বাংলা নিউজ > ময়দান > চোট না পেলে সিডনি টেস্টের ফলাফল অন্য হতে পারত, মনে করেন বিহারী
ম্যাচের শেষে অশ্বিন-বিহারী (AP)
ম্যাচের শেষে অশ্বিন-বিহারী (AP)

চোট না পেলে সিডনি টেস্টের ফলাফল অন্য হতে পারত, মনে করেন বিহারী

  • কীভাবে চোট নিয়ে দুইজনে ব্যাটিং করলেন, সেই কথা জানালেন অশ্বিন-বিহারী

সিডনি টেস্টের পঞ্চম দিনে রূপকথার লড়াই লড়েছে ভারত। মিচেল স্টার্ক,জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স,নাথান লিঁয় সমৃদ্ধ বিশ্বশ্রেষ্ঠ বোলিং অ্যাটাকের বিরুদ্ধে অনবদ্য লড়াই লড়েছেন পূজারা,পন্থ,অশ্বিন,হনুমা বিহারীরা। শেষ ইনিংসে ভারতের ব্যাটসম্যানরা টেস্ট বাচাতে ১৩১ ওভার ধরে টানা লড়াই চালিয়েছেন। পিঠে ব্যথা হোক কিংবা পায়ে সবকিছুকেই এক লহমায় অবজ্ঞা করে হনুমা বিহারী, রবিচন্দ্রন অশ্বিন লড়াইয়ের এক অনবদ্য নজির গড়েছেন।

অশ্বিন ১২৮ বলে ৩৯ রান করে এবং হনুমা ১৬১ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। অজিদের মুখ থেকে 'জয়ের' গ্রাস ছিনিয়ে নেন তারা। বিসিসিআইয়ের টিভির হয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দু'জনেই আলোকপাত করেন তাদের সেই লড়াকু পারফরম্যান্সের উপরে।

অশ্বিন জানান 'ওর হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট এবং আমার পিঠের ব্যথা নিয়ে খেলার সময় আমরা একটা জিনিস মাথায় রেখেছি যে আমাদের মনঃসংযোগ হারিয়ে বাজে শট খেললে চলবে না। যখন একেবারে শেষ প্রান্তে মানে আর চার-পাচ ওভার খেলা বাকি ছিল সেসময় আমাদের মনে হচ্ছিল যেন আমাদের মনঃসংযোগ নষ্ট হতে পারে। তখন আমরা স্ট্রাইক রোটেট করে খেলা শুরু করি। রানটা সেইসময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ম্যাচটা বাচানো সেসময় দরকার ছিল। মাঝে একটা সময় প্যাট কামিন্স খুব ভাল বল করছিল। একটু উঁচু নীচু বাউন্স ছিল। সেইসময়টা আমরা প্রচন্ড ধৈর্য ধরে খেলেছি। যে কোন সময় ওই সময়টা আমরা উইকেট হারাতে পারতাম। আমার পিঠ মাঝে মাঝে স্টিফ হয়ে আসছিল। তাই আমি হনুমাকে বলি যতটা সম্ভব আমি স্ট্রাইক নেব। কারন সেটা না হলে কষ্টটা বাড়ছিল।আমাকে চেষ্ট গার্ড ও পরতে হচ্ছিল। আমরা সেই কারণে ম্যাচ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই উদযাপন করিনি। কারন আমাদের মাউন্ডসেটটা তখন একটা দিকেই কাজ করছিল ম্যাচটা বাচানোর লক্ষ্যে।'

বিহারী জানান ' এই ম্যাচে ড্র করতে পারাটা একটা অসাধারন ফল আমাদের জন্য। আমি মনে করি আমি যদি চোটটা না পেতাম এবং পূজারা আরও কিছুক্ষণ উইকেটে থাকত তাহলে ম্যাচের ফলাফলটা অন্যরকম হত। আমরা হয়ত একটা অবিস্মরণীয় জয় ভারতকে উপহার দিতে পারতাম। তবে পঞ্চম দিনের উইকেটে ওইভাবে লড়াই করে টেস্টটা ড্র করতে পারার তৃপ্তিটাই আলাদা। সেই তৃপ্তিটাকে যেন আমরা এখন ও উপভোগ করে চলেছি ভিতরে ভিতরে।'

 

বন্ধ করুন