HT বাংলা থেকে সেরা খবর পড়ার জন্য ‘অনুমতি’ বিকল্প বেছে নিন
বাংলা নিউজ > ছবিঘর > TCS Fined in USA: মার্কিন মুলুকে জোর ধাক্কা খেল TCS, ১৮০০ কোটি জরিমানা দিতে হতে পারে সংস্থাকে

TCS Fined in USA: মার্কিন মুলুকে জোর ধাক্কা খেল TCS, ১৮০০ কোটি জরিমানা দিতে হতে পারে সংস্থাকে

মার্কিন মুলুকে বেকায়দায় ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টিসিএস। প্রতিযোগী সংস্থার সোর্স কোড অবৈধ ভাবে নিজেদের সফটওয়্যার ফ্ল্যাটফর্ম তৈরির করার অভিযোগে টাটা কনসাল্টেন্সি সার্ভিসেসকে ২১০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা দিতে বলল আমেরিকার একটি আদালত। ভারতীয় মুদ্রায় এই জরিমানার পরিমাণ ১৮০০ কোটি টাকা।

1/5 রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন আইটি কোম্পানি ডিএক্সসি আদালতে টিসিএস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে দাবি করেছিল, টিসিএস ব্যাঙ্কস নামক সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যে সোর্স কোড ব্যবহার করা হয়েছে, তা আদতে তাদের। অবৈধ ভাবে সেটি ব্যবহার করেছে টিসিএস।  
2/5 এই আবহে মার্কিন জুরি টিসিএস-কে নির্দেশ দেয় যাতে তারা ডিএক্সসি-কে ২১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়। এই আবহে টিসিএস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনি ভাবে ব্যবসার গোপনীয় তথ্য় হাতিয়েছে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি।  
3/5 ডিএক্সসি আদালতে দাবি করেছে, টিসিএস নিজেদের সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যে কর্মীদের নিয়োগ করেছিল, তারা কাজটা করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেই সময় টিসিএস কর্মীরা ভ্যান্টেজ সফটওয়্যারটি দেখতে পায়। টিসিএস-এর সফটওয়্যারে যে কাজে তারা সমস্যায় পড়ছিল, তা ভ্যান্টেজে অনায়াসেই হচ্ছিল বলে দাবি করাহ হয়। অভিযোগ, এরপরই  ভ্যান্টেজের সোর্স কোড কপি করে সেটাই ব্যবহার করতে শুরু করেন টিসিএসের কর্মীরা। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রামাণ্য নথি হিসেবে সংশ্লিষ্ট টিসিএস কর্মীদের ইমেল বিবরণও আদালতে জমা দিয়েছে ডিএক্সসি। 
4/5 এদিকে এই রায়ের পর টিসিএস দাবি করেছে, আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তারা কোনও ভাবেই সহমত পোষণ করছেন না। টিসিএস একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতই নেবে। আপাতত এই বিষয়ে উভয় পক্ষকে মতামত দিতে বলা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি এখনও বিচারাধীন তাই এই বিষয়ে এর থেকে বেশি কিছু মন্তব্য করবে না সংস্থা।  
5/5 এদিকে এই নিয় সাম্প্রতিককালে মার্কিন মুলুকে দ্বিতীয়বার ধাক্কা খেল টিসিএস। কয়েকদিন আগেই এপিক সিস্টেমের দায়ের করা এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৪০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়েছিল টিসিএস-কে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সেই রায় দিয়েছিল। সেই মামলায় টিসিএস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, অনুমতি না নিয়েই এপিক সিস্টেমের ওয়েব পোর্টাল অ্যাক্সেস করেছিল টিসিএস।  

আরও ছবি