বাংলা নিউজ > ছবিঘর > 'আমি কাজ করেছি, নিজেদের নাম বসিয়েছে গদ্দাররা', নাম না করে অধিকারীদের তোপ মমতার

'আমি কাজ করেছি, নিজেদের নাম বসিয়েছে গদ্দাররা', নাম না করে অধিকারীদের তোপ মমতার

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম অধিকারী - আপাতত সেই দ্বৈরথেরই সাক্ষী থাকছে পূর্ব মেদিনীপুর। রবিবার যখন এগরায় অমিত শাহের সভা থেকে ভাষণ দিচ্ছেন শিশির অধিকারী, সেই সময় অধিকারী পরিবারকে একের পর এক আক্রমণ শানালেন মমতা। কী কী বললেন তিনি, জেনে নিন -
রবিবার বেলায় দক্ষিণ কাঁথিতে সভা করেন মমতা। (ছবি সৌজন্য ভিডিয়ো)
1/5রবিবার বেলায় দক্ষিণ কাঁথিতে সভা করেন মমতা। (ছবি সৌজন্য ভিডিয়ো)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : নির্বাচনের সময় দেখবেন, কাউকে ৫০০ টাকা, কাউকে ১,০০০ টাকা দিচ্ছে। গদ্দারদের অনেক টাকা তো। করে খেয়েছে, আমি বুঝতে পারিনি। আমি একটা বড় গাধা জানেন তো। আমি নিজে নিজেকে গাধা বলছি, কারণ আমি বুঝতে পারিনি যে এঁদের এত গুণ। লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ - ওঁদের এত গুণ আমি জানতাম না। এত টাকা করেছে যে সেই টাকা বাঁচানোর জন্য পালিয়েছে। জ্যোতির্ময়দা বলছেন, ৫,০০০ কোটি টাকা। কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক-সহ অনেক সমবায় ব্যাঙ্ক আছে। আমি জানি না, আসলে কত কোটি টাকা করেছে। এরা এখন হাজার-হাজার কোটি টাকার মালিক। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
2/5মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : নির্বাচনের সময় দেখবেন, কাউকে ৫০০ টাকা, কাউকে ১,০০০ টাকা দিচ্ছে। গদ্দারদের অনেক টাকা তো। করে খেয়েছে, আমি বুঝতে পারিনি। আমি একটা বড় গাধা জানেন তো। আমি নিজে নিজেকে গাধা বলছি, কারণ আমি বুঝতে পারিনি যে এঁদের এত গুণ। লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ - ওঁদের এত গুণ আমি জানতাম না। এত টাকা করেছে যে সেই টাকা বাঁচানোর জন্য পালিয়েছে। জ্যোতির্ময়দা বলছেন, ৫,০০০ কোটি টাকা। কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক-সহ অনেক সমবায় ব্যাঙ্ক আছে। আমি জানি না, আসলে কত কোটি টাকা করেছে। এরা এখন হাজার-হাজার কোটি টাকার মালিক। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : যাঁরা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, রাতে কানে-কানে কথা বলেন, দিনে চুমু খান, তাঁদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখি না। তারা গেল, আর এল, আমার কোনও যায় আসে না। একসময় অনেক সম্মান করতাম। অনেক ভালোবাসতাম। আমি নিজে মা তারার একটা ছবি এঁকে দিয়ে এসেছিলাম বাড়িতে। আর সেই গদ্দার, মিরজফর, বিশ্বাসঘাতকের দল বিজেপিকে হাত ধরে নিয়ে এসেছে। আর বলচে, ২০১৪ সাল থেকে আমাদের সম্পর্ক ছিল। তার মানে ঘরে ঢুকে সিঁধ কেটেছে। এঁদের থেকে বড় গদ্দার আর কেউ হতে পারে না। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
3/5মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : যাঁরা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, রাতে কানে-কানে কথা বলেন, দিনে চুমু খান, তাঁদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখি না। তারা গেল, আর এল, আমার কোনও যায় আসে না। একসময় অনেক সম্মান করতাম। অনেক ভালোবাসতাম। আমি নিজে মা তারার একটা ছবি এঁকে দিয়ে এসেছিলাম বাড়িতে। আর সেই গদ্দার, মিরজফর, বিশ্বাসঘাতকের দল বিজেপিকে হাত ধরে নিয়ে এসেছে। আর বলচে, ২০১৪ সাল থেকে আমাদের সম্পর্ক ছিল। তার মানে ঘরে ঢুকে সিঁধ কেটেছে। এঁদের থেকে বড় গদ্দার আর কেউ হতে পারে না। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : আগে আমায় কাঁথিতে সভা করতে দেওয়া হত না। এগরায় সভা করতে দেওয়া হত না। আমায় পটাশপুরে সভা করতে দেওয়া হত না। আর এগুলি একজনের জমিদারি ছিল। জমিদারি রাজা, যা বলবে, তাই হবে, এরমক একটা ছিল। আমি একটা সময় দেখেছি, পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। নির্বেদ রায়কে পছন্দ নয়, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিধায়ক সুদর্শন ঘোষদস্তিদার এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি।…যাঁরা ওঁদের কথা শুনবে, তাঁরাই থাকবে। যাঁরা শুনবে না, তাঁরা থাকবে। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
4/5মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : আগে আমায় কাঁথিতে সভা করতে দেওয়া হত না। এগরায় সভা করতে দেওয়া হত না। আমায় পটাশপুরে সভা করতে দেওয়া হত না। আর এগুলি একজনের জমিদারি ছিল। জমিদারি রাজা, যা বলবে, তাই হবে, এরমক একটা ছিল। আমি একটা সময় দেখেছি, পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। নির্বেদ রায়কে পছন্দ নয়, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিধায়ক সুদর্শন ঘোষদস্তিদার এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি।…যাঁরা ওঁদের কথা শুনবে, তাঁরাই থাকবে। যাঁরা শুনবে না, তাঁরা থাকবে। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : (কাঁথি দক্ষিণ এলাকায়) গত ১০ বছরে যে কাজ হয়েছে, তা তৃণমূল সরকার করেছে। কাজটা আমি করেছি। বোর্ডে নিজেদের নাম লাগিয়ে দিয়েছেন।.. এঁদের এত সাহস জানেন, আমি দিঘা গেটের উদ্বোধন করলাম, আর আমার নামটা বাদ দিয়ে দিল। নিজেদের নাম দিয়ে চলে এল। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
5/5মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : (কাঁথি দক্ষিণ এলাকায়) গত ১০ বছরে যে কাজ হয়েছে, তা তৃণমূল সরকার করেছে। কাজটা আমি করেছি। বোর্ডে নিজেদের নাম লাগিয়ে দিয়েছেন।.. এঁদের এত সাহস জানেন, আমি দিঘা গেটের উদ্বোধন করলাম, আর আমার নামটা বাদ দিয়ে দিল। নিজেদের নাম দিয়ে চলে এল। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
অন্য গ্যালারিগুলি