বাংলা নিউজ > ময়দান > ৩ বছর পরে লাল বলের ম্যাচ খেললেন! টেস্টে অভিষেক করার আগে কীভাবে নিজেকে তৈরি করলেন শ্রেয়স
অভিষেক টেস্টে শতরান করার পরে শ্রেয়স আইয়ার (ছবি:বিসিসিআই)

৩ বছর পরে লাল বলের ম্যাচ খেললেন! টেস্টে অভিষেক করার আগে কীভাবে নিজেকে তৈরি করলেন শ্রেয়স

  • ২৬ বছর বয়সী মুম্বইয়ের ব্যাটারের কানপুর টেস্টে অভিষেক হয়েছিল এমন একটা সময় যখন কেএল রাহুলের চোট, বিরাট কোহলিকে প্রথম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল এবং রোহিত শর্মাও দলে নেই। শ্রেয়স তার সুযোগকে কাজে লাগান, টেস্ট অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেন। 

টিম ইন্ডিয়ার মিডল-অর্ডার ব্যাটার শ্রেয়স আইয়ার স্বীকার করেছেন যে কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক করা একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ তিনি প্রায় তিন বছর আগে শেষ লাল-বলের ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেছিলেন যে তিনি টেস্ট স্তরে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন। ২৬ বছর বয়সী মুম্বইয়ের ব্যাটারের কানপুর টেস্টে অভিষেক হয়েছিল এমন একটা সময় যখন কেএল রাহুলের চোট, বিরাট কোহলিকে প্রথম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল এবং রোহিত শর্মাও দলে নেই। শ্রেয়স তার সুযোগকে কাজে লাগান, টেস্ট অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেন। ১৬তম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে নিজের নাম লেখান যারা টেস্টের অভিষেকেই শতরান করেছেন। 

দ্বিতীয় দিনের খেলার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে, শ্রেয়স বলেন তিনি অভিষেক করতে চলেছেন জানতে পেরে টেস্ট ফর্ম্যাটের জন্য তার মানসিকতা ঠিক করার কাজ শুরু করেছিলেন। ডানহাতি ব্যাটার বলেন, ‘যখন আমি কানপুরে এসেছিলাম তখনও আমি জানতাম না যে আমি খেলব। কিন্তু রাহুল (দ্রাবিড়) স্যার এবং অধিনায়ক আমার কাছে এসে বললেন যে আমি খেলব। হঠাৎ লাল বলের ক্রিকেটের মানসিকতায় ঢুকে পড়লাম। শেষ লাল বলের ম্যাচটি আমি খেলেছিলাম প্রায় তিন বছর আগে, যেটি ছিল ইরানি ট্রফি।’

এরপরে শ্রেয়স জানান, ‘কিন্তু আমি এটিকে একটি সুযোগ এবং একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছিলাম। একবার আপনি এতদিন ধরে সাদা বলের ক্রিকেট খেলে এবং তারপরে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে গেলে, সেই মানসিকতাটি সেট করতে থাকি। কীভাবে খেলব তা ভাবতে থাকি। আমি নিজেকে পরিবর্তন করি এবং আমি এটির দিকে মনোনিবেশ করে।’

শ্রেয়স বলেন তিনি কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকরের কাছ থেকে তার টেস্ট ক্যাপ পাওয়ার আশা করেননি, ভেবেছিলেন রাহুল দ্রাবিড় তাকে এটি দেবেন। তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে এটি একটি রূপকথার গল্পের মতো ছিল। আমি কখনই ভাবিনি যে আমি সুনীল স্যারের কাছ থেকে ক্যাপটি পাব। আমি স্পষ্টতই ভেবেছিলাম যে রাহুল স্যার আমাকে এটি দেবেন। তবে, দুজনই খেলার কিংবদন্তি এবং তাদের মধ্যে কেউ যদি আমাকে ক্যাপ দিতেন, আমি খুশি হতাম। এটি একটি দুর্দান্ত অনুভূতি এবং যেভাবে সবকিছু তৈরি হয়েছে, আমি সত্যিই খুশি ছিলাম কিন্তু যেভাবে আউট হয়েছি তাতে সন্তুষ্ট নই।’

বন্ধ করুন