বাংলা নিউজ > ময়দান > মাকে হারানোর যন্ত্রণা সঙ্গী করেই কোভিড-যুদ্ধে নেমে পড়েছেন ATK MB-র অরিন্দম
অরিন্দম ভট্টাচার্য ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্যোগ।
অরিন্দম ভট্টাচার্য ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্যোগ।

মাকে হারানোর যন্ত্রণা সঙ্গী করেই কোভিড-যুদ্ধে নেমে পড়েছেন ATK MB-র অরিন্দম

  • অরিন্দম ভট্টাচার্যের পাড়ার টালিগঞ্জ আটলাল্টা ক্লাবেই সেফ হোমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেডের সংখ্যা আপাতত ন'টি। তবে সেটি আরও বাড়ানোর ইচ্ছে রয়েছে অরিন্দমদের। ২৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

করোনায় মাকে হারিয়েছেন। সেই যন্ত্রণা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তবে এরই মধ্যে কোভিড-যুদ্ধে সামিল হয়ে গেলেন আইএসএলের রানার্স এটিকে মোহনবাগানের তারকা গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। 

পাড়ার ক্লাবের দূর্গা মণ্ডপকে রাতারাতি মিনি হাসপাতাল বানিয়ে ফেলেছেন অরিন্দম এবং তাঁর সঙ্গীরা। তাঁর পাড়ার টালিগঞ্জ আটলাল্টা ক্লাবেই সেফ হোমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেডের সংখ্যা আপাতত ন'টি। তবে সেটি আরও বাড়ানোর ইচ্ছে রয়েছে অরিন্দমদের। ২৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কিছু চিকিৎসকও। এরই পাশাপাশি নিয়মিত ২০০ জন করে মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

অরিন্দম বলেছেন, ‘মায়ের মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতেই পারছি না। শেষ ১৫টা দিন আমার কাছে ১৫ বছর। কতকগুলি নিদ্রাহীন রাত, হাসপাতালের ভয়ঙ্কর পরিবেশ, শশ্মানের স্তব্ধতা আমার জীবনের গতিকে প্রতি মুহূর্তে থমকে দিয়েছে।’ তবে মায়ের মৃত্যুর পরই অরিন্দমের বারবার করোনায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা মনে হয়েছে। তিনি সেই কাজে এগিয়েও এসেছেন। অরিন্দম বলেছেন, ‘চোখের সামনে মৃত্যুমিছিল আমাকে যন্ত্রণা দিচ্ছে। তাই এই অতিমারীর সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ের জন্য ময়দানে নেমে পড়েছি। সকলকেই অনুরোধ করব, এই লড়াইটা একসঙ্গে লড়ার জন্য।’

 অরিন্দমদের উদ্যোগে ইতিমধ্যে ১৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এই পরিষেবা আরও বাড়ানোর ভাবনাচিন্তা চলছে বলেও জানিয়েছেন অরিন্দম।

বন্ধ করুন