বাংলা নিউজ > ছবিঘর > IPL 2020: ওপেনিংয়ে রানের অভাব থেকে উইকেট খরা - কোন কোন কারণে প্লে-অফে উঠল না KKR?

IPL 2020: ওপেনিংয়ে রানের অভাব থেকে উইকেট খরা - কোন কোন কারণে প্লে-অফে উঠল না KKR?

  • এক জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ হলে বন্ধ করা যায়। দু'জায়গায় হলে কোনওভাবে সামাল দেওয়া যায়। কিন্তু চারিদিকে যখন ক্ষত থাকে, তখন হাসপাতালে ছুটতেই হয়। একই অবস্থা হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। নাইটদের শুধু হাসপাতালে ছুটতে হল না, আইপিএল থেকে বিদায় নিলেন তাঁরা। কোন কোন কারণে আবারও কেকেআর প্লে-অফে উঠতে পারল না, তা দেখে নিন একনজরে -
খেলোয়াড় নির্বাচন : ২০১১ সালে নিলামের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের দল ঘিরে সমালোচনা হয়েছিল। দলে সেরকম নামী খেলোয়াড় নেই কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। শেষপর্যন্ত দেখা গিয়েছিল, ফর্মের বিচারে একেবারে নির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক খেলোয়াড় কিনেছিল। অধিকাংশ জায়গায় টিক পড়েছিল। কিন্তু পরবর্তী বড় নিলামে সেই ঠিক জায়গাগুলিতেই ভুল করেছিল কেকেআর। অধিকাংশ খেলোয়াড়কে কোন মাপকাঠিতে নেওয়া হয়েছিল, তা কেকেআর ম্যানেজমেন্ট বলতে পারবে শুধু। তার জেরে শুভমন গিল, দীনেশ কার্তিক, নীতিশ রানা ছাড়া দলে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো ভারতীয় ব্যাটসম্যান নেই। নিখিল নায়েক, রিঙ্কু সিংরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য এখনও উপযুক্ত নন। রিজার্ভ বেঞ্চ একেবারে দুর্বল হওয়ায় ফল ভুগতে হয়েছে কেকেআরকে। টানা বাজে খেলা সত্ত্বেও বাদ দেওয়া যায়নি। কারণ বিকল্প নেই। (ছবি সৌজন্য টুইটার @KKRiders)
1/9খেলোয়াড় নির্বাচন : ২০১১ সালে নিলামের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের দল ঘিরে সমালোচনা হয়েছিল। দলে সেরকম নামী খেলোয়াড় নেই কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। শেষপর্যন্ত দেখা গিয়েছিল, ফর্মের বিচারে একেবারে নির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক খেলোয়াড় কিনেছিল। অধিকাংশ জায়গায় টিক পড়েছিল। কিন্তু পরবর্তী বড় নিলামে সেই ঠিক জায়গাগুলিতেই ভুল করেছিল কেকেআর। অধিকাংশ খেলোয়াড়কে কোন মাপকাঠিতে নেওয়া হয়েছিল, তা কেকেআর ম্যানেজমেন্ট বলতে পারবে শুধু। তার জেরে শুভমন গিল, দীনেশ কার্তিক, নীতিশ রানা ছাড়া দলে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো ভারতীয় ব্যাটসম্যান নেই। নিখিল নায়েক, রিঙ্কু সিংরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য এখনও উপযুক্ত নন। রিজার্ভ বেঞ্চ একেবারে দুর্বল হওয়ায় ফল ভুগতে হয়েছে কেকেআরকে। টানা বাজে খেলা সত্ত্বেও বাদ দেওয়া যায়নি। কারণ বিকল্প নেই। (ছবি সৌজন্য টুইটার @KKRiders)
অধিনায়ক নির্বাচন : দলে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আছেন। তা সত্ত্বেও দীনেশ কার্তিককেই অধিনায়ক রেখে দেওয়া হয়েছিল। ইয়ন মর্গ্যানকে নামভারী ‘লিডারশিপ গ্রুপে’ রাখা হলেও তাঁকে অধিনায়ক করা হয়নি। শেষপর্যন্ত মর্গ্যান যখন অধিনায়কত্ব পান, ততক্ষণে কেকেআরের ছন্দ হারিয়ে গিয়েছিল। একমাত্র রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ধাঁচে দৌড়েছিল কেকেআর। (ছবি সৌজন্য টুইটার @KKRiders)
2/9অধিনায়ক নির্বাচন : দলে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আছেন। তা সত্ত্বেও দীনেশ কার্তিককেই অধিনায়ক রেখে দেওয়া হয়েছিল। ইয়ন মর্গ্যানকে নামভারী ‘লিডারশিপ গ্রুপে’ রাখা হলেও তাঁকে অধিনায়ক করা হয়নি। শেষপর্যন্ত মর্গ্যান যখন অধিনায়কত্ব পান, ততক্ষণে কেকেআরের ছন্দ হারিয়ে গিয়েছিল। একমাত্র রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ধাঁচে দৌড়েছিল কেকেআর। (ছবি সৌজন্য টুইটার @KKRiders)
টিম কম্বিনেশন ঠিক করতে না পারা : কেকেআরের জন্য আইপিএল শেষ। এখনও হয়তো কেকেআরের সঠিক টিম কম্বিনেশন বাছতে পারেননি ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। একটা কোর দল তৈরি না হওয়ায় সঠিক কম্বিনেশন গড়ে তোলা যায়নি। তার ফল ভুগতে হয়েছে পুরো টুর্নামেন্টেই। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
3/9টিম কম্বিনেশন ঠিক করতে না পারা : কেকেআরের জন্য আইপিএল শেষ। এখনও হয়তো কেকেআরের সঠিক টিম কম্বিনেশন বাছতে পারেননি ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। একটা কোর দল তৈরি না হওয়ায় সঠিক কম্বিনেশন গড়ে তোলা যায়নি। তার ফল ভুগতে হয়েছে পুরো টুর্নামেন্টেই। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
ওপেনিং জুটিতে ব্যর্থতা : সুনীল নারিন, রাহুল ত্রিপাঠী, টম ব্যান্টন এবং নীতিশ রানা - শুভমন গিলের সঙ্গে চারজনকে চেষ্টা করেছিল কেকেআর। কিন্তু কোনওটাই সফল হয়নি। ওপেনিংয়ে নারিন-ফাটকার অস্ত্র যে বোলারদের কাছে আছে, তা বুঝতে চার ম্যাচ কাটিয়ে দিয়েছিল কেকেআর। অথচ ওপেনার রাহুল নেমেছিলেন সাতে। পরে তাঁকে ওপেনে নামানো হয়। কিন্তু থিতু হওয়ার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ব্যান্টনকে ওপেনে নামানো হয়েছিল। শেষে আবার শুভমন গিলের সঙ্গী হন নীতিশ রানা। কেকেআরের ওপেনিং জুটির অবস্থা এতটাই শোচনীয় ছিল যে ১৪ ম্যাচে মাত্র একবার প্রথম উইতেটে ৫০ রান উঠেছিল। পাওয়ার প্লে'তে রানেরও গতি মন্থর থাকছিল। শুরুটা খারাপের ফলে মিডল অর্ডারে চাপ পড়ে যাচ্ছিল। রোজ তা সামাল দেওয়া মিডল অর্ডারের পক্ষে সম্ভব ছিল না। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
4/9ওপেনিং জুটিতে ব্যর্থতা : সুনীল নারিন, রাহুল ত্রিপাঠী, টম ব্যান্টন এবং নীতিশ রানা - শুভমন গিলের সঙ্গে চারজনকে চেষ্টা করেছিল কেকেআর। কিন্তু কোনওটাই সফল হয়নি। ওপেনিংয়ে নারিন-ফাটকার অস্ত্র যে বোলারদের কাছে আছে, তা বুঝতে চার ম্যাচ কাটিয়ে দিয়েছিল কেকেআর। অথচ ওপেনার রাহুল নেমেছিলেন সাতে। পরে তাঁকে ওপেনে নামানো হয়। কিন্তু থিতু হওয়ার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ব্যান্টনকে ওপেনে নামানো হয়েছিল। শেষে আবার শুভমন গিলের সঙ্গী হন নীতিশ রানা। কেকেআরের ওপেনিং জুটির অবস্থা এতটাই শোচনীয় ছিল যে ১৪ ম্যাচে মাত্র একবার প্রথম উইতেটে ৫০ রান উঠেছিল। পাওয়ার প্লে'তে রানেরও গতি মন্থর থাকছিল। শুরুটা খারাপের ফলে মিডল অর্ডারে চাপ পড়ে যাচ্ছিল। রোজ তা সামাল দেওয়া মিডল অর্ডারের পক্ষে সম্ভব ছিল না। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
মর্গ্যানের ব্যাটিং নম্বর : প্রথম একাদশের সেরা ব্যাটসম্যান যাতে বেশি সংখ্যক বল পায়, সেই চেষ্টা করে যে কোনও দল। ব্যতিক্রম শুধু কেকেআর। মর্গ্যানের আগে কোনওদিন পাঠানো হচ্ছিল দীনেশ কার্তিককে, কোনওদিন যাচ্ছিলেন রিঙ্কু সিং। তাও সুনীল নারিনকে আগে নামানোর যুক্তি বোঝা সম্ভব। বাকিদের কেন নামানো হত, তা কেকেআর বলতে পারবে। হাতেগোনা কয়েকবারই মর্গ্যান আগে নেমেছেন। এমনকী মর্গ্যানের অধিনায়কত্বেও সেই ধারার পরিবর্তন হয়নি। আর কার্তিকদের আগে নামলে কতটা বিধ্বংসী হতে পারেন, তা রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্রমাণ করেছিলেন। কিন্তু তখন বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
5/9মর্গ্যানের ব্যাটিং নম্বর : প্রথম একাদশের সেরা ব্যাটসম্যান যাতে বেশি সংখ্যক বল পায়, সেই চেষ্টা করে যে কোনও দল। ব্যতিক্রম শুধু কেকেআর। মর্গ্যানের আগে কোনওদিন পাঠানো হচ্ছিল দীনেশ কার্তিককে, কোনওদিন যাচ্ছিলেন রিঙ্কু সিং। তাও সুনীল নারিনকে আগে নামানোর যুক্তি বোঝা সম্ভব। বাকিদের কেন নামানো হত, তা কেকেআর বলতে পারবে। হাতেগোনা কয়েকবারই মর্গ্যান আগে নেমেছেন। এমনকী মর্গ্যানের অধিনায়কত্বেও সেই ধারার পরিবর্তন হয়নি। আর কার্তিকদের আগে নামলে কতটা বিধ্বংসী হতে পারেন, তা রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্রমাণ করেছিলেন। কিন্তু তখন বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
‘ফিনিশার' দীনেশ কার্তিককে ব্যবহার করতে না পারা : এবারের আইপিএলে লেগস্পিনারদের বিরুদ্ধে রীতিমতো হাসফাঁস করেছেন। ইনিংসের ভিত তৈরির দায়িত্ব পেলে স্ট্রাইক রেট ৭৫-এর কাছাকাছি ছিল। যে কয়েকটি ম্যাচে ১০ ওভারের পরে নেমেছিলেন, সেই ম্যাচগুলিতে স্ট্রাইক রেট ১৭০-এর উপরে ছিল। তা সত্ত্বেও ‘ফিনিশার' দীনেশ কার্তিককে ব্যবহার করেনি কেকেআর। উলটে অধিকাংশ ম্যাচে মর্গ্যানের আগে গিয়ে আউট ফিরে এসেছেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
6/9‘ফিনিশার' দীনেশ কার্তিককে ব্যবহার করতে না পারা : এবারের আইপিএলে লেগস্পিনারদের বিরুদ্ধে রীতিমতো হাসফাঁস করেছেন। ইনিংসের ভিত তৈরির দায়িত্ব পেলে স্ট্রাইক রেট ৭৫-এর কাছাকাছি ছিল। যে কয়েকটি ম্যাচে ১০ ওভারের পরে নেমেছিলেন, সেই ম্যাচগুলিতে স্ট্রাইক রেট ১৭০-এর উপরে ছিল। তা সত্ত্বেও ‘ফিনিশার' দীনেশ কার্তিককে ব্যবহার করেনি কেকেআর। উলটে অধিকাংশ ম্যাচে মর্গ্যানের আগে গিয়ে আউট ফিরে এসেছেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
আন্দ্রে রাসেলের চূড়ান্ত অফ-ফর্ম : এবারের আইপিএলে ১০ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১১৭ রান। গড় ১৩। খেলেছেন মাত্র ৮১ টি বল। অবস্থা এতটাই খারাপ যে মোট রানের নিরিখে প্যাট কামিন্স এবং সুনীল নারিনও তাঁর আগে আছেন। বল হাতে কাজ চালিয়ে দিলেও ব্যাট হাতে চূড়ান্ত রকমের ব্যর্থ হয়েছেন। তার ফল ভুগেছে কেকেআর। অলরাউন্ডারের আর বিকল্প না থাকায় অফ-ফর্ম সত্ত্বেও তাঁকে দলে রাখা হয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
7/9আন্দ্রে রাসেলের চূড়ান্ত অফ-ফর্ম : এবারের আইপিএলে ১০ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১১৭ রান। গড় ১৩। খেলেছেন মাত্র ৮১ টি বল। অবস্থা এতটাই খারাপ যে মোট রানের নিরিখে প্যাট কামিন্স এবং সুনীল নারিনও তাঁর আগে আছেন। বল হাতে কাজ চালিয়ে দিলেও ব্যাট হাতে চূড়ান্ত রকমের ব্যর্থ হয়েছেন। তার ফল ভুগেছে কেকেআর। অলরাউন্ডারের আর বিকল্প না থাকায় অফ-ফর্ম সত্ত্বেও তাঁকে দলে রাখা হয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
পাওয়ার প্লে'তে উইকেট তুলতে না পারা : এবারের আইপিএলে আটটি ম্যাচে প্রথম ছ'ওভারে কোনও উইকেট পায়নি কেকেআর। ফলে বিপক্ষের উপর চাপই তৈরি করা যায়নি। অনায়াসে রান তুলে গিয়েছে প্রতিপক্ষ। বিশেষত কম লক্ষ্যমাত্রার পুঁজি নিয়ে শুরুতেই উইকেট না নিতে পাওয়ায় কোনওরকম সুযোগই তৈরি করতে পারেনি কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল) 
8/9পাওয়ার প্লে'তে উইকেট তুলতে না পারা : এবারের আইপিএলে আটটি ম্যাচে প্রথম ছ'ওভারে কোনও উইকেট পায়নি কেকেআর। ফলে বিপক্ষের উপর চাপই তৈরি করা যায়নি। অনায়াসে রান তুলে গিয়েছে প্রতিপক্ষ। বিশেষত কম লক্ষ্যমাত্রার পুঁজি নিয়ে শুরুতেই উইকেট না নিতে পাওয়ায় কোনওরকম সুযোগই তৈরি করতে পারেনি কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল) 
প্যাট কামিন্সের উইকেটের অভাব : দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ এবং শেষের দিকে কয়েকটি ম্যাচ ছাড়া অধিকাংশ ম্যাচে উইকেট পাননি। একটা সময় তো ২৪ ওভারের বেশি উইকেটহীন ছিলেন। তরুণ পেস বোলিং লাইন-আপের নেতৃত্ব দিলেও উইকেট তুলতে পারেননি। মাঝেমধ্যে রানও দিয়েছেন। তিনি ছন্দে থাকলে কী হতে পারে, তা স্টিভ স্মিথরা সবথেকে ভালো জানেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
9/9প্যাট কামিন্সের উইকেটের অভাব : দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ এবং শেষের দিকে কয়েকটি ম্যাচ ছাড়া অধিকাংশ ম্যাচে উইকেট পাননি। একটা সময় তো ২৪ ওভারের বেশি উইকেটহীন ছিলেন। তরুণ পেস বোলিং লাইন-আপের নেতৃত্ব দিলেও উইকেট তুলতে পারেননি। মাঝেমধ্যে রানও দিয়েছেন। তিনি ছন্দে থাকলে কী হতে পারে, তা স্টিভ স্মিথরা সবথেকে ভালো জানেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
অন্য গ্যালারিগুলি