বাংলা নিউজ > ময়দান > 100 Hours 100 Stars: ছাত্রদের হারিয়ে ট্রফি জেতার যন্ত্রণা থেকেই খেলা ছেড়েছিলেন গোপীচাঁদ
100 Hours 100 Stars-এ পুল্লেলা গোপীচাঁদ।
100 Hours 100 Stars-এ পুল্লেলা গোপীচাঁদ।

100 Hours 100 Stars: ছাত্রদের হারিয়ে ট্রফি জেতার যন্ত্রণা থেকেই খেলা ছেড়েছিলেন গোপীচাঁদ

  • খেলোয়াড় জীবনই সব থেকে সুন্দর হয়, মত দ্রোনাচার্যের।

২০০১ সালে ঐতিহ্যশালী অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব ঘরে তোলেন। ২০০৪ সালে জেতেন এশিয়ান স্যাটেলাইট ইভেন্ট। তার পর হঠাৎই খেলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন পুল্লেলা গোপীচাঁদ। আরও কিছুদিন অনায়াসে খেলা চালিয়ে যেতে পারতেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাডমিন্টন তারকা। তাহলে কেন সময়ের আগেই দাঁড়ি টেনে দিলেন নিজের কেরিয়ারে?

উত্তরটা জানালেন গুরু গোপী নিজেই। ফিভার নেটওয়ার্কের #100Hours100Stars-এর শোয়ে গোপীচাঁদ জানান, ছাত্রদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামায় সায় দেয়নি মন। তাই খেলাকে বিদায় জানিয়ে কোচিংকেই আঁকড়ে ধরেন। 

আসলে খেলা চালাতে চালাতেই গোপীচাঁদ কোচিং শুরু করেছিলেন। তাই তাঁকে কোর্টে নামতে হয়েছিল নিজের ছাত্রদের বিরুদ্ধেই। কোচ হিসেবে যাঁদের হাতে ট্রফি দেখতে চান, খেলোয়াড় হিসেবে তাঁদের হাত থেকে ট্রফি কেড়ে নেওয়া যন্ত্রণার মনে হয়েছে গোপীর।

গোপীচাঁদ বলেন, ‘২০০২ সালে আমি ডান হাঁটুতে চোট পাই। ডান পায়ের উপর চাপ পড়ছিল বলেই একাধিক চিড় ধরা পড়েছিল। ফলে অস্ত্রোপচার করতে হয় হাঁটুতে। তার পর থেকেই খেলার থেকে বেশি কোচিংয়ের দিকে নজর দিই। ২০০৩-০৪ সালে কোর্টে নামতাম। ২০০৪ সালে আমি এশিয়ান স্যাটেলাইট ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে হারাই যাদেরকে ইতিমধ্যেই কোচিং করাতাম। বুঝে উঠতে পারিনি যে, আমি ছাত্রদের হারাতে চাইছিলাম, নাকি ছাত্ররা কোচের কাছে হারতে চাইছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘মনের মধ্যে একই সঙ্গে সংশয় আর আবেগ কাজ করছিল। সেইদিনই ঠিক করেছিলাম যে, আর কখনও কোর্টে নামব না, বিশেষ করে ছাত্রদের বিরুদ্ধে। এই কারণেই আমি সময়ের আগেই আমার খেলোয়াড় জীবনে দাঁড়ি টানার সিদ্ধান্ত নিই এবং কোচিং কেরিয়ারে মনোসংযোগ করি। তবে এটা ঠিক যে খেলোয়াড় জীবনটাই সব থেকে সুন্দর। খেলোয়াড় জীবনে একটা লক্ষ্য থাকে সবসময়। খুব সহজ সরল জীবন হয় খেলোয়াড়দের। যদিও জেতা-হারার মাঝে আবেগ কাজ করে সবসময়।’

বন্ধ করুন