বাংলা নিউজ > ময়দান > আশা করেছিলাম সুযোগ পাব, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারতীয় দলে জায়গা না পেয়ে মুখ খুললেন বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরন
ভারতীয় ‘এ’ দলের জার্সি গায়ে অভিমন্যু ঈশ্বরন। ছবি- গেটি ইমেজেস।

আশা করেছিলাম সুযোগ পাব, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারতীয় দলে জায়গা না পেয়ে মুখ খুললেন বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরন

  • প্রোটিয়াভূমে ভারতীয় ‘এ’ দলের প্রথম বেসরকারি টেস্টের প্রথম ইনিংসেই শতরান করেছিলেন ঈশ্বরন।

ভারতীয় দলের দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছে প্রথম টেস্টের জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। আর মাত্র চার দিন পরেই প্রথম টেস্টে মাঠে নেমে পড়বে টিম ইন্ডিয়া। তবে দলে রোহিত শর্মা চোট পাওয়ায় প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল প্রথমবার সুযোগ পাওয়ায় খানিকটা হলেও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। বিশেষত যেহেতু গত সফরে ভারতীয় দলে পাঞ্চাল নন, ছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরন।

ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড সফরে প্রথমে স্ট্যান্ড বাই এবং পরে পাকাপাকিভাবে দলে করে নিয়েছিলেন বাংলার ঈশ্বরন। তারপর একেবারে সদ্য ভারতীয় ‘এ’ দলের প্রোটিয়া সফরে একমাত্র ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রথম বেসরকারি টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতরান করেছিলেন তিনি। এরপরে সকলেই ভাবছিলেন ঈশ্বরনই রোহিত আহত হওয়ায় ভারতীয় দলে সুযোগ পাবেন। আশায় ছিলেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার নিজেও। তবে তাঁর আশা ভঙ্গ হয়। ঈশ্বরনের বদলে ভারতীয় দলে ডাক পান গুজরাতে প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল। সেই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বেশ হতবাকও হন।

তবে মন ভাঙলেও নিজের মানসিকতা দৃঢ় এবং লক্ষ্যে অটল ঈশ্বরন। সম্প্রতি Sportskeeda-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এবারেও আশা করেছিলাম সুযোগ পাব। যখনইদল ঘোষণা করা হয়, তখনই নিজের নাম সেখানে থাকবে, এই আশাটা সবসময়ই থাকে। তবে একান্তই তা না হলে আরও বেশি কসরত করে আরও রান করাটাই শ্রেষ্ঠ পন্থা। খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচন আমাদের হাতে নেই। সেটা টিম ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচকদের কাজ। আমার কাজ সবসময় নিজেকে উন্নত করা এবং প্রতি ম্যাচে দলের হয়ে সেরাটা দিয়ে দলকে জিততে সাহায্য করা। নিজের কাজের ওপর ফোকাস থাকলে সেটা ব্যাপারটাকে সহজ করে দেয় এবং আমার জন্যই এটাই কাজে দিয়েছে।’

দেশের হয়ে যে কোনো স্তরেই শতরান করা এক বিশেষ অনুভূতি। অভিমন্যুও নিঃসন্দেহে রামধনুর দেশে ‘এ’ দলের হয়ে শতরান করে পরিতৃপ্ত। তবে তিনি যে সেই নিয়ে না ভেবে পরক্ষণেই খেলায় মনোনিবেশ করতে আগ্রহী ছিলেন, সেকথাও সাফ জানিয়ে দেন। ‘শতরান করা এমনিই এক দারুণ অনুভূতি এবং সেটা যদি দেশের হয়ে হয়, তা যে কোনো স্তরেই হোক না কেন, তার অনুভূতি অনন্য। দক্ষিণ আফ্রিকায় শতরান করাটা অবশ্যই স্পেশাল। আমার লোকে কী ভাবল, তাতে যায় আসেনা। আমি শতরান করি,সেটাকে সেলিব্রেটও করি, মুহূর্তটা আমার কাছে খুবই তৃপ্তিদায়ক ছিল। তবে তার পরের বলেই আবার নিজের কাজের দিকে মনযোগ দিই।’ দাবি ঈশ্বরনের।

বন্ধ করুন