বাংলা নিউজ > ময়দান > কার থেকে কী মেসেজের প্রত্যাশা করেছিল কোহলি, নজিরবিহীন আক্রমণ গাভাসকরের
ফাইল ছবি

কার থেকে কী মেসেজের প্রত্যাশা করেছিল কোহলি, নজিরবিহীন আক্রমণ গাভাসকরের

  • কোহলি মুখ খোলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা তোপ ভারতীয় প্রাক্তনীর।

এবার আর কোনও লুকোছাপা নেই! প্রাক্তনীদের সঙ্গে একেবারে খুল্লামখুল্লা লড়াই শুরু হল বিরাট কোহলির। তিনি টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর কেউ ফোন করেননি ধোনি ছাড়া, সবাই টিভিতে জ্ঞান দেয় শুধু, প্রেস কনফারেন্সে এই কথা বলার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই পালটা তোপ দিলেন সুনীল গাভাসকর। ঠিক কার থেকে ফোন পাওয়ার আশা করছিলেন কোহলি, সেটা তাঁর বলা উচিত, বলে মনে করেন স্পষ্টবাক সুনীল গাভাসকর।

স্পোর্টস তক অনুষ্ঠানে সুনীল গাভাসকর বলেন যে খুব শক্ত এটা বোঝা যে কার কথা বলছেন কোহলি। যদি নাম উল্লেখ করেন কোহলি, তাহলে তাদেরকে গিয়ে জিজ্ঞেস করা যায় যে আপনারা যোগাযোগ করেছিলেন কিনা। যদি কোহলির সঙ্গে খেলে যাওয়া প্রাক্তনীদের কথা বলা হচ্ছে এখানে, তাহলে তাদের মধ্যে টিভিতে কারা আসেন, সেটা সবার জানা। তাদের গিয়ে তাহলে ধরা উচিত যে কেন কোনও মেসেজ করেননি!

এরপর একেবারে সোজাসাপ্টা ভাবে কোহলিকে আক্রমণ করেন গাভাসকর। তাঁর প্রশ্ন, ও ঠিক কী বার্তা চেয়েছিল। ও কি উৎসাহ চাইছিল। কিন্তু ওর তো অধিনায়কত্বের পালা চুকে গিয়েছিল। তাহলে আবার কিসের উৎসাহ লাগবে। এরপর কিংবদন্তি বলেন যে তুমি এখন সাধারণ ক্রিকেটার হিসাবে খেলছ। সেই ভূমিকায় জোর দেওয়া উচিত কারণ এখন অন্যদের বিষয়ে আর ভাবার প্রয়োজন নেই।

১৯৮৫ সালে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর অধিনায়কত্ব ছাড়েন সুনীল গাভাসকর। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন তিনি বলেন যে তিনি কোনও মেসেজ পাননি তাঁর আমলেও। অধিনায়কত্ব ছাড়ার রাতে টিম মেটদের সঙ্গে পার্টি করেছেন, আলিঙ্গন পেয়েছেন তাদের, কিন্তু তার থেকে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা উচিত নয় বলেই সানির অভিমত।

কিং কোহলি ভারতের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার তথা অন্যতম সফল অধিনায়ক। কিন্তু তাল কাটে গত বছর টি২০ বিশ্বকাপে হারের পর। হঠাৎ অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন তিনি টি২০ দলের। এরপর তাঁকে ওডিআই ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরানো হয়। জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ হারার পর হঠাৎ তিনি লাল বলের অধিনায়কত্ব থেকেও সরে দাঁড়ান। সেই প্রসঙ্গে এই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন কিং কোহলি। তাঁর অভিমান যে শক্ত সময়ে ধোনি ছাড়া কেই পাশে ছিল না, সবাই টিভিতে মন্তব্য দিয়েছেন। ধোনির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথা পাকিস্তান ম্যাচের শেষে বলেন কোহলি। তাঁরা দুজনেই একে অপরের প্রতি ইনসিকিউর নয় বলেই এই সম্পর্ক এত সুন্দর বলে জানান প্রাক্তন অধিনায়ক।

 

 

বন্ধ করুন