বাড়ি > ছবিঘর > Teacher’s Day 2020: অমিতাভ থেকে শাহরুখ, রুপোলি পর্দার যে শিক্ষকরা পথ চলতে শেখায়

Teacher’s Day 2020: অমিতাভ থেকে শাহরুখ, রুপোলি পর্দার যে শিক্ষকরা পথ চলতে শেখায়

বড়ো পর্দার সেই সব শিক্ষকদের কুর্নিশ, যাঁদের অনুপ্রেরণা আজও পথ চলতে শেখায় আমাদের।

পৃথিবীতে অজ্ঞানতার অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে জ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালান একজন শিক্ষক । প্রকৃত শিক্ষক তিনিই হতে পারেন যিনি ছাত্রের কাছে হয়ে ওঠেন একাধারে বন্ধু , সত্যের পথ প্রদর্শক আবার অতি বৃদ্ধ দার্শনিকের বেশে জগৎের যাবতীয় প্রাজ্ঞের আধার । আমরা যখন জীবনে হেরে গিয়ে নিজেদের মূল্যবোধের ওপরেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি , তখন তাঁরাই আমাদের শেখান কি করে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, কিভাবে নতুন করে আবার স্বপ্ন দেখতে হয় । এই শিক্ষক দিবসে তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে আমরা হিন্দি ছবির এমন পাঁচজন আইকনিক শিক্ষকের কথা তুলে ধরছি , যাঁদের আদর্শ , অবদান আজীবন হতে পারে আমাদের চলার পথের পাথেয় ।
1/6পৃথিবীতে অজ্ঞানতার অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে জ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালান একজন শিক্ষক । প্রকৃত শিক্ষক তিনিই হতে পারেন যিনি ছাত্রের কাছে হয়ে ওঠেন একাধারে বন্ধু , সত্যের পথ প্রদর্শক আবার অতি বৃদ্ধ দার্শনিকের বেশে জগৎের যাবতীয় প্রাজ্ঞের আধার । আমরা যখন জীবনে হেরে গিয়ে নিজেদের মূল্যবোধের ওপরেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি , তখন তাঁরাই আমাদের শেখান কি করে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, কিভাবে নতুন করে আবার স্বপ্ন দেখতে হয় । এই শিক্ষক দিবসে তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে আমরা হিন্দি ছবির এমন পাঁচজন আইকনিক শিক্ষকের কথা তুলে ধরছি , যাঁদের আদর্শ , অবদান আজীবন হতে পারে আমাদের চলার পথের পাথেয় ।
হিচকি (২০১৯) : ব্র্যাড কোহেনের অটোবায়োগ্রাফি ফ্রন্ট অফ দ্যা ক্লাসের অনুপ্রেরণায় নির্মিত এই ছবিতে টোরেট সিনড্রোমে আক্রান্ত এক শিক্ষিকা ( রানী মুখার্জী ) সমাজের তথাকথিত এলিট সম্প্রদায় থেকে আগত কিছু ছাত্র ছাত্রীকে পড়াতে গিয়ে কিভাবে প্রথমে একাধিক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন । কিন্তু দেখানো হয়েছে কিভাবে নিজের দুর্বলতাকে নিজের সবথেকে বড়ো হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেছিলেন ওই শিক্ষিকা । সমাজের আর্থিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণী থেকে আগত ছাত্রছাত্রীদের সাথে প্রথমে কথা বলতে ,মিশতে অস্বীকার করতেন তাঁর ছাত্রছাত্রীরা । কিন্তু শুধু পাঠ্য পুস্তকে আবদ্ধ না থেকে নিজের হৃদয় দিয়ে তাঁদের সহমর্মিতা ,সহানুভূতির , মূল্যবোধের শিক্ষা দেন তিনি । তাঁর অদম্য জেদ এবং অধ্যাবসায়ের ফলেই একদিন তাঁর ছাত্রীছাত্রীরা আপন অহং , ঔদ্ধত্য পরিত্যাগ করে সহানুভূতিশীল , আত্মবিশ্বাসী , মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠতে পারে ।
2/6হিচকি (২০১৯) : ব্র্যাড কোহেনের অটোবায়োগ্রাফি ফ্রন্ট অফ দ্যা ক্লাসের অনুপ্রেরণায় নির্মিত এই ছবিতে টোরেট সিনড্রোমে আক্রান্ত এক শিক্ষিকা ( রানী মুখার্জী ) সমাজের তথাকথিত এলিট সম্প্রদায় থেকে আগত কিছু ছাত্র ছাত্রীকে পড়াতে গিয়ে কিভাবে প্রথমে একাধিক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন । কিন্তু দেখানো হয়েছে কিভাবে নিজের দুর্বলতাকে নিজের সবথেকে বড়ো হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেছিলেন ওই শিক্ষিকা । সমাজের আর্থিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণী থেকে আগত ছাত্রছাত্রীদের সাথে প্রথমে কথা বলতে ,মিশতে অস্বীকার করতেন তাঁর ছাত্রছাত্রীরা । কিন্তু শুধু পাঠ্য পুস্তকে আবদ্ধ না থেকে নিজের হৃদয় দিয়ে তাঁদের সহমর্মিতা ,সহানুভূতির , মূল্যবোধের শিক্ষা দেন তিনি । তাঁর অদম্য জেদ এবং অধ্যাবসায়ের ফলেই একদিন তাঁর ছাত্রীছাত্রীরা আপন অহং , ঔদ্ধত্য পরিত্যাগ করে সহানুভূতিশীল , আত্মবিশ্বাসী , মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠতে পারে ।
তারে জমিন পর (২০০৭ ) : আমির খানের পরিচালনায় এই ছবিটি দেখে হয়তো চোখের জল ফেলেননি , এমন দর্শক বিরল । ছবির গল্প আবর্তিত হয় ডিস্লেক্সিয়া আক্রান্ত এক শিশু ,ঈশান অবস্তিকে কেন্দ্র করে । স্কুল এবং পড়াশোনা ক্রমশই তার কাছে নরকযন্ত্রণার সামিল হয়ে ওঠে। কিন্তু বাবা মা তা না বুঝে অমনোযোগীতা কাটিয়ে লেখাপড়ার উন্নতির জন্য তাকে নিজেদের থেকে আলাদা করে পাঠিয়ে দেন বোর্ডিং স্কুলে । আর এখানেই আর্টের শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে শিশুটির সংস্পর্শে আসেন আমির খান। নিজের উদ্যম , হার না মানা মনোভাব , স্নেহ দিয়ে তার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া আত্ম বিশ্বাস ফিরিয়ে আনেন তিনি । জীবনের অতল খাদে তলিয়ে যেতে যেতে হাসতেই ভুলে যাওয়া শিশুটি আবার ফিরে আসে জীবনের মূল স্রোতে ।
3/6তারে জমিন পর (২০০৭ ) : আমির খানের পরিচালনায় এই ছবিটি দেখে হয়তো চোখের জল ফেলেননি , এমন দর্শক বিরল । ছবির গল্প আবর্তিত হয় ডিস্লেক্সিয়া আক্রান্ত এক শিশু ,ঈশান অবস্তিকে কেন্দ্র করে । স্কুল এবং পড়াশোনা ক্রমশই তার কাছে নরকযন্ত্রণার সামিল হয়ে ওঠে। কিন্তু বাবা মা তা না বুঝে অমনোযোগীতা কাটিয়ে লেখাপড়ার উন্নতির জন্য তাকে নিজেদের থেকে আলাদা করে পাঠিয়ে দেন বোর্ডিং স্কুলে । আর এখানেই আর্টের শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে শিশুটির সংস্পর্শে আসেন আমির খান। নিজের উদ্যম , হার না মানা মনোভাব , স্নেহ দিয়ে তার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া আত্ম বিশ্বাস ফিরিয়ে আনেন তিনি । জীবনের অতল খাদে তলিয়ে যেতে যেতে হাসতেই ভুলে যাওয়া শিশুটি আবার ফিরে আসে জীবনের মূল স্রোতে ।
মহব্বতেঁ (২০০০) : জীবনে খাঁটি বন্ধুত্ব এবং প্রেমের মাহাত্য বর্ণনা করে এই ছবিতে মিউজিক টিচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন শাহরুখ খান । অমিতাভ বচ্চন পরিচালিত এক বোর্ডিং স্কুলের দায়িত্ব নেন তিনি যেখানে ছাত্রদের উৎফুল্লতা এবং উচ্ছলতার আগরে প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে থাকে অনুশাসন , শৃঙ্খলা এবং নিয়মানুবর্তিতা । কিন্তু নবাগত এই শিক্ষক ছাত্রদের স্বার্থে তাঁদের পাশে দাঁড়ান , প্রয়োজনে নিয়ম ভাঙেন ,কর্তৃপক্ষের হুমকির মুখে পড়েন কিন্তু তবুও তাদের প্রেমে পড়তে সেখান । নিজের জীবনকে , চাকরিকে বাজি রেখে অমিতাভের মুখোমুখি হন এবং শেষে কড়া অধ্যক্ষ্য বিগ বিও মেনে নেন জীবনে মানুষ হতে গেলে শৃঙ্খলা ছাড়াও ভালোবাসার গুরুত্ব কখনোই অস্বীকার কড়া যায় না ।
4/6মহব্বতেঁ (২০০০) : জীবনে খাঁটি বন্ধুত্ব এবং প্রেমের মাহাত্য বর্ণনা করে এই ছবিতে মিউজিক টিচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন শাহরুখ খান । অমিতাভ বচ্চন পরিচালিত এক বোর্ডিং স্কুলের দায়িত্ব নেন তিনি যেখানে ছাত্রদের উৎফুল্লতা এবং উচ্ছলতার আগরে প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে থাকে অনুশাসন , শৃঙ্খলা এবং নিয়মানুবর্তিতা । কিন্তু নবাগত এই শিক্ষক ছাত্রদের স্বার্থে তাঁদের পাশে দাঁড়ান , প্রয়োজনে নিয়ম ভাঙেন ,কর্তৃপক্ষের হুমকির মুখে পড়েন কিন্তু তবুও তাদের প্রেমে পড়তে সেখান । নিজের জীবনকে , চাকরিকে বাজি রেখে অমিতাভের মুখোমুখি হন এবং শেষে কড়া অধ্যক্ষ্য বিগ বিও মেনে নেন জীবনে মানুষ হতে গেলে শৃঙ্খলা ছাড়াও ভালোবাসার গুরুত্ব কখনোই অস্বীকার কড়া যায় না ।
ব্ল্যাক ( ২০০৫ ) : হেলেন কেলারের আত্মজীবনীর অনুপ্রেণায় নির্মিত এই ছবিতে দেখানো হয়েছে পরিবার হাল ছেড়ে দেওয়ার পরেও কিভাবে মূক এবং দৃষ্টি হীন এক ছাত্রীকে ( রানী মুখার্জী ) নিজের জেদ এবং হার না মানা উদ্যমের জোরে আবার সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনেছিলেন তাঁর শিক্ষক ( অমিতাভ বচ্চন ) । পরবর্তীকালে ওই শিক্ষক নিজে আলজাইমার্স রোগে আক্রান্ত হলে , জীবন সায়াহ্নে এসে তাঁর হাত ধরে ছিলেন তাঁরই এককালীন ছাত্র ছাত্রীরা ।
5/6ব্ল্যাক ( ২০০৫ ) : হেলেন কেলারের আত্মজীবনীর অনুপ্রেণায় নির্মিত এই ছবিতে দেখানো হয়েছে পরিবার হাল ছেড়ে দেওয়ার পরেও কিভাবে মূক এবং দৃষ্টি হীন এক ছাত্রীকে ( রানী মুখার্জী ) নিজের জেদ এবং হার না মানা উদ্যমের জোরে আবার সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনেছিলেন তাঁর শিক্ষক ( অমিতাভ বচ্চন ) । পরবর্তীকালে ওই শিক্ষক নিজে আলজাইমার্স রোগে আক্রান্ত হলে , জীবন সায়াহ্নে এসে তাঁর হাত ধরে ছিলেন তাঁরই এককালীন ছাত্র ছাত্রীরা ।
সুপার ৩০ (২০১৯ ) : গণিতবিদ আনন্দ কুমারের বায়োপিক এই ছবি দেখিয়েছে কিভাবে তথাকথিত বিত্তবান ছাত্রছাত্রী পরিবেষ্টিত কোচিং সেন্টারের চাকরি ছেড়ে দিয়ে , নিজের প্রজ্ঞার জোরে সমাজের পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের সঠিক পথে শিক্ষা দিয়ে আই আই টির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এক গণিত শিক্ষক ( হৃত্বিক রোশন ) । অদম্য জেদ আর জেতার তাগিদ থাকলে যেকোনো লড়াই অতিক্রম করা যায় , সেই শিক্ষাই দেয় এই ছবি ।
6/6সুপার ৩০ (২০১৯ ) : গণিতবিদ আনন্দ কুমারের বায়োপিক এই ছবি দেখিয়েছে কিভাবে তথাকথিত বিত্তবান ছাত্রছাত্রী পরিবেষ্টিত কোচিং সেন্টারের চাকরি ছেড়ে দিয়ে , নিজের প্রজ্ঞার জোরে সমাজের পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের সঠিক পথে শিক্ষা দিয়ে আই আই টির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এক গণিত শিক্ষক ( হৃত্বিক রোশন ) । অদম্য জেদ আর জেতার তাগিদ থাকলে যেকোনো লড়াই অতিক্রম করা যায় , সেই শিক্ষাই দেয় এই ছবি ।
অন্য গ্যালারিগুলি