজি অধিনায়ককে ধোঁকা দিয়ে বোল্ড করেন। শেষপর্যন্ত চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন ্প্রতিশ্রুতিমান লেগস্পিনার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
8/10রবি বিষ্ণোই : প্রথমবার আইপিএল খেলতে নেমেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের চোখ টেনেছেন রবি বিষ্ণোই। প্রথম দু'ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন ২০ বছরের লেগস্পিনার। যিনি ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে শুরুতে অ্যারন ফিঞ্চের সামনে কিছুটা চাপে পড়ে গেলেও দ্রুত নিজেকে সামলে নেন। তারপর অজি অধিনায়ককে ধোঁকা দিয়ে বোল্ড করেন। শেষপর্যন্ত চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন ্প্রতিশ্রুতিমান লেগস্পিনার। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
অক্ষর প্যাটেল : উইকেট কলামে মাত্র একবার নাম উঠলেও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন অক্ষর প্যাটেল। প্রথম থেকেই চেন্নাই ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ তৈরি করে রেখেছিলেন। ফলস্বরূপ রানরেট বাড়তে থাকে চেন্নাইয়ের। যা কখনওই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি চেন্নাই। নিজের চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দেন অক্ষর। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
9/10অক্ষর প্যাটেল : উইকেট কলামে মাত্র একবার নাম উঠলেও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন অক্ষর প্যাটেল। প্রথম থেকেই চেন্নাই ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ তৈরি করে রেখেছিলেন। ফলস্বরূপ রানরেট বাড়তে থাকে চেন্নাইয়ের। যা কখনওই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি চেন্নাই। নিজের চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দেন অক্ষর। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ পর্যন্ত পার্পল ক্যাপ দখলে আছে কাগিসো রাবাডার। দু'ম্যাচে তিনি পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
10/10দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ পর্যন্ত পার্পল ক্যাপ দখলে আছে কাগিসো রাবাডার। দু'ম্যাচে তিনি পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
অন্য গ্যালারিগুলি