বাংলা নিউজ > ছবিঘর > SRH vs KKR: ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং-ফিল্ডিং, মর্গ্যানের মাস্টারস্ট্রোক - কীভাবে জিতল KKR?

SRH vs KKR: ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং-ফিল্ডিং, মর্গ্যানের মাস্টারস্ট্রোক - কীভাবে জিতল KKR?

  • লকি ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং ও ফিল্ডিং। তার উপর ভর করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে সুপার ওভারে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে শুধু ফার্গুসন নন, রবিবার কেকোরের জয়ের পিছনে ইয়ন মর্গ্যানের মগজাস্ত্র-সহ আরও একাধিক কারণ আছে। কী সেগুলি দেখে নিন একনজরে -
এখনও পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সই একমাত্র দল, যে দলের ওপেনিং জুটিতে একবারও ৫০ রান ওঠেনি। তা সত্ত্বেও অন্যদিনের তুলনায় ভালো শুরু করেন শুভমন গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। পাওয়ার প্লে'তে এক উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলেন। এতদিন পাওয়ার প্লে'তে প্রচুর ডট বল হচ্ছিল। অনেক ম্যাচেই বলপিছু এক রানও রাখতে পারছিল না কেকেআর। রবিবার কিছুটা ভালো হয়েছে অবস্থা। (ছবি সৌজন্য আপিএল)
1/6এখনও পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সই একমাত্র দল, যে দলের ওপেনিং জুটিতে একবারও ৫০ রান ওঠেনি। তা সত্ত্বেও অন্যদিনের তুলনায় ভালো শুরু করেন শুভমন গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। পাওয়ার প্লে'তে এক উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলেন। এতদিন পাওয়ার প্লে'তে প্রচুর ডট বল হচ্ছিল। অনেক ম্যাচেই বলপিছু এক রানও রাখতে পারছিল না কেকেআর। রবিবার কিছুটা ভালো হয়েছে অবস্থা। (ছবি সৌজন্য আপিএল)
ভালো শুরুর পর মাঝে খেই হারিয়ে ফেলেছিল কেকেআর। শেষের দিকে ‘ফিনিশার’ দীনেশ কার্তিক ও ইয়ন মর্গ্যানের সৌজন্যে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে ১৬৩ রান তোলেন নাইটরা। কেকেআরের বর্তমান ও প্রাক্তন অধিনায়কের জুটিতে ৩০ বলে ওঠে রান ৫৮। এতদিন শেষের দিকে খেই হারিয়ে ফেলছিল কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
2/6ভালো শুরুর পর মাঝে খেই হারিয়ে ফেলেছিল কেকেআর। শেষের দিকে ‘ফিনিশার’ দীনেশ কার্তিক ও ইয়ন মর্গ্যানের সৌজন্যে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে ১৬৩ রান তোলেন নাইটরা। কেকেআরের বর্তমান ও প্রাক্তন অধিনায়কের জুটিতে ৩০ বলে ওঠে রান ৫৮। এতদিন শেষের দিকে খেই হারিয়ে ফেলছিল কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মগজাস্ত্র প্রয়োগের সেভাবে সুযোগ পাননি। সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ইয়ন মর্গ্যান প্রমাণ করলেন, কেন তাঁর অধিনায়কত্বে ইংল্যান্ডে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জিতেছিল। ১৯ তম ওভারে তরুণ শিবম মাভিকে বল দেন। দুটি চার হলেও তাঁর সঙ্গে বারবার কথা বলতে থাকেন। ফলে বাজে শুরু করলেও আত্মবিশ্বাস ফিরে পান মাভি। ফলস্বরূপ ওভারে ১২ রান দিয়ে এক উইকেট নেন। সঙ্গে মাস্টারস্ট্রোক ছিল শেষ ওভারে কুলদীপ যাদবকে বল না দেওয়া। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
3/6মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মগজাস্ত্র প্রয়োগের সেভাবে সুযোগ পাননি। সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ইয়ন মর্গ্যান প্রমাণ করলেন, কেন তাঁর অধিনায়কত্বে ইংল্যান্ডে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জিতেছিল। ১৯ তম ওভারে তরুণ শিবম মাভিকে বল দেন। দুটি চার হলেও তাঁর সঙ্গে বারবার কথা বলতে থাকেন। ফলে বাজে শুরু করলেও আত্মবিশ্বাস ফিরে পান মাভি। ফলস্বরূপ ওভারে ১২ রান দিয়ে এক উইকেট নেন। সঙ্গে মাস্টারস্ট্রোক ছিল শেষ ওভারে কুলদীপ যাদবকে বল না দেওয়া। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
রবিবার কুলদীপ যাদব বেশ ভালো বল করেছেন। তাঁকে প্রথমদিকে বলই দেননি মর্গ্যান। স্লো পিচে যাতে ব্যাটসম্যানরা সমস্যায় পড়েন, সেজন্য দ্বিতীয় ভাগে কুলদীপকে আক্রমণে এনেছেন। তিন ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন কুলদীপ। তা সত্ত্বেও ২০ তম ওভারে কুলদীপকে দেওয়ার ভুল করেননি মর্গ্যান। আন্দ্রে রাসেল বাজে বোলিং করলেও ম্যাচ সুপার ওভারে গিয়েছে। চায়নাম্যানকে বল দিলে সেখানেই হয়তো ম্যাচ শেষ হয়ে যেত। শনিবার যে ঘটনা ঘটেছিল চেন্নাই সুপার কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
4/6রবিবার কুলদীপ যাদব বেশ ভালো বল করেছেন। তাঁকে প্রথমদিকে বলই দেননি মর্গ্যান। স্লো পিচে যাতে ব্যাটসম্যানরা সমস্যায় পড়েন, সেজন্য দ্বিতীয় ভাগে কুলদীপকে আক্রমণে এনেছেন। তিন ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন কুলদীপ। তা সত্ত্বেও ২০ তম ওভারে কুলদীপকে দেওয়ার ভুল করেননি মর্গ্যান। আন্দ্রে রাসেল বাজে বোলিং করলেও ম্যাচ সুপার ওভারে গিয়েছে। চায়নাম্যানকে বল দিলে সেখানেই হয়তো ম্যাচ শেষ হয়ে যেত। শনিবার যে ঘটনা ঘটেছিল চেন্নাই সুপার কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
তিন উইকেটের পর বাউন্ডারিতে দুরন্ত ফিল্ডিং করেন লকি ফার্গুসনের। ১৯ তম ওভারের শেষ বলে ডিপ মিড-উইকেটের বাউন্ডারিতে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার কারণে বল বাইরের দিকে ছুড়ে দিয়ে যান। ফিরতি ক্যাচ ধরেন শুভমন গিল। সেটা ছক্কা হলে ম্যাচ ওখানেই বেরিয়ে যেত। সেক্ষেত্রে শেষ ওভারে মাত্র ১১ রান দরকার হত। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
5/6তিন উইকেটের পর বাউন্ডারিতে দুরন্ত ফিল্ডিং করেন লকি ফার্গুসনের। ১৯ তম ওভারের শেষ বলে ডিপ মিড-উইকেটের বাউন্ডারিতে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার কারণে বল বাইরের দিকে ছুড়ে দিয়ে যান। ফিরতি ক্যাচ ধরেন শুভমন গিল। সেটা ছক্কা হলে ম্যাচ ওখানেই বেরিয়ে যেত। সেক্ষেত্রে শেষ ওভারে মাত্র ১১ রান দরকার হত। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
রবিরার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। পরে সুপার ওভারে তিন বলে দু'উইকেট তোলেন। দেন মাত্র দু'রান। তাও সেই পিচে, যেখানে দলের বাকি বোলাররা হাসফাঁস করছিলেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
6/6রবিরার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। পরে সুপার ওভারে তিন বলে দু'উইকেট তোলেন। দেন মাত্র দু'রান। তাও সেই পিচে, যেখানে দলের বাকি বোলাররা হাসফাঁস করছিলেন। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
অন্য গ্যালারিগুলি