বাংলা নিউজ > ময়দান > ICC Hall of Fame-এ জায়গা পেলেন আব্দুল কাদির, চন্দ্রপল এবং শার্লট এডওয়ার্ডস

ICC Hall of Fame-এ জায়গা পেলেন আব্দুল কাদির, চন্দ্রপল এবং শার্লট এডওয়ার্ডস

‘আইসিসি হল অফ ফেম’-এ জায়গা পেল ইংল্যান্ড শার্লট এডওয়ার্ডস, পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার আব্দুল কাদির এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কিংবদন্তি শিবনারায়ণ চন্দ্রপল।

বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা মঙ্গলবার বলেছে, আব্দুল কাদির, চন্দ্রপল এবং শার্লট এডওয়ার্ডসকে একটি ভোটিং প্রক্রিয়ার পরে আইসিসি-র হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে ছিলেন ইতিমধ্যেই যারা হল অফ ফেমে জায়গা করে তাঁরা, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং ফিকা (FICA) ও আইসিসি-র (ICC) সিনিয়র এক্সিকিউটিভরা।

পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার আব্দুল কাদির, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কিংবদন্তি শিবনারায়ণ চন্দ্রপল এবং ইংল্যান্ড মহিলা দলের অধিনায়ক শার্লট এডওয়ার্ডসকে ‘আইসিসি হল অফ ফেম’-এর নতুন সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা মঙ্গলবার বলেছে, এই তিন ক্রিকেটারকে একটি ভোটিং প্রক্রিয়ার পরে আইসিসি-র হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে ছিলেন ইতিমধ্যেই যারা হল অফ ফেমে জায়গা করে তাঁরা, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং ফিকা (FICA) ও আইসিসি-র (ICC) সিনিয়র এক্সিকিউটিভরা।

আব্দুল কাদিরের ছেলে উসমান কাদির বলেছেন, ‘এই খবরটি পরিবারের জন্য খুবই গর্বের বিষয়, আমরা এটি বিশাল প্রাপ্তি হিসেবে দেখছি, এবং আমার বাবা যদি আজও আমাদের সঙ্গে থাকতেন, তা হলে খুব গর্বিত হতেন।’ প্রসঙ্গত সব মিলিয়ে এখন এই তালিকায় ১০৯জনের নাম রয়েছে। ৮ নভেম্বর তিন ক্রিকেটারের নাম হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হল অফ ফেম ক্রিকেটারদের স্থান যথাক্রমে ১০৭, ১০৮ এবং ১০৯তম।

আরও পড়ুন: কোহলি-সূর্যকে নিয়েই সবচেয়ে চাপে ইংল্যান্ড শিবির- বুঝিয়ে দিলেন স্টোকস

আব্দুল কাদির, যিনি তিন বছর আগে মারা গিয়েছেন, তিনি ৬৭টি টেস্ট এবং ১০৪টি ওয়ানডে খেলেছেন এবং তার ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে যথাক্রমে ২৩৬ এবং ১৩২টি উইকেট নিয়েছিলেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি পাকিস্তানের মুস্তাক আহমেদ, দানিশ কানেরিয়া এবং শহিদ আফ্রিদির পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহিরের মেন্টর ছিলেন।

সর্বকালের টেস্ট রানের তালিকায় অষ্টম স্থানটি চন্দ্রপলের। টানা টেস্ট ইনিংসে সাতটি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে তাঁর। ১৬৪টি টেস্ট এবং ২৬৮টি ওয়ানডে ম্যাচের অভিজ্ঞ এই প্রবীণ বলেছেন, ‘আমি পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট ভক্ত এবং বিশ্ব জুড়ে আমার ভক্তদের সঙ্গে মুহূর্তটি উপভোগ করতে চাই, যাঁরা আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমাকে আবেগের সঙ্গে সমর্থন করেছেন।’

আরও পড়ুন: IND-NZ ফাইনাল হবে- এবি-র ভবিষ্যদ্বাণীর পরেও পরিসংখ্যান চিন্তায় ফেলেছে ভারতকে

দুই দশকের ক্যারিয়ারে, এডওয়ার্ডস ২০০৯ সালে মহিলা বিশ্বকাপ এবং একই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। ২০১৬ সালে ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টি উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থানীয় মহিলা রান-স্কোরার থাকার সময়েই অবসর নিয়েছিলেন তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রতিটি মিনিটকে ভালোবাসি এবং আইসিসি হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

আইসিসি হল অফ ফেম সেই সমস্ত খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়, যারা অবসর নিয়েছেন এবং ক্রিকেট বিশ্বে যাঁরা সাড়া ফেলে দিয়ে থাকেন। এই তিন ব্যক্তি খেলাধূলায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের মাধ্যমে একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার রেখে গিয়েছেন। বুধবার ৯ নভেম্বর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ২০২২ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে একটি বিশেষ উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে তিন তারকাকে সম্মানিত করা হবে।

বন্ধ করুন