বাংলা নিউজ > ময়দান > ভারতকে বিপদ থেকে রক্ষা করলেন, স্মৃতির রেকর্ড ভেঙে অভিষেকের তারকা আমানজোৎ

ভারতকে বিপদ থেকে রক্ষা করলেন, স্মৃতির রেকর্ড ভেঙে অভিষেকের তারকা আমানজোৎ

অভিষেকেই ম্যাচের সেরা হন আমানজোৎ কাউর।

২০০৬ সালে ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর থেকে টিম ইন্ডিয়ার মহিলা ক্রিকেটারদের মধ্যে অভিষেকে সর্বোচ্চ রান করলেন আমানজোৎ। এর আগে এই নজির ছিল স্মৃতি মন্ধানার। যিনি ৩৯ রান করেছিলেন। এ ছাড়া জেমিমা রডরিগেজ করেন ৩৭ রান। তবে আমানজোৎ এ দিন সকলকে ছাপিয়ে যান।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম্যাচে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল টিম ইন্ডিয়ার মেয়েরা। আমানজোৎ কাউর এবং দীপ্তি শর্মার সৌজন্যে প্রথম ম্যাচে তারা প্রোটিয়া বাহিনীকে ২৭ রানে হারাল ভারতে। সেই সঙ্গে অভিষেকেই নয়া নজির গড়ে ফেললেন আমানজোৎ। এ দিন তিনি ভারতের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে ৩০ বলে ৪১ করে অপরাজিত থাকেন। সেই সঙ্গে ভারতকে লড়াই করার মতো স্কোর করতে সাহায্য করেন। পাশাপাশি স্মৃতি মন্ধানার রেকর্ড ভেঙে গড়ে ফেলেন নয়া নজিরও।

২০০৬ সালে ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর থেকে টিম ইন্ডিয়ার মহিলা ক্রিকেটারদের মধ্যে অভিষেকে সর্বোচ্চ রান করলেন আমানজোৎ। এর আগে এই নজির ছিল স্মৃতি মন্ধানার। যিনি ৩৯ রান করেছিলেন। এ ছাড়া জেমিমা রডরিগেজ করেন ৩৭ রান। তবে আমানজোৎ এ দিন সকলকে ছাপিয়ে যান।

আরও পড়ুন: ভিডিয়ো- ভারতের ৫০তম ODI কেন্দ্র হতে চলেছে রায়পুর, রোহিতদের দেখতে চোখে পড়ার মত উদ্দীপনা

টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরুটা টিম ইন্ডিয়ার মোটেও ভালো হয়নি। দলের ১৪ রানের মাথায় আউট হন স্মৃতি মন্ধানা (৭ বলে ৭)। যা ভারতের কাছে বড় ধাক্কা ছিল। এর পর হার্লিন দেওয়াল ৯ বলে ৮ করে রানআউট হন। পরিবর্তে নামা জেমিমা রডরিগেজ তো প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। ৩৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে থাকে ভারত। দলের হাল কিছুটা ধরার চেষ্টা করেছিলেন যস্তিকা ভাটিয়া। ৩৪ বলে ৩৫ করে তিনিও আউট হয়ে যান। দেবীকা বৈদ্য আবার ১৬ বলে ৯ করে আউট হন।

আরও পড়ুন: এটা করা ঠিক নয়, এটা ক্রিকেট নয়- ইশানের ওপর খচে লাল গাভাসকর

৬৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারত তখন মারাত্মক চাপে। সেই সময়ে দলের হাল ধরেন দীপ্তি শর্মা এবং আমনজোৎ কাউর। ২৩ বলে ৩৩ করেন দীপ্তি। ৩০ বলে ৪১ করে অপরাজিত থাকেন আমানজোৎ। অভিষেকেই চমতে দেন আমানজোৎ। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই তারকা ৭৬ রান যোগ করেন। যার সুবাদেই ভারতের স্কোর ৬ উইকেটে ১৪৭ রানে পৌঁছয়। তা না হলে খারাপ পরিস্থিতিতে পড়তে হত টিম ইন্ডিয়াকে। দক্ষিণ আফ্রিকার ননকুলুলেকো ম্লাবা ২ উইকেট নিয়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটাও ভালো হয়নি। তারা শুরু থেকেই নির্দিষ্ট ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। ভারতীয় বোলারদের দাপটে ৬৪ রানে তারা ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল। প্রোটিয়াদের হয়ে মারিজানে ক্যাপ ২২ বলে ২২ রান করেন। সুনে লুস ৩০ বলে ২৯ করেন। ২০ বলে ২৬ করেন ক্লো ট্রায়ন। বাকিদের অবস্থা তথৈবচ। নির্দিষ্ট ২০ ওভারে ৯ উইকেট হরিয়ে ১২০ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ভারতের দীপ্তি শর্মা ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২ উইকেট নিয়েছেন দেবীকা বৈদ্য। ২৭ রানে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। ম্যাচের সেরা হন আমানজোৎ।

বন্ধ করুন