বাংলা নিউজ > ময়দান > স্বস্তির পরিসংখ্যান, ১৯৮৭'র পর ঘরের মাঠে ভারত টেস্টে ২৭৫-এর বেশি লিড নিয়ে হারেনি
ভারত কি কানপুর টেস্টে জিততে পারবে? ছবি: এএনআই

স্বস্তির পরিসংখ্যান, ১৯৮৭'র পর ঘরের মাঠে ভারত টেস্টে ২৭৫-এর বেশি লিড নিয়ে হারেনি

  • ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে দিল্লি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য রেখেছিল ভারত। আর সেই লক্ষ্য তাড়া করে ৫ উইকেটে টেস্ট জিতে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই টেস্টে শেষ বার হেরেছিল ভারত। এর পর থেকে ভারত কখনও ২৭৫ রানের বেশি লিড নিয়ে দেশের মাটিতে টেস্টে হারেনি।

কানপুর টেস্ট জিততে হলে নিউজিল্যান্ডকে সোমবার আরও ২৮০ রান করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের লক্ষ্য থাকবে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সোমবার সকালেই নিউজিল্যান্ডের উইকেট তুল নেওয়া। এই পরিস্থিতিতে ভারতকে স্বস্তি দেবে একটি পরিসংখ্যান। ১৯৮৭ সালের পরের থেকে টেস্ট ক্রিকেটে ভারত কখনও ২৭৫-এর বেশি রানের লিড নিয়ে দেশের মাটিতে অন্তত কোনও প্রতিপক্ষের কাছেই হারেনি।

১৯৮৭ সালের নভেম্বরে দিল্লি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য রেখেছিল ভারত। আর সেই লক্ষ্য তাড়া করে ৫ উইকেটে টেস্ট জিতে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই টেস্টে শেষ বার হেরেছিল ভারত। এর পর থেকে ভারত কখনও ২৭৫ রানের বেশি লিড নিয়ে দেশের মাটিতে টেস্টে হারেনি। যে কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের এই লিড স্বস্তি দিচ্ছে রবিচন্দ্রন অশ্বিনদের।

চতুর্থ দিন শ্রেয়স আইয়ারের ৬৫ এবং ঋদ্ধিমান সাহার অপরাজিত ৬১ রানের উপর ভর করে ভারত ৭ উইকেটে ২৩৪ রান করে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে। এ ছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৩২ এবং অক্ষর প্যাটেল অপরাজিত ২৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। সব মিলিয়ে ভারত ২৮৩ রানের লিড নেয় ভারত। 

নিউজিল্যান্ড ২৮৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বড় ধাক্কা খায়। ৩ রানের মাথায় উইল ইয়াংকে এলবিডব্লিউ করেন অশ্বিন। যদিও এই আউট নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আদৌ এটি এলবিডব্লিউ ছিল কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আউটের জন্য অশ্বিন অ্য়াপিল করেন। ফিল্ড আম্পায়ার আউটও দিয়ে দেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, সেটা আউট ছিল না। তবে রিভিউ নিতে দেরী করায় আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় উইল ইয়াংকে। চতুর্থ দিনের শেষে  ৪ ওভারে ৪ রানে ১ উইকেট নিউজিল্যান্ডের। সোমবার গোটা দিনটা হাতে পাবে নিউজিল্যান্ড। তাদের করতে হবে আরও ২৮০ রান।

বন্ধ করুন